Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Ganesh Puja: সিদ্ধিদাতার আশীর্বাদ পেতে কবে করবেন পুজো? কখন শুরু ও শেষ চতুর্থী তিথি, জেনে নিন দিন-ক্ষণ

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ganesh Puja: সিদ্ধিদাতার আশীর্বাদ পেতে কবে করবেন পুজো? কখন শুরু ও শেষ চতুর্থী তিথি, জেনে নিন দিন-ক্ষণ
ছবি সংগৃহীত

দেবাদিদেব মহাদেব ও দেবী গৌরীর পুত্র শ্রীগণেশকে হিন্দু ধর্মে সিদ্ধিদাতা বলা হয়। বিশ্বাস অনুযায়ী, তিনি বুদ্ধি, সমৃদ্ধি ও সাফল্যের দেবতা। তাই কোনও শুভ কাজ শুরুর আগে গণেশপুজো করার রীতি রয়েছে। গণেশের জন্মকাহিনির সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে শনিদেবের একটি পরিচিত পৌরাণিক কাহিনি। 


কথিত আছে, পুত্র গণেশের জন্মের পর দেবী গৌরী সকল দেবতাকে তাঁকে আশীর্বাদ করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণে উপস্থিত হন শনিদেবও। গৌরীর অনুরোধে তিনি গণেশের দিকে তাকান। এরপরই তাঁর দৃষ্টির প্রভাবে গণেশের মস্তক ভস্মীভূত হয় বলে পুরাণে উল্লেখ রয়েছে। পরে ভগবান বিষ্ণুর প্রচেষ্টায় হস্তীমস্তক স্থাপন করে গণেশকে পুনর্জীবন দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর চিন্তিত হয়ে পড়েন দেবী গৌরী। তবে শেষ পর্যন্ত দেবতাদের আশীর্বাদে গজানন হিসেবে গণেশ সিদ্ধিদাতা এবং সফলতার দেবতার মর্যাদা লাভ করেন। সেই থেকেই শুভ কাজের শুরুতে গণেশপুজোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়।

স্কন্দপুরাণ অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিই সিদ্ধিদাতা গণেশের জন্মতিথি। ২০২৬ সালে গণেশপুজোর তিথি নিয়ে পঞ্জিকা অনুযায়ী সামান্য সময়ের পার্থক্য রয়েছে। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, চতুর্থী তিথি শুরু হবে ২৮ ভাদ্র, সোমবার অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৮ মিনিটে। তিথি শেষ হবে ২৯ ভাদ্র, মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে। এই হিসাব অনুযায়ী ১৪ সেপ্টেম্বরই পালিত হবে শ্রীশ্রী গণেশপুজো।


অন্যদিকে, গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা অনুযায়ী চতুর্থী তিথি শুরু হচ্ছে ২৭ ভাদ্র, সোমবার অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ২৭ মিনিট ১১ সেকেন্ডে। চতুর্থী তিথি শেষ হবে ২৮ ভাদ্র, মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৩০ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে। এই পঞ্জিকাতেও ১৪ সেপ্টেম্বরই গণেশপুজোর দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয় : Ganesh Chaturthi

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Ganesh Puja: সিদ্ধিদাতার আশীর্বাদ পেতে কবে করবেন পুজো? কখন শুরু ও শেষ চতুর্থী তিথি, জেনে নিন দিন-ক্ষণ

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
দেবাদিদেব মহাদেব ও দেবী গৌরীর পুত্র শ্রীগণেশকে হিন্দু ধর্মে সিদ্ধিদাতা বলা হয়। বিশ্বাস অনুযায়ী, তিনি বুদ্ধি, সমৃদ্ধি ও সাফল্যের দেবতা। তাই কোনও শুভ কাজ শুরুর আগে গণেশপুজো করার রীতি রয়েছে। গণেশের জন্মকাহিনির সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে শনিদেবের একটি পরিচিত পৌরাণিক কাহিনি। কথিত আছে, পুত্র গণেশের জন্মের পর দেবী গৌরী সকল দেবতাকে তাঁকে আশীর্বাদ করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণে উপস্থিত হন শনিদেবও। গৌরীর অনুরোধে তিনি গণেশের দিকে তাকান। এরপরই তাঁর দৃষ্টির প্রভাবে গণেশের মস্তক ভস্মীভূত হয় বলে পুরাণে উল্লেখ রয়েছে। পরে ভগবান বিষ্ণুর প্রচেষ্টায় হস্তীমস্তক স্থাপন করে গণেশকে পুনর্জীবন দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর চিন্তিত হয়ে পড়েন দেবী গৌরী। তবে শেষ পর্যন্ত দেবতাদের আশীর্বাদে গজানন হিসেবে গণেশ সিদ্ধিদাতা এবং সফলতার দেবতার মর্যাদা লাভ করেন। সেই থেকেই শুভ কাজের শুরুতে গণেশপুজোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়।স্কন্দপুরাণ অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিই সিদ্ধিদাতা গণেশের জন্মতিথি। ২০২৬ সালে গণেশপুজোর তিথি নিয়ে পঞ্জিকা অনুযায়ী সামান্য সময়ের পার্থক্য রয়েছে। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, চতুর্থী তিথি শুরু হবে ২৮ ভাদ্র, সোমবার অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৮ মিনিটে। তিথি শেষ হবে ২৯ ভাদ্র, মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে। এই হিসাব অনুযায়ী ১৪ সেপ্টেম্বরই পালিত হবে শ্রীশ্রী গণেশপুজো।অন্যদিকে, গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা অনুযায়ী চতুর্থী তিথি শুরু হচ্ছে ২৭ ভাদ্র, সোমবার অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ২৭ মিনিট ১১ সেকেন্ডে। চতুর্থী তিথি শেষ হবে ২৮ ভাদ্র, মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৩০ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে। এই পঞ্জিকাতেও ১৪ সেপ্টেম্বরই গণেশপুজোর দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত