Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোটের মুখে রাজ্যজুড়ে 'ড্রাই ডে'! কমিশন বলছে তারা কিছুই জানে না, তবে মদের দোকান বন্ধ করাল কে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
ভোটের মুখে রাজ্যজুড়ে 'ড্রাই ডে'! কমিশন বলছে তারা কিছুই জানে না, তবে মদের দোকান বন্ধ করাল কে?
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের পারদ চড়তেই এক আজব কাণ্ড! সোমবার থেকে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে হঠাৎই বন্ধ হয়ে গিয়েছে সমস্ত মদের দোকান ও পানশালা। সাধারণত ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে মদ বিক্রি বন্ধ থাকে। কিন্তু, এবার ভোট শুরুর অনেক আগে থেকেই তালা ঝুলেছে রাজ্যের সমস্ত এলাকার দোকানে। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল স্বয়ং এই সিদ্ধান্তে তাজ্জব বনে গিয়েছেন! তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনের তরফে এমন কোনও নির্দেশই দেওয়া হয়নি!


মঙ্গলবার মনোজ আগরওয়াল এই সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে স্পষ্ট জানান, "শুনে আমিও অবাক হয়েছি। কেন কলকাতায় মদের দোকান বন্ধ করা হয়েছে, তা আমি আবগারি কমিশনারের কাছে জানতে চাইব।" অর্থাৎ, যে কমিশনকে সামনে রেখে মদের দোকান বন্ধ করা হল, সেই কমিশনই অন্ধকারে!


আগামিকাল - ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যের ১৫২টি কেন্দ্রে ভোট। নিয়ম অনুযায়ী সেইসব এলাকায় মদের দোকান বন্ধ থাকার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, আবগারি দফতর কলকাতা, উত্তর বা দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো এলাকাগুলিতেও (যেখানে ভোট ২৯ এপ্রিল) ২০ তারিখ থেকেই দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৩ এপ্রিল এবং ২৫ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত দফায় দফায় মদের দোকান বন্ধ থাকবে। এমনকী, গণনার দিন ৪ মে-ও মদের দোকান বন্ধ রাখতে হবে।


১৯৯৮ সাল থেকেই ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে মদের দোকান বন্ধের চল থাকলেও, এবার সেই সময়সীমা কার্যত দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়েছে। আবগারি দফতর জেলাশাসক ও কলকাতার নগরপালকে চিঠি পাঠিয়ে এই নির্দেশ দিলেও, কেন দ্বিতীয় দফার ভোটের জায়গায় এক সপ্তাহ আগে থেকে সুরা কেনাবেচায় নিষেধাজ্ঞা চাপানো হল, তার কোনও সদুত্তর মেলেনি। প্রশ্ন উঠছে - কমিশনের নির্দেশ ছাড়াই কি তবে রাজ্য আবগারি দফতর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও অঙ্ক? সিইও-র প্রশ্নের মুখে আবগারি কমিশনার কী জবাব দেন, এখন সেটাই দেখার।

বিষয় : 2026Election West Bengal Election 2026 lawandorder liquorban liquorshopclosed

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ভোটের মুখে রাজ্যজুড়ে 'ড্রাই ডে'! কমিশন বলছে তারা কিছুই জানে না, তবে মদের দোকান বন্ধ করাল কে?

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের পারদ চড়তেই এক আজব কাণ্ড! সোমবার থেকে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে হঠাৎই বন্ধ হয়ে গিয়েছে সমস্ত মদের দোকান ও পানশালা। সাধারণত ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে মদ বিক্রি বন্ধ থাকে। কিন্তু, এবার ভোট শুরুর অনেক আগে থেকেই তালা ঝুলেছে রাজ্যের সমস্ত এলাকার দোকানে। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল স্বয়ং এই সিদ্ধান্তে তাজ্জব বনে গিয়েছেন! তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনের তরফে এমন কোনও নির্দেশই দেওয়া হয়নি!মঙ্গলবার মনোজ আগরওয়াল এই সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে স্পষ্ট জানান, "শুনে আমিও অবাক হয়েছি। কেন কলকাতায় মদের দোকান বন্ধ করা হয়েছে, তা আমি আবগারি কমিশনারের কাছে জানতে চাইব।" অর্থাৎ, যে কমিশনকে সামনে রেখে মদের দোকান বন্ধ করা হল, সেই কমিশনই অন্ধকারে!আগামিকাল - ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যের ১৫২টি কেন্দ্রে ভোট। নিয়ম অনুযায়ী সেইসব এলাকায় মদের দোকান বন্ধ থাকার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, আবগারি দফতর কলকাতা, উত্তর বা দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো এলাকাগুলিতেও (যেখানে ভোট ২৯ এপ্রিল) ২০ তারিখ থেকেই দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৩ এপ্রিল এবং ২৫ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত দফায় দফায় মদের দোকান বন্ধ থাকবে। এমনকী, গণনার দিন ৪ মে-ও মদের দোকান বন্ধ রাখতে হবে।১৯৯৮ সাল থেকেই ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে মদের দোকান বন্ধের চল থাকলেও, এবার সেই সময়সীমা কার্যত দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়েছে। আবগারি দফতর জেলাশাসক ও কলকাতার নগরপালকে চিঠি পাঠিয়ে এই নির্দেশ দিলেও, কেন দ্বিতীয় দফার ভোটের জায়গায় এক সপ্তাহ আগে থেকে সুরা কেনাবেচায় নিষেধাজ্ঞা চাপানো হল, তার কোনও সদুত্তর মেলেনি। প্রশ্ন উঠছে - কমিশনের নির্দেশ ছাড়াই কি তবে রাজ্য আবগারি দফতর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও অঙ্ক? সিইও-র প্রশ্নের মুখে আবগারি কমিশনার কী জবাব দেন, এখন সেটাই দেখার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার