Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

২৪ ঘণ্টায় দাম বাড়ল ৮ হাজার! সোনার বাজারে প্রধানমন্ত্রীর বড় আর্জি, পকেট সামলাবেন নাকি ঝুঁকবেন কাগুজে সোনায়?

২৪ ঘণ্টায় দাম বাড়ল ৮ হাজার! সোনার বাজারে প্রধানমন্ত্রীর বড় আর্জি, পকেট সামলাবেন নাকি ঝুঁকবেন কাগুজে সোনায়?
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: সাধারণ মানুষের লগ্নির অন্যতম সেরা ঠিকানা সোনা। কিন্তু, সেই সোনা ঘিরেই এখন দেশজুড়ে তোলপাড়। একদিকে পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতায় আকাশছোঁয়া দর, অন্যদিকে খোদ প্রধানমন্ত্রীর আর্জি — আপাতত সোনা কেনা বন্ধ রাখুন! বৃহস্পতিবার কলকাতায় ২২ ক্যারেট সোনার দাম একলাফে ৮,২০০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬০০ টাকায়। এই জটিল পরিস্থিতিতে লগ্নিকারীদের নজর এখন ‘কাগুজে সোনা’ বা গোল্ড ইটিএফ-এর দিকে।


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমজনতাকে আগামী একবছর গয়না বা সোনার বাট কেনা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এর প্রধান কারণ হল বিপুল পরিমাণ সোনা আমদানিতে রাশ টানার প্রচেষ্টা। প্রতিবছর সোনা আমদানিতে ভারতকে কোটি কোটি ডলার খরচ করতে হয়, যার প্রভাব পড়ছে রুপির দামের উপর। সেই ঘাটতি মেটাতেই সোনা ও রুপোর আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে একলাফে ১৫ শতাংশ করেছে কেন্দ্র।


গয়না কেনায় নিরুৎসাহ দেখালেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী সোনায় বিনিয়োগ করতে বারণ করেননি। আর, সেই সুযোগেই শেয়ার বাজারে ‘গোল্ড এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড’ বা ইটিএফ কেনায় হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে। বুধবার সোনার ইটিএফ-এর দাম ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে দেখা গিয়েছে। ব্রোকারেজ ফার্মগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘কোয়ান্টাম গোল্ড ফান্ড’-এর মতো ইটিএফ গত ছয় মাসে প্রায় ২৮ শতাংশ রিটার্ন দিয়েছে।


বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট ও শেয়ার বাজারের অস্থিরতায় বিনিয়োগকারীরা সোনাকে সবথেকে নিরাপদ মনে করছেন। এছাড়া, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) ক্রমাগত তাদের স্বর্ণভাণ্ডার বাড়াতে বাজার থেকে সোনা কিনছে। ফলে চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকায় দাম ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, অচিরেই সোনার দাম ১ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা স্পর্শ করতে পারে।


(সতর্কবার্তা: মনে রাখবেন, শেয়ার বাজার বা গোল্ড ইটিএফ-এ বিনিয়োগ বাজারগত ঝুঁকি সাপেক্ষ। তাই যেকোনও বড় লগ্নির আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।)

বিষয় : NarendraModi ECONOMYNEWS goldpricetoday

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


২৪ ঘণ্টায় দাম বাড়ল ৮ হাজার! সোনার বাজারে প্রধানমন্ত্রীর বড় আর্জি, পকেট সামলাবেন নাকি ঝুঁকবেন কাগুজে সোনায়?

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: সাধারণ মানুষের লগ্নির অন্যতম সেরা ঠিকানা সোনা। কিন্তু, সেই সোনা ঘিরেই এখন দেশজুড়ে তোলপাড়। একদিকে পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতায় আকাশছোঁয়া দর, অন্যদিকে খোদ প্রধানমন্ত্রীর আর্জি — আপাতত সোনা কেনা বন্ধ রাখুন! বৃহস্পতিবার কলকাতায় ২২ ক্যারেট সোনার দাম একলাফে ৮,২০০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬০০ টাকায়। এই জটিল পরিস্থিতিতে লগ্নিকারীদের নজর এখন ‘কাগুজে সোনা’ বা গোল্ড ইটিএফ-এর দিকে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমজনতাকে আগামী একবছর গয়না বা সোনার বাট কেনা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এর প্রধান কারণ হল বিপুল পরিমাণ সোনা আমদানিতে রাশ টানার প্রচেষ্টা। প্রতিবছর সোনা আমদানিতে ভারতকে কোটি কোটি ডলার খরচ করতে হয়, যার প্রভাব পড়ছে রুপির দামের উপর। সেই ঘাটতি মেটাতেই সোনা ও রুপোর আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে একলাফে ১৫ শতাংশ করেছে কেন্দ্র।গয়না কেনায় নিরুৎসাহ দেখালেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী সোনায় বিনিয়োগ করতে বারণ করেননি। আর, সেই সুযোগেই শেয়ার বাজারে ‘গোল্ড এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড’ বা ইটিএফ কেনায় হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে। বুধবার সোনার ইটিএফ-এর দাম ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে দেখা গিয়েছে। ব্রোকারেজ ফার্মগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘কোয়ান্টাম গোল্ড ফান্ড’-এর মতো ইটিএফ গত ছয় মাসে প্রায় ২৮ শতাংশ রিটার্ন দিয়েছে।বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট ও শেয়ার বাজারের অস্থিরতায় বিনিয়োগকারীরা সোনাকে সবথেকে নিরাপদ মনে করছেন। এছাড়া, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) ক্রমাগত তাদের স্বর্ণভাণ্ডার বাড়াতে বাজার থেকে সোনা কিনছে। ফলে চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকায় দাম ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, অচিরেই সোনার দাম ১ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা স্পর্শ করতে পারে।(সতর্কবার্তা: মনে রাখবেন, শেয়ার বাজার বা গোল্ড ইটিএফ-এ বিনিয়োগ বাজারগত ঝুঁকি সাপেক্ষ। তাই যেকোনও বড় লগ্নির আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।)

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার