আজমের: চলন্ত গাড়িতে আচমকা শর্ট সার্কিট, আর তার জেরেই চোখের পলকে ঘটে গেল এক শিউরে ওঠা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। চলন্ত গাড়ির ভেতরেই জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হলো একই পরিবারের চার চারজন সদস্যের। আজ, বৃহস্পতিবার ভোরে রাজস্থানের আজমের জেলার বরোদা থানা এলাকার শ্রীরামপুরা গ্রামে এই হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে মারা গিয়েছেন ওই এলাকার প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান রাম সিং চৌধরী, তাঁর মা তথা জেলা পরিষদের সদস্যা পুষি দেবী, রাম সিংয়ের স্ত্রী সুরজ্ঞান দেবী এবং তাঁর ভাইঝি মহিমা। সাতসকালে এমন এক মর্মান্তিক ও আকস্মিক বিপর্যয়ের খবর সামনে আসতেই গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ জেলা পরিষদের সদস্যা পুষি দেবী হঠাৎ তীব্র শারীরিক অসুস্থতা বোধ করেন। মায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে দেখে কালবিলম্ব না করে তাঁকে তড়িঘড়ি গাড়িতে চাপিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান রাম সিং চৌধরী। কিন্তু শ্রীরামপুরা গ্রামের রাস্তায় গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় থাকা কালেই আচমকা সেটিতে দাউদাউ করে আগুন লেগে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গোটা ঘটনাটি এত দ্রুত এবং আচমকা ঘটেছে যে, গাড়ির ভেতরে থাকা আরোহীরা লক খুলে বাইরে বেরোনোর ন্যূনতম সুযোগটুকুও পাননি। গাড়ির ভেতরেই আগুনে ঝলসে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় রাম সিং, স্ত্রী সুরজ্ঞান এবং ভাইঝি মহিমার। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং কোনো ক্রমে গাড়ির দরজা ভেঙে চারজনকে যখন বাইরে বার করে আনেন, তখন দেখা যায় বৃদ্ধা পুষি দেবী তখনও জীবিত রয়েছেন। রক্তাক্ত ও দগ্ধ অবস্থায় তৎক্ষণাৎ তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি, চিকিৎসকেরা তাঁকেও মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বরোদা থানার পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা। পরবর্তীতে আজমেরের পুলিশ সুপার হর্ষবর্ধন আগরওয়াল নিজে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এবং পুলিশকে গোটা ঘটনার চুলচেরা তদন্তের কড়া নির্দেশ দেন। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক অনুমান, গাড়ির ভেতরের কোনো মারাত্মক যান্ত্রিক ত্রুটি কিংবা শর্ট সার্কিটের কারণেই হয়তো ব্যাটারি বা ইঞ্জিন থেকে এই বিধ্বংসী আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে একটি গোটা পরিবার এভাবে শেষ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় রীতিমতো স্তব্ধ হয়ে গিয়েছেন রাজস্থানের ওই গ্রামের বাসিন্দারা।
আজমের: চলন্ত গাড়িতে আচমকা শর্ট সার্কিট, আর তার জেরেই চোখের পলকে ঘটে গেল এক শিউরে ওঠা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। চলন্ত গাড়ির ভেতরেই জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হলো একই পরিবারের চার চারজন সদস্যের। আজ, বৃহস্পতিবার ভোরে রাজস্থানের আজমের জেলার বরোদা থানা এলাকার শ্রীরামপুরা গ্রামে এই হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে মারা গিয়েছেন ওই এলাকার প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান রাম সিং চৌধরী, তাঁর মা তথা জেলা পরিষদের সদস্যা পুষি দেবী, রাম সিংয়ের স্ত্রী সুরজ্ঞান দেবী এবং তাঁর ভাইঝি মহিমা। সাতসকালে এমন এক মর্মান্তিক ও আকস্মিক বিপর্যয়ের খবর সামনে আসতেই গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ জেলা পরিষদের সদস্যা পুষি দেবী হঠাৎ তীব্র শারীরিক অসুস্থতা বোধ করেন। মায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে দেখে কালবিলম্ব না করে তাঁকে তড়িঘড়ি গাড়িতে চাপিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান রাম সিং চৌধরী। কিন্তু শ্রীরামপুরা গ্রামের রাস্তায় গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় থাকা কালেই আচমকা সেটিতে দাউদাউ করে আগুন লেগে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গোটা ঘটনাটি এত দ্রুত এবং আচমকা ঘটেছে যে, গাড়ির ভেতরে থাকা আরোহীরা লক খুলে বাইরে বেরোনোর ন্যূনতম সুযোগটুকুও পাননি। গাড়ির ভেতরেই আগুনে ঝলসে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় রাম সিং, স্ত্রী সুরজ্ঞান এবং ভাইঝি মহিমার। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং কোনো ক্রমে গাড়ির দরজা ভেঙে চারজনকে যখন বাইরে বার করে আনেন, তখন দেখা যায় বৃদ্ধা পুষি দেবী তখনও জীবিত রয়েছেন। রক্তাক্ত ও দগ্ধ অবস্থায় তৎক্ষণাৎ তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি, চিকিৎসকেরা তাঁকেও মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বরোদা থানার পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা। পরবর্তীতে আজমেরের পুলিশ সুপার হর্ষবর্ধন আগরওয়াল নিজে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এবং পুলিশকে গোটা ঘটনার চুলচেরা তদন্তের কড়া নির্দেশ দেন। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক অনুমান, গাড়ির ভেতরের কোনো মারাত্মক যান্ত্রিক ত্রুটি কিংবা শর্ট সার্কিটের কারণেই হয়তো ব্যাটারি বা ইঞ্জিন থেকে এই বিধ্বংসী আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে একটি গোটা পরিবার এভাবে শেষ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় রীতিমতো স্তব্ধ হয়ে গিয়েছেন রাজস্থানের ওই গ্রামের বাসিন্দারা।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন