Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

সংকটে ‘ফার্স্ট ফ্লাশ’! খরা আর পোকার হানায় বিপন্ন উত্তরের চা শিল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬
সংকটে ‘ফার্স্ট ফ্লাশ’! খরা আর পোকার হানায় বিপন্ন উত্তরের চা শিল্প
ছবি সংগৃহীত

উত্তরবঙ্গের চা বলয়ে এখন হাহাকার। দীর্ঘ ৬ মাস বৃষ্টির দেখা নেই। একদিকে অনাবৃষ্টি, অন্যদিকে বিষাক্ত পোকার আক্রমণ— দুইয়ের সাঁড়াশী চাপে বছরের সেরা ‘ফার্স্ট ফ্লাশ’ বা মরশুমের প্রথম চা পাতা উৎপাদন নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।


সাধারণত সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে হালকা বৃষ্টি চা গাছের কুশি গজাতে সাহায্য করে। কিন্তু এবার অক্টোবর থেকে পাহাড় বা সমতল— কোথাও বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে গাছ ছাঁটাইয়ের পর নতুন পাতা আসতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। চা গবেষকদের মতে, পর্যাপ্ত রোদ আর বৃষ্টির ভারসাম্য না থাকলে চায়ের সেই জগৎবিখ্যাত গুণমান বজায় রাখা অসম্ভব।

বৃষ্টির অভাবে তরাই-ডুয়াসের বাগানগুলোতে রেড স্পাইডার, লুপার এবং গ্রিন ফ্লাইয়ের মতো পোকার উপদ্রব মারাত্মকভাবে বেড়েছে। পোকা দমনে বাড়তি খরচ করতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে ক্ষুদ্র চা চাষিদের। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃত্রিম সেচের ব্যবস্থা করা হলেও আকাশছোঁয়া জ্বালানি খরচের কারণে অনেকেই পিছিয়ে পড়ছেন।


ফার্স্ট ফ্লাশের পাতার দাম সাধারণত কেজি প্রতি ২০-২৫ টাকা থাকে, যার ওপর ভিত্তি করে সারা বছরের পরিকল্পনা করেন চাষিরা। কিন্তু এবার মার্চে অল্প পাতা মিললেও এপ্রিল থেকে উৎপাদন তলানিতে ঠেকবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা। সেচের জলের অভাবে অনেক বাগান শুকিয়ে নষ্ট হওয়ার মুখে।


উত্তরের প্রায় দশ হাজারেরও বেশি ছোট চা বাগানের ভবিষ্যৎ এখন মেঘমুক্ত আকাশের দিকে চেয়ে। কয়েক দিনের মধ্যে বৃষ্টি না হলে এই মরশুমে চা শিল্পে অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিষয় : #TeaIndustry #DarjeelingTea #NorthBengalNews #ClimateChange #TeaPlantation #FirstFlush #AgricultureCrisis #Drought #WestBengalNews #SaveTeaIndustry

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


সংকটে ‘ফার্স্ট ফ্লাশ’! খরা আর পোকার হানায় বিপন্ন উত্তরের চা শিল্প

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬

featured Image
উত্তরবঙ্গের চা বলয়ে এখন হাহাকার। দীর্ঘ ৬ মাস বৃষ্টির দেখা নেই। একদিকে অনাবৃষ্টি, অন্যদিকে বিষাক্ত পোকার আক্রমণ— দুইয়ের সাঁড়াশী চাপে বছরের সেরা ‘ফার্স্ট ফ্লাশ’ বা মরশুমের প্রথম চা পাতা উৎপাদন নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।সাধারণত সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে হালকা বৃষ্টি চা গাছের কুশি গজাতে সাহায্য করে। কিন্তু এবার অক্টোবর থেকে পাহাড় বা সমতল— কোথাও বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে গাছ ছাঁটাইয়ের পর নতুন পাতা আসতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। চা গবেষকদের মতে, পর্যাপ্ত রোদ আর বৃষ্টির ভারসাম্য না থাকলে চায়ের সেই জগৎবিখ্যাত গুণমান বজায় রাখা অসম্ভব।বৃষ্টির অভাবে তরাই-ডুয়াসের বাগানগুলোতে রেড স্পাইডার, লুপার এবং গ্রিন ফ্লাইয়ের মতো পোকার উপদ্রব মারাত্মকভাবে বেড়েছে। পোকা দমনে বাড়তি খরচ করতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে ক্ষুদ্র চা চাষিদের। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃত্রিম সেচের ব্যবস্থা করা হলেও আকাশছোঁয়া জ্বালানি খরচের কারণে অনেকেই পিছিয়ে পড়ছেন।ফার্স্ট ফ্লাশের পাতার দাম সাধারণত কেজি প্রতি ২০-২৫ টাকা থাকে, যার ওপর ভিত্তি করে সারা বছরের পরিকল্পনা করেন চাষিরা। কিন্তু এবার মার্চে অল্প পাতা মিললেও এপ্রিল থেকে উৎপাদন তলানিতে ঠেকবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা। সেচের জলের অভাবে অনেক বাগান শুকিয়ে নষ্ট হওয়ার মুখে।উত্তরের প্রায় দশ হাজারেরও বেশি ছোট চা বাগানের ভবিষ্যৎ এখন মেঘমুক্ত আকাশের দিকে চেয়ে। কয়েক দিনের মধ্যে বৃষ্টি না হলে এই মরশুমে চা শিল্পে অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার