ঢাকা: ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে আবারও অতিরিক্ত ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। ইদুল ফিতরের আগে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে মোট প্রায় ৪৫ হাজার টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল দেশে পৌঁছেছে। আগামী ১৮ বা ১৯ মার্চের মধ্যে আরও ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ভারত থেকে অতিরিক্ত ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়াও চলছে। এলসি খোলা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে এই ডিজেলও এপ্রিলের মধ্যেই বাংলাদেশে পৌঁছে যাবে।
বিপিসির জেনারেল ম্যানেজার (কমার্শিয়াল অ্যান্ড অপারেশনস) মো. মুর্শেদ হোসেন আজাদ জানান, জ্বালানির বাড়তি চাহিদা বিবেচনায় ভারত থেকে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে ভারতীয় ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে। এই পাইপলাইন ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেডকে বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুর জ্বালানি ডিপোর সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। আন্তঃসীমান্ত জ্বালানি বাণিজ্য সহজ করা এবং বাংলাদেশে পেট্রোলিয়াম পণ্যের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০২৩ সালের মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যৌথভাবে পাইপলাইনটির উদ্বোধন করেন।
পাইপলাইন চালু হওয়ার আগে ভারত থেকে ডিজেল মূলত রেলওয়ে ওয়াগনের মাধ্যমে আনা হতো, যা ছিল ধীর এবং ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। পাইপলাইন চালুর ফলে দ্রুত এবং তুলনামূলক কম খরচে জ্বালানি সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ আশা করছে, অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির ফলে ইদুল ফিতরের আগে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ঘাটতি থাকবে না এবং সারা দেশে স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন