Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বিদ্যুৎ সঙ্কটে যবনিকা? রাশিয়ার হাত ধরে পরমাণু যুগে বাংলাদেশ, কপালে ভাঁজ শত্রুদের!

সংবাদদাতা, ঢাকা
সংবাদদাতা, ঢাকা
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
বিদ্যুৎ সঙ্কটে যবনিকা? রাশিয়ার হাত ধরে পরমাণু যুগে বাংলাদেশ, কপালে ভাঁজ শত্রুদের!
প্রতীকী ছবি

ঢাকা: দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও শক্তি উৎপাদনে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করল বাংলাদেশ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পরমাণু যুগে পা রাখল ঢাকা। মঙ্গলবার পাবনার রূপপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হল দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম চুল্লি! এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থেকে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, "এটি বাংলাদেশের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত!"


পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত এই বিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রয়েছে ১,২০০ মেগাওয়াটের দুটি চুল্লি। মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন এই মেগা প্রজেক্টটি তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা 'রোসাটম'-এর কারিগরি সহায়তায় তৈরি এই কেন্দ্রটি চালু হলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি মিটবে অনেকটাই।


আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর কঠোর নির্দেশিকা মেনে ধাপে ধাপে শুরু হচ্ছে এই কেন্দ্রের কাজ। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে জ্বালানি লোডিং। আশা করা হচ্ছে, আগামী অগস্ট মাসের মধ্যেই অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এর ফলে ভারত ও পাকিস্তানের পর দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় দেশ হিসাবে পারমাণবিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এলিট ক্লাবে নাম লেখাতে চলেছে বাংলাদেশ।


দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সঙ্কটে ভুগতে থাকা ঢাকাকে অনেক ক্ষেত্রেই নয়াদিল্লির উপর নির্ভর করতে হত। কিন্তু, ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে নিজস্ব জ্বালানি উৎসের প্রয়োজন ছিল। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম আসার পর থেকেই কাউন্টডাউন শুরু হয়েছিল। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ডামি ফুয়েল দিয়ে সফল মহড়ার পর এবার চূড়ান্ত ধাপে পা রাখল এই প্রকল্প। বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বনির্ভর হওয়ার এই লড়াইয়ে রূপপুর এখন বাংলাদেশের তুরুপের তাস।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


বিদ্যুৎ সঙ্কটে যবনিকা? রাশিয়ার হাত ধরে পরমাণু যুগে বাংলাদেশ, কপালে ভাঁজ শত্রুদের!

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
ঢাকা: দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও শক্তি উৎপাদনে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করল বাংলাদেশ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পরমাণু যুগে পা রাখল ঢাকা। মঙ্গলবার পাবনার রূপপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হল দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম চুল্লি! এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থেকে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, "এটি বাংলাদেশের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত!"পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত এই বিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রয়েছে ১,২০০ মেগাওয়াটের দুটি চুল্লি। মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন এই মেগা প্রজেক্টটি তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা 'রোসাটম'-এর কারিগরি সহায়তায় তৈরি এই কেন্দ্রটি চালু হলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি মিটবে অনেকটাই।আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর কঠোর নির্দেশিকা মেনে ধাপে ধাপে শুরু হচ্ছে এই কেন্দ্রের কাজ। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে জ্বালানি লোডিং। আশা করা হচ্ছে, আগামী অগস্ট মাসের মধ্যেই অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এর ফলে ভারত ও পাকিস্তানের পর দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় দেশ হিসাবে পারমাণবিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এলিট ক্লাবে নাম লেখাতে চলেছে বাংলাদেশ।দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সঙ্কটে ভুগতে থাকা ঢাকাকে অনেক ক্ষেত্রেই নয়াদিল্লির উপর নির্ভর করতে হত। কিন্তু, ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে নিজস্ব জ্বালানি উৎসের প্রয়োজন ছিল। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম আসার পর থেকেই কাউন্টডাউন শুরু হয়েছিল। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ডামি ফুয়েল দিয়ে সফল মহড়ার পর এবার চূড়ান্ত ধাপে পা রাখল এই প্রকল্প। বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বনির্ভর হওয়ার এই লড়াইয়ে রূপপুর এখন বাংলাদেশের তুরুপের তাস।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার