Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

কীভাবে নামল নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান? বিজ্ঞানীদের তত্ত্বে তুষারধসের চাঞ্চল্যকর ইঙ্গিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
 কীভাবে নামল নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান? বিজ্ঞানীদের তত্ত্বে তুষারধসের চাঞ্চল্যকর ইঙ্গিত
ছবি সংগৃহীত

কাঠমাণ্ডু: ভয়াবহ হরপা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। তবে ভোটেকোশী নদীতে ভয়াবহ হড়পা বানের নেপথ্যে ঠিক কী ছিল? এবার সেটাই জানালেন ভূবিজ্ঞানীরা। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের একাংশের অনুমান, তুষারধস থেকেই বিপর্যয়ের সূত্রপাত। মনে করা হচ্ছে, পাহাড় থেকে নেমে আসা পাথর ও বরফের স্তূপে লেহন্দে নদীর গতিপথ আটকে গিয়েছিল। ধীরে ধীরে সেই জায়গায় জল জমে প্রবল চাপ তৈরি হয়। কোনও একসময় সেই প্রাকৃতিক ‘বাঁধ’ ভেঙে যাওয়াতেই আচমকা জল ও পাথরের স্রোত নেমে আসে ভোটেকোশীতে।


বুধবার সকালে নেপালের রাসুয়া জেলায় ভোটেকোশী নদীতে আচমকা হড়পা বান নামে। এই বিপর্যয়ের পর থেকেই নিখোঁজ বহু পর্যটক। নেপাল তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন ২৯১ জন বিদেশি-সহ মোট ৩৮৪ জন পর্যটক। তাঁদের মধ্যে ১৪১ জন ভারতীয় নাগরিক, যার মধ্যে ৩৭ জন অনাবাসী ভারতীয়। বিপর্যয়ের প্রভাব পড়েছে নুয়াকোট এবং ধারিং জেলাতেও। উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে জোরকদমে। আরও একটি সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। হিমবাহের বরফ গলে তৈরি হওয়া কোনও হ্রদ আচমকা ভেঙে পড়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমন ঘটনা ঘটলে অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল জল নীচের দিকে নেমে এসে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।


২০২৫ সালের জুলাই মাসেও একই ভোটেকোশী নদীতে হড়পা বান নেমেছিল। তবে পরে জানা গিয়েছিল, নেপাল-চিন সীমান্তের কাছে একটি হিমবাহের হ্রদ ফেটে যাওয়ার জেরে লেহন্দে নদীতে আচমকা জলস্রোত নেমেছিল। সেই ঘটনার সঙ্গে এবারের বিপর্যয়ের সম্ভাব্য কারণের মিল আছে কি না খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিষয় : Nepal Tibet Flash Flood Natural Disaster

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


কীভাবে নামল নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান? বিজ্ঞানীদের তত্ত্বে তুষারধসের চাঞ্চল্যকর ইঙ্গিত

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কাঠমাণ্ডু: ভয়াবহ হরপা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। তবে ভোটেকোশী নদীতে ভয়াবহ হড়পা বানের নেপথ্যে ঠিক কী ছিল? এবার সেটাই জানালেন ভূবিজ্ঞানীরা। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের একাংশের অনুমান, তুষারধস থেকেই বিপর্যয়ের সূত্রপাত। মনে করা হচ্ছে, পাহাড় থেকে নেমে আসা পাথর ও বরফের স্তূপে লেহন্দে নদীর গতিপথ আটকে গিয়েছিল। ধীরে ধীরে সেই জায়গায় জল জমে প্রবল চাপ তৈরি হয়। কোনও একসময় সেই প্রাকৃতিক ‘বাঁধ’ ভেঙে যাওয়াতেই আচমকা জল ও পাথরের স্রোত নেমে আসে ভোটেকোশীতে।বুধবার সকালে নেপালের রাসুয়া জেলায় ভোটেকোশী নদীতে আচমকা হড়পা বান নামে। এই বিপর্যয়ের পর থেকেই নিখোঁজ বহু পর্যটক। নেপাল তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন ২৯১ জন বিদেশি-সহ মোট ৩৮৪ জন পর্যটক। তাঁদের মধ্যে ১৪১ জন ভারতীয় নাগরিক, যার মধ্যে ৩৭ জন অনাবাসী ভারতীয়। বিপর্যয়ের প্রভাব পড়েছে নুয়াকোট এবং ধারিং জেলাতেও। উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে জোরকদমে। আরও একটি সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। হিমবাহের বরফ গলে তৈরি হওয়া কোনও হ্রদ আচমকা ভেঙে পড়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমন ঘটনা ঘটলে অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল জল নীচের দিকে নেমে এসে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।২০২৫ সালের জুলাই মাসেও একই ভোটেকোশী নদীতে হড়পা বান নেমেছিল। তবে পরে জানা গিয়েছিল, নেপাল-চিন সীমান্তের কাছে একটি হিমবাহের হ্রদ ফেটে যাওয়ার জেরে লেহন্দে নদীতে আচমকা জলস্রোত নেমেছিল। সেই ঘটনার সঙ্গে এবারের বিপর্যয়ের সম্ভাব্য কারণের মিল আছে কি না খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত