Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Naushad Siddiqui: হাতছাড়া 'খাম', মিলল 'আলমারি'! আদালতের এক রায়ে তছনছ আইএসএফ-এর বড় পরিকল্পনা, উপনির্বাচনের মুখে নওশাদদের মাথায় হাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
 Naushad Siddiqui: হাতছাড়া 'খাম', মিলল 'আলমারি'! আদালতের এক রায়ে তছনছ আইএসএফ-এর বড় পরিকল্পনা, উপনির্বাচনের মুখে নওশাদদের মাথায় হাত
নওশাদ সিদ্দিকি। ফাইল ছবি

কলকাতা: আসন্ন উপনির্বাচনের ঠিক মুখেই বড়সড় আইনি ধাক্কা খেল আইএসএফ। বহুল চর্চিত প্রতীক মামলায় কোনোপ্রকার হস্তক্ষেপ করতে নারাজ বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাও এই রায় ঘোষণা করে নওশাদ সিদ্দিকিদের আবেদন খারিজ করে দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর স্পষ্ট হয়ে গেল যে, আগামী উপনির্বাচনে আর চেনা 'খাম' প্রতীকে নয়, বরং একেবারে নতুন 'আলমারি' প্রতীক নিয়েই নির্বাচনী ময়দানে নামতে হবে ভাঙড়ের বিধায়কের দলকে।

আগামী ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগর কেন্দ্র দু’টিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপনির্বাচন। ঠিক তার আগেই নির্বাচন কমিশন আইএসএফ-এর চেনা 'খাম' প্রতীক বদলে দিয়ে 'আলমারি' বরাদ্দ করে। অন্যদিকে সেই পুরনো 'খাম' চিহ্নটি তুলে দেওয়া হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন দল ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ (ডিটিসি)-এর হাতে। ২০২১ এবং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যে চিহ্নে লড়াই করে সফলতা পেয়েছিল দল, সেই প্রতীক এভাবে হাতছাড়া হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয় আইএসএফ শিবিরের মধ্যে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে পক্ষপাতমূলক আখ্যা দিয়ে এবং পুরনো প্রতীক ফেরানোর জোরালো দাবি নিয়ে গত ২১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইএসএফ নেতৃত্ব।


গত সোমবার শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনের হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। কমিশন কীভাবে এক দলের ব্যবহৃত প্রতীক অন্য দলকে দিয়ে দিল, তা নিয়ে একাধিক কড়া প্রশ্ন তোলে আদালত। এমনকি ঋতব্রতদের দলের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি। জবাবে কমিশনের আইনজীবী যুক্তি দেন যে, মুক্ত বা 'ফ্রি' প্রতীক কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় এবং নির্বাচন শেষ হলেই তার মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। অবশেষে সমস্ত পক্ষের যুক্তি শোনার পর বুধবার চূড়ান্ত রায়ে বিচারক স্পষ্ট জানান, যেহেতু নির্বাচনী প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে, তাই এই মুহূর্তে আদালত এতে নতুন করে হস্তক্ষেপ করতে চায় না।

আদালতের এই রায়ের ফলে উপনির্বাচনের আগের মুহূর্ত পর্যন্ত চলা দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে বড়সড় ধাক্কা খেল নওশাদ সিদ্দিকির দল। চেনা প্রতীক হাতছাড়া হওয়ায় শেষ মুহূর্তে ভোটারদের কাছে পৌঁছানো এবং প্রচারের রূপরেখা নতুন করে সাজানো আইএসএফ-এর সামনে এক মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াল। অন্যদিকে, স্বস্তি ফিরল নির্বাচন কমিশন ও প্রতিপক্ষ শিবিরের মধ্যে।


বিষয় : BengalPolitics CalcuttaHighCourt naushadsiddiqui NandigramBypoll ISFsymbolcase

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Naushad Siddiqui: হাতছাড়া 'খাম', মিলল 'আলমারি'! আদালতের এক রায়ে তছনছ আইএসএফ-এর বড় পরিকল্পনা, উপনির্বাচনের মুখে নওশাদদের মাথায় হাত

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: আসন্ন উপনির্বাচনের ঠিক মুখেই বড়সড় আইনি ধাক্কা খেল আইএসএফ। বহুল চর্চিত প্রতীক মামলায় কোনোপ্রকার হস্তক্ষেপ করতে নারাজ বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাও এই রায় ঘোষণা করে নওশাদ সিদ্দিকিদের আবেদন খারিজ করে দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর স্পষ্ট হয়ে গেল যে, আগামী উপনির্বাচনে আর চেনা 'খাম' প্রতীকে নয়, বরং একেবারে নতুন 'আলমারি' প্রতীক নিয়েই নির্বাচনী ময়দানে নামতে হবে ভাঙড়ের বিধায়কের দলকে।আগামী ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগর কেন্দ্র দু’টিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপনির্বাচন। ঠিক তার আগেই নির্বাচন কমিশন আইএসএফ-এর চেনা 'খাম' প্রতীক বদলে দিয়ে 'আলমারি' বরাদ্দ করে। অন্যদিকে সেই পুরনো 'খাম' চিহ্নটি তুলে দেওয়া হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন দল ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ (ডিটিসি)-এর হাতে। ২০২১ এবং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যে চিহ্নে লড়াই করে সফলতা পেয়েছিল দল, সেই প্রতীক এভাবে হাতছাড়া হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয় আইএসএফ শিবিরের মধ্যে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে পক্ষপাতমূলক আখ্যা দিয়ে এবং পুরনো প্রতীক ফেরানোর জোরালো দাবি নিয়ে গত ২১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইএসএফ নেতৃত্ব।গত সোমবার শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনের হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। কমিশন কীভাবে এক দলের ব্যবহৃত প্রতীক অন্য দলকে দিয়ে দিল, তা নিয়ে একাধিক কড়া প্রশ্ন তোলে আদালত। এমনকি ঋতব্রতদের দলের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি। জবাবে কমিশনের আইনজীবী যুক্তি দেন যে, মুক্ত বা 'ফ্রি' প্রতীক কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় এবং নির্বাচন শেষ হলেই তার মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। অবশেষে সমস্ত পক্ষের যুক্তি শোনার পর বুধবার চূড়ান্ত রায়ে বিচারক স্পষ্ট জানান, যেহেতু নির্বাচনী প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে, তাই এই মুহূর্তে আদালত এতে নতুন করে হস্তক্ষেপ করতে চায় না।আদালতের এই রায়ের ফলে উপনির্বাচনের আগের মুহূর্ত পর্যন্ত চলা দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে বড়সড় ধাক্কা খেল নওশাদ সিদ্দিকির দল। চেনা প্রতীক হাতছাড়া হওয়ায় শেষ মুহূর্তে ভোটারদের কাছে পৌঁছানো এবং প্রচারের রূপরেখা নতুন করে সাজানো আইএসএফ-এর সামনে এক মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াল। অন্যদিকে, স্বস্তি ফিরল নির্বাচন কমিশন ও প্রতিপক্ষ শিবিরের মধ্যে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত