বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে যখন দিকে দিকে উল্লাস আর উত্তেজনার পারদ চড়ছে, তখন সবার নজর কেড়ে নিল ভাঙড়। সকাল থেকে তৃণমূলের শওকত মোল্লা লিড বজায় রাখলেও, বেলা গড়াতেই ছবিটা আমূল বদলে দিলেন আইএসএফ (ISF) নেতা নওশাদ সিদ্দিকি। ষষ্ঠ রাউন্ডের গণনা শেষে প্রায় ১৯২৭ ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন তিনি। [TECHTARANGA-POST:8744]পঞ্চম রাউন্ডে নওশাদ যখন ব্যবধান কমাতে শুরু করেছিলেন, তখনই ইঙ্গিত মিলেছিল যে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে ২৬ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে জেতা নওশাদের কাছে এবার নিজের গড় রক্ষা করাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূল এগিয়ে থাকার পর। কিন্তু ষষ্ঠ রাউন্ডের ট্রেন্ড বলছে, ভাঙড়ের ‘ভাইজান’ আবারও নিজের জমি ফিরে পাচ্ছেন।[TECHTARANGA-POST:8741]উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচন বাংলার ইতিহাসে এক অনন্য নজির গড়েছে। দুই দফায় অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে একদিকে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বাংলা অস্মিতা’ আর অন্যদিকে বিজেপি-র হিন্দুত্বের হাওয়া— এই দুই দর্শনের লড়াইয়ের মাঝেই নওশাদ সিদ্দিকি নিজের স্বতন্ত্র অস্তিত্বের প্রমাণ দিচ্ছেন। [TECHTARANGA-POST:8740]দুই দফা মিলিয়ে রেকর্ড ৯২.৯৩ শতাংশ ভোটদানই প্রমাণ করেছিল যে মানুষ এবার নিঃশব্দ বিপ্লবের পথে। ২৩ ও ২৯ এপ্রিলের সেই জনমতের প্রতিফলন এখন ভাঙড়ের ব্যালট বক্সে স্পষ্ট। শওকত বনাম নওশাদের এই লড়াইয়ে ‘শেষ হাসি’ কে হাসবেন, তা জানতে এখন প্রতি মুহূর্তের গণনার দিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার