Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

দিল্লি সফরের পরেই ইসলামাবাদে বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধান! ভারতের কড়া নজরদারিতে রশিদের পাকিস্তান সফর

সংবাদদাতা, ঢাকা
সংবাদদাতা, ঢাকা
প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
দিল্লি সফরের পরেই ইসলামাবাদে বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধান! ভারতের কড়া নজরদারিতে রশিদের পাকিস্তান সফর

ঢাকা:  অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এক কূটনৈতিক ও কৌশলগত আবহে বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই-এর ডিরেক্টর জেনারেল (DG) মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী পাকিস্তান সফরে গিয়েছেন। বুধবার তিনি দুই দিনের সফরে ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হন। গত ১লা মার্চ তাঁর দিল্লি সফরের ঠিক এক মাসের মাথায় এই পাকিস্তান সফর ভারতের নিরাপত্তা সংস্থা ও নীতি-নির্ধারকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।


ঢাকা ও গোয়েন্দা সূত্রে খবর, থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমানে ব্যাঙ্কক হয়ে ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন আরও তিন জন উচ্চপদস্থ ডিজিএফআই আধিকারিক। সেখানে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের পাশাপাশি পাক গোয়েন্দা সংস্থা ISI-এর আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১লা মার্চ ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করতে দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই সফরে একটি রহস্যজনক ঘটনা ঘটে। দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর দেওয়া নৈশভোজের আমন্ত্রণে তিনি উপস্থিত হননি, যা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল।


ডিজিএফআই প্রধানের ভারত সফরের ঠিক পরেই গত ৮ই মার্চ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থেকে দুই বিপজ্জনক আসামীকে গ্রেফতার করে। ধৃত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন ঢাকায় ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি খুনে অভিযুক্ত।

তদন্তকারীদের দাবি, গত ১২ই ডিসেম্বর পুরনো পল্টনে গুলি চালানোর পর অভিযুক্তরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢোকে এবং আসাম হয়ে কলকাতায় পৌঁছায়। গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া ‘অ্যাকশনেবল ইন্টেলিজেন্স’ বা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতারি সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধানের এই ব্যাক-টু-ব্যাক ভারত ও পাকিস্তান সফর অত্যন্ত সংবেদনশীল বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং আইএসআই-এর সঙ্গে ডিজিএফআই-এর বৈঠক ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার নিরিখে যথেষ্ট উদ্বেগের। দিল্লির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই মুহূর্তের প্রতিটি গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।


এই সফরগুলি দক্ষিণ এশিয়ার গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতার এক নতুন সমীকরণ তৈরি করছে, যা ভারতের কৌশলগত নিরাপত্তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

বিষয় : dgfi DGFI Chief Visits Pakistan

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


দিল্লি সফরের পরেই ইসলামাবাদে বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধান! ভারতের কড়া নজরদারিতে রশিদের পাকিস্তান সফর

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
ঢাকা:  অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এক কূটনৈতিক ও কৌশলগত আবহে বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই-এর ডিরেক্টর জেনারেল (DG) মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী পাকিস্তান সফরে গিয়েছেন। বুধবার তিনি দুই দিনের সফরে ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হন। গত ১লা মার্চ তাঁর দিল্লি সফরের ঠিক এক মাসের মাথায় এই পাকিস্তান সফর ভারতের নিরাপত্তা সংস্থা ও নীতি-নির্ধারকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।ঢাকা ও গোয়েন্দা সূত্রে খবর, থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমানে ব্যাঙ্কক হয়ে ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন আরও তিন জন উচ্চপদস্থ ডিজিএফআই আধিকারিক। সেখানে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের পাশাপাশি পাক গোয়েন্দা সংস্থা ISI-এর আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।উল্লেখ্য, গত ১লা মার্চ ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করতে দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই সফরে একটি রহস্যজনক ঘটনা ঘটে। দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর দেওয়া নৈশভোজের আমন্ত্রণে তিনি উপস্থিত হননি, যা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল।ডিজিএফআই প্রধানের ভারত সফরের ঠিক পরেই গত ৮ই মার্চ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থেকে দুই বিপজ্জনক আসামীকে গ্রেফতার করে। ধৃত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন ঢাকায় ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি খুনে অভিযুক্ত।তদন্তকারীদের দাবি, গত ১২ই ডিসেম্বর পুরনো পল্টনে গুলি চালানোর পর অভিযুক্তরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢোকে এবং আসাম হয়ে কলকাতায় পৌঁছায়। গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া ‘অ্যাকশনেবল ইন্টেলিজেন্স’ বা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতারি সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধানের এই ব্যাক-টু-ব্যাক ভারত ও পাকিস্তান সফর অত্যন্ত সংবেদনশীল বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং আইএসআই-এর সঙ্গে ডিজিএফআই-এর বৈঠক ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার নিরিখে যথেষ্ট উদ্বেগের। দিল্লির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই মুহূর্তের প্রতিটি গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।এই সফরগুলি দক্ষিণ এশিয়ার গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতার এক নতুন সমীকরণ তৈরি করছে, যা ভারতের কৌশলগত নিরাপত্তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার