Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘দু’বার খারিজ আর্জি!’ অবশেষে কেন মোদী সরকারের মোচড়? ফাঁস ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার আসল কারণ!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬
‘দু’বার খারিজ আর্জি!’ অবশেষে কেন মোদী সরকারের মোচড়? ফাঁস ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার আসল কারণ!
ধর্মেন্দ্র প্রধান। ফাইল ছবি

নয়া দিল্লি: নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে দেশজুড়ে ক্ষোভের আগুন তীব্র হতেই পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তবে নেপথ্যের আসল সত্য সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, একবারে নয়, আন্দোলনের আঁচ পেয়ে আগেই দু’-দু’বার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। কিন্তু প্রতিবারই সেই আবেদন খারিজ করে দেয় মোদী সরকার। অবশেষে শনিবার সরকার অবস্থান বদলাতেই ইস্তফা কার্যকর হয়। কিন্তু ঠিক কী কারণে আগের অবস্থান থেকে হঠাৎ সরে এল কেন্দ্র?

নিটের প্রশ্ন ফাঁসের খবর সামনে আসার পরই যন্তর মন্তরে শুরু হয়েছিল পড়ুয়াদের তুমুল প্রতিবাদ, অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুকও। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে প্রথমবার তখনই পদত্যাগ করতে চান ধর্মেন্দ্র প্রধান। কিন্তু সরকার মনে করেছিল, এই সময়ে ইস্তফা দিলে তা হবে সমস্যা থেকে পালিয়ে যাওয়ার নামান্তর। তাই পদে থেকে সমস্যার সমাধান করার নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে। এরপর ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টি ও ছাত্র সংগঠনগুলির সংসদ অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র তৈরি হলে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও দ্বিতীয়বার সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তিনি। মোদী সরকার তখনও তাঁর দাবি নাকচ করে দেয়।

তাহলে মাত্র ছয় দিনের মধ্যে কী এমন ঘটল যে কেন্দ্রকে মাথা নোয়াতে হলো? আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে সম্প্রতি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারের বৈঠকে। ককরোচ প্রতিনিধিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং আলোচনায় বসলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মেন্দ্র ইস্তফা না দিলে লড়াই থামবে না এবং প্রয়োজনে ফের বড় মাপের সংসদ অভিযানের পথ বাছা হবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা রিপোর্টেও চাঞ্চল্যকর বার্তা আসে—পড়ুয়াদের এই তীব্র অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে অশান্তি ছড়ানোর ছক কষছে কিছু ভারতবিরোধী শক্তি।

গোয়েন্দা তথ্য ও আন্দোলনকারীদের অনড় অবস্থান পর্যালোচনা করার পরই মোদী সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, রাজধানীতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখাই এখন প্রথম অগ্রাধিকার। যন্তর মন্তরের প্রতিবাদ থামাতেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ধর্মেন্দ্র প্রধানও জানান, দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু অনুমোদন করেন।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : BJP NarendraModi HiddenStoriesNews dharmendrapradhan NarendraModi EducationMinister BJP DelhiPolitics

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


‘দু’বার খারিজ আর্জি!’ অবশেষে কেন মোদী সরকারের মোচড়? ফাঁস ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার আসল কারণ!

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image
নয়া দিল্লি: নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে দেশজুড়ে ক্ষোভের আগুন তীব্র হতেই পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তবে নেপথ্যের আসল সত্য সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, একবারে নয়, আন্দোলনের আঁচ পেয়ে আগেই দু’-দু’বার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। কিন্তু প্রতিবারই সেই আবেদন খারিজ করে দেয় মোদী সরকার। অবশেষে শনিবার সরকার অবস্থান বদলাতেই ইস্তফা কার্যকর হয়। কিন্তু ঠিক কী কারণে আগের অবস্থান থেকে হঠাৎ সরে এল কেন্দ্র?নিটের প্রশ্ন ফাঁসের খবর সামনে আসার পরই যন্তর মন্তরে শুরু হয়েছিল পড়ুয়াদের তুমুল প্রতিবাদ, অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুকও। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে প্রথমবার তখনই পদত্যাগ করতে চান ধর্মেন্দ্র প্রধান। কিন্তু সরকার মনে করেছিল, এই সময়ে ইস্তফা দিলে তা হবে সমস্যা থেকে পালিয়ে যাওয়ার নামান্তর। তাই পদে থেকে সমস্যার সমাধান করার নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে। এরপর ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টি ও ছাত্র সংগঠনগুলির সংসদ অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র তৈরি হলে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও দ্বিতীয়বার সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তিনি। মোদী সরকার তখনও তাঁর দাবি নাকচ করে দেয়।তাহলে মাত্র ছয় দিনের মধ্যে কী এমন ঘটল যে কেন্দ্রকে মাথা নোয়াতে হলো? আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে সম্প্রতি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারের বৈঠকে। ককরোচ প্রতিনিধিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং আলোচনায় বসলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মেন্দ্র ইস্তফা না দিলে লড়াই থামবে না এবং প্রয়োজনে ফের বড় মাপের সংসদ অভিযানের পথ বাছা হবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা রিপোর্টেও চাঞ্চল্যকর বার্তা আসে—পড়ুয়াদের এই তীব্র অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে অশান্তি ছড়ানোর ছক কষছে কিছু ভারতবিরোধী শক্তি।গোয়েন্দা তথ্য ও আন্দোলনকারীদের অনড় অবস্থান পর্যালোচনা করার পরই মোদী সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, রাজধানীতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখাই এখন প্রথম অগ্রাধিকার। যন্তর মন্তরের প্রতিবাদ থামাতেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ধর্মেন্দ্র প্রধানও জানান, দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু অনুমোদন করেন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত