Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Abhishek Banerjee: দমকলের নোটিসে রক্ষাকবচ দিল না হাইকোর্ট! তল্পিতল্পা গুটিয়ে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস ছাড়তেই হচ্ছে অভিষেককে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Abhishek Banerjee: দমকলের নোটিসে রক্ষাকবচ দিল না হাইকোর্ট! তল্পিতল্পা গুটিয়ে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস ছাড়তেই হচ্ছে অভিষেককে?
ফাইল ছবি।

কলকাতা: ক্যামাক স্ট্রিটের রাজনৈতিক কার্যালয় নিয়ে চরম বিপাকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বহুতলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার গুরুতর গলদের অভিযোগে দমকলের জারি করা নোটিসে আপাতত কোনওরকম হস্তক্ষেপ করতে চাইল না কলকাতা হাইকোর্ট। যার ফলে দমকল ও বাড়ি মালিকের নির্দেশ মেনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর খালি করার প্রক্রিয়াই কার্যত বহাল রইল। দমকলের নোটিসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রক্ষাকবচ পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল কালীঘাট শিবির, কিন্তু শুনানিতে সেই যুক্তিতে কর্ণপাত করলেন না বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এই বহুল চর্চিত মামলার চূড়ান্ত রায় দিতে চলেছে হাইকোর্টের একক বেঞ্চ।

শুক্রবার মামলার শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী কিশোর দত্ত সওয়াল করে জানান, ক্যামাক স্ট্রিটের সপ্তম ও অষ্টম তলা লিজ নিয়ে কার্যালয় চালানো হচ্ছিল। গত ২৬ আগস্ট মালিকপক্ষ একতরফাভাবে লিজ বাতিল করায় মামলা নিম্ন আদালতে বিচারাধীন। এর মধ্যেই দমকল এসে পরিদর্শন করে ছাদে বেআইনি নির্মাণ ও সপ্তম তলায় গ্যাস সিলিন্ডার রাখার অভিযোগ তোলে। আইনজীবীর দাবি, সমস্যা থাকলে গোটা ভবন নিয়েই প্রশ্ন ওঠা উচিত ছিল, কেবল দুটি তলকেই কেন অসুরক্ষিত বলা হচ্ছে? গ্যাস সিলিন্ডারগুলো ইতিপূর্বেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং অগ্নিনির্বাপণের বাকি ত্রুটি মেরামতির মূল দায়িত্ব বাড়ির মালিকের। পালটা যুক্তি দিয়ে অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিত মিত্র জানান, পরিদর্শনে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। বহু গ্যাস সিলিন্ডার মজুত থাকলেও তা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়নি, ফায়ার অ্যালার্ম বিকল ছিল এবং অন্যান্য তলের তুলনায় মাত্র ৪৫টি স্প্রিংকলার ছিল যা কার্যত অকেজো। দমকলের কাজ ছিল বিপদের ঝুঁকি চিহ্নিত করা, সেটাই তারা করেছে।

অন্যদিকে বাড়ির মালিকপক্ষের আইনজীবী সৌম্য মজুমদার অভিযোগ আনেন, একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর খোদ বাড়ির মালিকের প্রবেশাধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং মালিককে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে সেখানে নিয়মবহির্ভূতভাবে ক্যাফেটেরিয়া তৈরি করা হয়। সব পক্ষের তীব্র বাদানুবাদের পর বিচারপতি স্পষ্ট জানান, অগ্নিনির্বাপক লাইসেন্স ও ছাড়পত্রের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। দমকলের নোটিসের ওপর আদালত কোনও স্থগিতাদেশ বা হস্তক্ষেপ করবে না। আদালতের এই কড়া অবস্থানের ফলে অফিস খালি করার চাপ আরও কয়েক গুণ বাড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর মামলার চূড়ান্ত রায়ে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : WestBengalPolitics BreakingNews KolkataNews CalcuttaHighCourt AbhishekBanerjee HiddenStoriesNews CamacStreet FireDepartment

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Abhishek Banerjee: দমকলের নোটিসে রক্ষাকবচ দিল না হাইকোর্ট! তল্পিতল্পা গুটিয়ে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস ছাড়তেই হচ্ছে অভিষেককে?

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ক্যামাক স্ট্রিটের রাজনৈতিক কার্যালয় নিয়ে চরম বিপাকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বহুতলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার গুরুতর গলদের অভিযোগে দমকলের জারি করা নোটিসে আপাতত কোনওরকম হস্তক্ষেপ করতে চাইল না কলকাতা হাইকোর্ট। যার ফলে দমকল ও বাড়ি মালিকের নির্দেশ মেনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর খালি করার প্রক্রিয়াই কার্যত বহাল রইল। দমকলের নোটিসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রক্ষাকবচ পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল কালীঘাট শিবির, কিন্তু শুনানিতে সেই যুক্তিতে কর্ণপাত করলেন না বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এই বহুল চর্চিত মামলার চূড়ান্ত রায় দিতে চলেছে হাইকোর্টের একক বেঞ্চ।শুক্রবার মামলার শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী কিশোর দত্ত সওয়াল করে জানান, ক্যামাক স্ট্রিটের সপ্তম ও অষ্টম তলা লিজ নিয়ে কার্যালয় চালানো হচ্ছিল। গত ২৬ আগস্ট মালিকপক্ষ একতরফাভাবে লিজ বাতিল করায় মামলা নিম্ন আদালতে বিচারাধীন। এর মধ্যেই দমকল এসে পরিদর্শন করে ছাদে বেআইনি নির্মাণ ও সপ্তম তলায় গ্যাস সিলিন্ডার রাখার অভিযোগ তোলে। আইনজীবীর দাবি, সমস্যা থাকলে গোটা ভবন নিয়েই প্রশ্ন ওঠা উচিত ছিল, কেবল দুটি তলকেই কেন অসুরক্ষিত বলা হচ্ছে? গ্যাস সিলিন্ডারগুলো ইতিপূর্বেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং অগ্নিনির্বাপণের বাকি ত্রুটি মেরামতির মূল দায়িত্ব বাড়ির মালিকের। পালটা যুক্তি দিয়ে অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিত মিত্র জানান, পরিদর্শনে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। বহু গ্যাস সিলিন্ডার মজুত থাকলেও তা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়নি, ফায়ার অ্যালার্ম বিকল ছিল এবং অন্যান্য তলের তুলনায় মাত্র ৪৫টি স্প্রিংকলার ছিল যা কার্যত অকেজো। দমকলের কাজ ছিল বিপদের ঝুঁকি চিহ্নিত করা, সেটাই তারা করেছে।অন্যদিকে বাড়ির মালিকপক্ষের আইনজীবী সৌম্য মজুমদার অভিযোগ আনেন, একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর খোদ বাড়ির মালিকের প্রবেশাধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং মালিককে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে সেখানে নিয়মবহির্ভূতভাবে ক্যাফেটেরিয়া তৈরি করা হয়। সব পক্ষের তীব্র বাদানুবাদের পর বিচারপতি স্পষ্ট জানান, অগ্নিনির্বাপক লাইসেন্স ও ছাড়পত্রের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। দমকলের নোটিসের ওপর আদালত কোনও স্থগিতাদেশ বা হস্তক্ষেপ করবে না। আদালতের এই কড়া অবস্থানের ফলে অফিস খালি করার চাপ আরও কয়েক গুণ বাড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর মামলার চূড়ান্ত রায়ে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত