কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে মুখ্য সচেতক করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে রাতেই বিধানসভার স্পিকারকে ইমেল পাঠান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই চিঠিতে স্পষ্টভাবে ফিরহাদ হাকিমের পরিবর্তে মদন মিত্রকে এই দায়িত্ব দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।
এই সিদ্ধান্ত ঘিরে তৃণমূলে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা। সূত্রের খবর, দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ভাঙার অভিযোগে ফিরহাদ হাকিমকে প্রথমে শোকজ করা হয় এবং পরবর্তীতে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। অভিযোগ, ‘বিদ্রোহী’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে সক্রিয় হওয়ার কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে এই কড়া সিদ্ধান্ত নেয় শাসক শিবির।
বিশ্বাসঘাতকতার কালো অধ্যায় স্মরণে পলাশী দিবস, রেজিনগরে বীর সেনাপতি মীরমদনের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য
একইসঙ্গে বিধানসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকেও তাঁকে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই জায়গাতেই মদন মিত্রকে আনার সিদ্ধান্ত নেয় দলীয় নেতৃত্ব। সোমবার রাতেই বিদ্রোহী শিবিরের বিভিন্ন কর্মসূচি ও অবস্থান দেখে জাতীয় কর্মসমিতিতে বড় রদবদল করেন তৃণমূল নেত্রী। সেখান থেকে ফিরহাদ হাকিম ও অরূপ বিশ্বাসের নাম বাদ যায় বলেও জানা গেছে।
মঙ্গলবার অধিবেশন শুরুর আগে তৃণমূল নেতৃত্ব স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে এই পরিবর্তন কার্যকর করার আবেদন জানায়। তবে স্পিকার জানান, বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় তিনি এতে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। ফলে বিধানসভায় মুখ্য সচেতক পদ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং অধিবেশনের শুরুতে বাস্তবে এই দায়িত্ব কার হাতে ছিল, তা নিয়েও ধোঁয়াশা থেকেই যায়।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন