Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

এক লাফে এত টাকা দাম বৃদ্ধি! ১১ দিনে চতুর্থবার পেট্রল-সিএনজিতে বাড়ল দাম, মাথায় হাত আমজনতার!

এক লাফে এত টাকা দাম বৃদ্ধি!  ১১ দিনে চতুর্থবার পেট্রল-সিএনজিতে বাড়ল দাম, মাথায় হাত আমজনতার!
পেট্রল-ডিজেলের পর এবার দাম বাড়ল সিএনজি-র। ছবি-সংগৃহীত

কলকাতা: আমজনতার পকেটে যেন প্রতিনিয়ত আগুন জ্বলছে! পেট্রল ও ডিজেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির পর এবার মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া করল সিএনজি বা কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস। দেশের বাজারে জ্বালানির দাম যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তাতে সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা ও যাতায়াত খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই মহার্ঘ হতে চলেছে। বিশেষ করে গত ১১ দিনে এই নিয়ে চতুর্থবার সিএনজির দাম বাড়ায় মাথায় হাত পড়েছে মধ্যবিত্তের। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি সিএনজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ১১ টাকা। এর ফলে বাস, অটো থেকে শুরু করে অ্যাপ-ক্যাব— সব কিছুরই ভাড়া হুহু করে বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আমজনতার ভোগান্তি এক লপ্তে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই দিল্লিতে প্রতি কেজি সিএনজির দাম আরও ২ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ার পর দেশের রাজধানীতে প্রতি কেজি সিএনজির মূল্য গিয়ে ঠেকেছে ৮৩.০৯ টাকায়। যদিও এই দফায় কলকাতায় নতুন করে সিএনজির দাম বাড়েনি, তবুও কলকাতার বাসিন্দাদের স্বস্তি পাওয়ার কোনো উপায় নেই। কারণ, নতুন করে দাম না বাড়লেও কলকাতায় এখনই প্রতি কেজি সিএনজির মূল্য আকাশছোঁয়া, যা প্রায় ৯৩.৫০ টাকা। এর আগে গত রবিবারও সিএনজির দাম কেজিতে ১ টাকা বেড়েছিল, যার ঠিক আগেই শুক্রবারও একই হারে দাম বাড়ানো হয়। আর তারও আগে ১৫ মে এক ধাক্কায় ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছিল সিএনজির দাম। লাগাতার এই মূল্যবৃদ্ধির জেরে পরিবহন চালকদের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে সাধারণ যাত্রীদের পকেটে।

আশঙ্কা সত্যি করে বঙ্গে ভোটপর্ব মেটার পর থেকেই দেশজুড়ে পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানোর খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে। গত ১৫ মে একধাক্কায় লিটার প্রতি পেট্রলের দাম বাড়ানো হয়েছিল প্রায় ৩ টাকা। এরপর ১৯ মে আরও ৯০ পয়সা এবং ২৩ মে ফের ৮৭ পয়সা করে বাড়ে জ্বালানি তেলের দাম। এই ধারা বজায় রেখে সোমবার আবারও একলাফে প্রায় ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম। এই লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির জেরে কলকাতায় এখন প্রতি লিটার পেট্রল কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ১১৩ টাকা ৫১ পয়সা এবং প্রতি লিটার ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৯ টাকা ৮২ পয়সায়। সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ডিজেল ও শতকের গণ্ডি পেরিয়ে যাওয়া পেট্রলের এই দাম স্বাভাবিকভাবেই বাজারের সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বাড়িয়ে দেবে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, সাধারণ মানুষের জন্য এই দুর্ভোগের এখানেই শেষ নয়। বিশ্ববাজারে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির জেরে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে টান পড়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার ফলে তেল বিপণন সংস্থাগুলি বিপুল লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে। সেই লোকসান সামাল দিতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তেল সংস্থাগুলি নাকি আগামী দিনে লিটার প্রতি জ্বালানির দাম আরও অন্তত ৩৩ টাকা পর্যন্ত বাড়াতে চাইছে। আর নির্বাচন মিটে যেতেই কেন্দ্র সরকার সেই দাম দফায় দফায় বাড়ানোর সবুজ সংকেত দিতে শুরু করেছে। ফলে আগামী দিনগুলিতে ভারতের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার কোনো লক্ষণ তো নেই-ই, বরং তা আরও মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে, যা আমজনতার পকেট পুরোপুরি ফাঁকা করে ছাড়বে।



হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : CNGPriceRise fuelpricehike HiddenStoriesNews PetrolDieselPrice Inflation

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


এক লাফে এত টাকা দাম বৃদ্ধি! ১১ দিনে চতুর্থবার পেট্রল-সিএনজিতে বাড়ল দাম, মাথায় হাত আমজনতার!

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: আমজনতার পকেটে যেন প্রতিনিয়ত আগুন জ্বলছে! পেট্রল ও ডিজেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির পর এবার মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া করল সিএনজি বা কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস। দেশের বাজারে জ্বালানির দাম যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তাতে সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা ও যাতায়াত খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই মহার্ঘ হতে চলেছে। বিশেষ করে গত ১১ দিনে এই নিয়ে চতুর্থবার সিএনজির দাম বাড়ায় মাথায় হাত পড়েছে মধ্যবিত্তের। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি সিএনজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ১১ টাকা। এর ফলে বাস, অটো থেকে শুরু করে অ্যাপ-ক্যাব— সব কিছুরই ভাড়া হুহু করে বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আমজনতার ভোগান্তি এক লপ্তে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।মঙ্গলবার সকাল থেকেই দিল্লিতে প্রতি কেজি সিএনজির দাম আরও ২ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ার পর দেশের রাজধানীতে প্রতি কেজি সিএনজির মূল্য গিয়ে ঠেকেছে ৮৩.০৯ টাকায়। যদিও এই দফায় কলকাতায় নতুন করে সিএনজির দাম বাড়েনি, তবুও কলকাতার বাসিন্দাদের স্বস্তি পাওয়ার কোনো উপায় নেই। কারণ, নতুন করে দাম না বাড়লেও কলকাতায় এখনই প্রতি কেজি সিএনজির মূল্য আকাশছোঁয়া, যা প্রায় ৯৩.৫০ টাকা। এর আগে গত রবিবারও সিএনজির দাম কেজিতে ১ টাকা বেড়েছিল, যার ঠিক আগেই শুক্রবারও একই হারে দাম বাড়ানো হয়। আর তারও আগে ১৫ মে এক ধাক্কায় ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছিল সিএনজির দাম। লাগাতার এই মূল্যবৃদ্ধির জেরে পরিবহন চালকদের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে সাধারণ যাত্রীদের পকেটে।আশঙ্কা সত্যি করে বঙ্গে ভোটপর্ব মেটার পর থেকেই দেশজুড়ে পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানোর খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে। গত ১৫ মে একধাক্কায় লিটার প্রতি পেট্রলের দাম বাড়ানো হয়েছিল প্রায় ৩ টাকা। এরপর ১৯ মে আরও ৯০ পয়সা এবং ২৩ মে ফের ৮৭ পয়সা করে বাড়ে জ্বালানি তেলের দাম। এই ধারা বজায় রেখে সোমবার আবারও একলাফে প্রায় ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম। এই লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির জেরে কলকাতায় এখন প্রতি লিটার পেট্রল কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ১১৩ টাকা ৫১ পয়সা এবং প্রতি লিটার ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৯ টাকা ৮২ পয়সায়। সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ডিজেল ও শতকের গণ্ডি পেরিয়ে যাওয়া পেট্রলের এই দাম স্বাভাবিকভাবেই বাজারের সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বাড়িয়ে দেবে।বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, সাধারণ মানুষের জন্য এই দুর্ভোগের এখানেই শেষ নয়। বিশ্ববাজারে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির জেরে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে টান পড়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার ফলে তেল বিপণন সংস্থাগুলি বিপুল লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে। সেই লোকসান সামাল দিতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তেল সংস্থাগুলি নাকি আগামী দিনে লিটার প্রতি জ্বালানির দাম আরও অন্তত ৩৩ টাকা পর্যন্ত বাড়াতে চাইছে। আর নির্বাচন মিটে যেতেই কেন্দ্র সরকার সেই দাম দফায় দফায় বাড়ানোর সবুজ সংকেত দিতে শুরু করেছে। ফলে আগামী দিনগুলিতে ভারতের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার কোনো লক্ষণ তো নেই-ই, বরং তা আরও মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে, যা আমজনতার পকেট পুরোপুরি ফাঁকা করে ছাড়বে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার