Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

আই-প্যাক থেকে বিজয়ের মন্ত্রিসভায়! তৃণমূলের হয়ে বঙ্গে কাজ করা সেই ভোটকুশলীই এখন তামিলনাড়ুর কনিষ্ঠতম মন্ত্রী

 আই-প্যাক থেকে বিজয়ের মন্ত্রিসভায়! তৃণমূলের হয়ে বঙ্গে কাজ করা সেই ভোটকুশলীই এখন তামিলনাড়ুর কনিষ্ঠতম মন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

চেন্নাই: পেশায় ছিলেন ভোটকুশলী, কাজ করেছেন বাংলার সদ্য প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূলের হয়েও। কিন্তু, রাজনীতির ময়দানেও এবার ছক্কা হাঁকালেন এস কীর্তন। দক্ষিণ ভারতের মহাতারকা থলপতি বিজয়ের দল ‘টিভিকে’-র কনিষ্ঠতম সদস্য হিসাবে শিবকাশী থেকে জয়ী হয়ে সরাসরি মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিলেন এই তরুণী। বাজি কারখানার জন্য বিখ্যাত শিবকাশীর ঘরের মেয়ে এখন তামিলনাড়ুর রাজনীতির অন্যতম চর্চিত মুখ।


১৯৯৬ সালে বিরুদ্ধনগর জেলায় জন্ম কীর্তনের। সরকারি স্কুলে পড়াশোনা শেষ করে মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতক এবং পরে পুদুচেরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাশিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তবে পাঠ্যবইয়ের চেয়েও তাঁকে বেশি টেনেছে রাজনীতির আঙিনা। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি যুক্ত ছিলেন প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আই-প্যাক এবং শোটাই কনসালট্যান্টের সঙ্গে। ভোটকুশলী হিসাবে কাজ করার সুবাদে পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনী রণকৌশল খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি।


রবিবার শপথ নেওয়ার আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কীর্তন জানান, "ভোটকুশলী হিসাবে কাজ করার সময় আমলাতন্ত্র ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে গভীর অভিজ্ঞতা হয়েছে। সবসময়ই চাইতাম মানুষের জন্য সরাসরি কাজ করতে। আর বিজয়ের দল টিভিকে সেই সুযোগ করে দিয়েছে।" শিবকাশী আসনে কংগ্রেসের হেভিওয়েট প্রার্থী অশোকান জি-কে ১১ হাজার ৬৭০ ভোটে হারিয়ে নিজের জাত চিনিয়েছেন তিনি।


কীর্তনের অন্যতম বড় শক্তি তাঁর ভাষাগত দক্ষতা। তামিল ছাড়াও ইংরেজি, হিন্দি এবং তেলুগুসহ মোট পাঁচটি ভাষায় সাবলীল তিনি। তাঁর মতে, বহু ভাষা জানার ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ স্থাপনে সুবিধা হয়েছে। কেন বিজয়ের দলকে বেছে নিলেন? কীর্তনের স্পষ্ট জবাব, "টিভিকে এমন একটি দল যেখানে সাধারণ মানুষের অবাধ প্রবেশাধিকার আছে। টাকা বা রাজনৈতিক পরিচয় না থাকলেও এখানে কাজের সুযোগ মেলে।" একসময়ের পর্দার আড়ালের কুশলী এখন নিজেই রাজ্যের প্রশাসনিক দণ্ড সামলাতে প্রস্তুত।

বিষয় : thalapathyvijay tamilnadupolitics TVK SKEERTHAN POLLSTRATEGIST SIVAKASI YOUNGESTMINISTER

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


আই-প্যাক থেকে বিজয়ের মন্ত্রিসভায়! তৃণমূলের হয়ে বঙ্গে কাজ করা সেই ভোটকুশলীই এখন তামিলনাড়ুর কনিষ্ঠতম মন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image
চেন্নাই: পেশায় ছিলেন ভোটকুশলী, কাজ করেছেন বাংলার সদ্য প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূলের হয়েও। কিন্তু, রাজনীতির ময়দানেও এবার ছক্কা হাঁকালেন এস কীর্তন। দক্ষিণ ভারতের মহাতারকা থলপতি বিজয়ের দল ‘টিভিকে’-র কনিষ্ঠতম সদস্য হিসাবে শিবকাশী থেকে জয়ী হয়ে সরাসরি মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিলেন এই তরুণী। বাজি কারখানার জন্য বিখ্যাত শিবকাশীর ঘরের মেয়ে এখন তামিলনাড়ুর রাজনীতির অন্যতম চর্চিত মুখ।১৯৯৬ সালে বিরুদ্ধনগর জেলায় জন্ম কীর্তনের। সরকারি স্কুলে পড়াশোনা শেষ করে মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতক এবং পরে পুদুচেরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাশিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তবে পাঠ্যবইয়ের চেয়েও তাঁকে বেশি টেনেছে রাজনীতির আঙিনা। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি যুক্ত ছিলেন প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আই-প্যাক এবং শোটাই কনসালট্যান্টের সঙ্গে। ভোটকুশলী হিসাবে কাজ করার সুবাদে পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনী রণকৌশল খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি।রবিবার শপথ নেওয়ার আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কীর্তন জানান, "ভোটকুশলী হিসাবে কাজ করার সময় আমলাতন্ত্র ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে গভীর অভিজ্ঞতা হয়েছে। সবসময়ই চাইতাম মানুষের জন্য সরাসরি কাজ করতে। আর বিজয়ের দল টিভিকে সেই সুযোগ করে দিয়েছে।" শিবকাশী আসনে কংগ্রেসের হেভিওয়েট প্রার্থী অশোকান জি-কে ১১ হাজার ৬৭০ ভোটে হারিয়ে নিজের জাত চিনিয়েছেন তিনি।কীর্তনের অন্যতম বড় শক্তি তাঁর ভাষাগত দক্ষতা। তামিল ছাড়াও ইংরেজি, হিন্দি এবং তেলুগুসহ মোট পাঁচটি ভাষায় সাবলীল তিনি। তাঁর মতে, বহু ভাষা জানার ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ স্থাপনে সুবিধা হয়েছে। কেন বিজয়ের দলকে বেছে নিলেন? কীর্তনের স্পষ্ট জবাব, "টিভিকে এমন একটি দল যেখানে সাধারণ মানুষের অবাধ প্রবেশাধিকার আছে। টাকা বা রাজনৈতিক পরিচয় না থাকলেও এখানে কাজের সুযোগ মেলে।" একসময়ের পর্দার আড়ালের কুশলী এখন নিজেই রাজ্যের প্রশাসনিক দণ্ড সামলাতে প্রস্তুত।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার