উত্তরপ্রদেশঃ বন্ধ ঘরের খাটের নীচ থেকে উদ্ধার তরুণীর দেহ। উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসীর শিপ্রি বাজার এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম শিবানী ওরফে সুধা। তাঁর স্বামী যশ ঠাকুরের কোনও খোঁজ মিলছে না। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের সন্দেহ, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। ঘটনায় মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, প্রায় দু’বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে শিবানীর সঙ্গে পরিচয় হয় মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রের বাসিন্দা যশের। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হওয়ার থেকে ধীরে ধীরে সম্পর্ক গভীর হয়। পরে বিয়েও করেন তাঁরা। যদিও বিয়ের পর কর্মসূত্রে উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসীতে বসবাস শুরু করেছিলেন দু’জনে। প্রতিবেশীদের দাবি, গত ৩১ আগস্টের পর থেকেই শিবানীর কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ঝাঁসীর ফৌজি তিরাহায় দম্পতির ভাড়া বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। যশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে দরজা ভেঙে বাড়ির ভিতরে ঢোকা হয়। তল্লাশি চালাতেই খাটের নীচ থেকে শিবানীর দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়ে থাকতে পারে।
দেহ উদ্ধারের পর থেকেই শিবানীর স্বামীর সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। মৃতার পরিবারের তরফে যশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করে এফআইআর করা হয়েছে। ঝাঁসীর পুলিশ সুপার প্রীতি সিংহ জানিয়েছেন, স্থানীয় বাসিন্দা এবং মৃতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে দাম্পত্য অশান্তির কথা জানা গিয়েছে। এমনকী শিবানীকে মারধরও করা হত। পুলিশের আরও দাবি, যশের বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ উঠেছিল এবং একাধিক অপরাধের মামলা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন