Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে দ্বিমুখী তোপ! সাক্ষাৎকার থেকে পিলখানা—জামায়াত-এনসিপি জোটে স্ট্যান্টবাজির গন্ধ?

সংবাদদাতা, ঢাকা
সংবাদদাতা, ঢাকা
প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে দ্বিমুখী তোপ! সাক্ষাৎকার থেকে পিলখানা—জামায়াত-এনসিপি জোটে স্ট্যান্টবাজির গন্ধ?

ঢাকা: রাষ্ট্রপতিকে কেন্দ্র করে টানা দুই দিনে একই জোটের দুই শীর্ষ নেতার আক্রমণাত্মক অবস্থান ঘিরে তুমুল রাজনৈতিক চর্চা। প্রশ্ন উঠছে—এ কি নীতির লড়াই, না কি নির্বাচনী ধাক্কার পর জামায়াত-এনসিপি জোটের স্ট্যান্টবাজি?


প্রথমে দৈনিক কালের কণ্ঠ-এ প্রকাশিত রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার ঘিরে সরব হন শফিকুর রহমান, আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাক্ষাৎকারের নির্দিষ্ট বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তিনি রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ও সাংবিধানিক নিরপেক্ষতার প্রশ্ন তোলেন।


এর ঠিক পরদিন ভিন্ন ইস্যুতে আরও তীব্র সুরে সামনে আসেন সার্জিস আলম। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতিকে সঙ্গে নিয়ে পিলখানায় একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন—যা ইতিহাস ও সংবেদনশীলতার প্রশ্নে বিতর্কিত। সার্জিসের বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল, এই উপস্থিতি রাজনৈতিক বার্তা বহন করে।


উল্লেখ্য, সার্জিস আলমের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং জামায়াত সাম্প্রতিক নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে লড়েছিল। ফলে জামায়াত-এনসিপি জোটের দুই নেতার আলাদা ইস্যুতে ধারাবাহিক তোপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।


সমালোচকদের একাংশের মতে, নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার পর উচ্চমাত্রার প্রতীকী ইস্যু সামনে আনা জোট রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়। রাষ্ট্রপতির মতো সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি করলে তা দ্রুত জাতীয় আলোচনায় উঠে আসে।


এখন প্রশ্ন—এটি কি নীতিগত ধারাবাহিক অবস্থান, না কি আলোচনায় থাকার কৌশলগত স্ট্যান্টবাজি? রাজনীতিতে উচ্চকিত ভাষা সহজেই শিরোনাম তৈরি করে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে জনমত গড়ে ওঠে বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তিতে। জামায়াত-এনসিপি জোটের এই দ্বিমুখী তোপ শেষ পর্যন্ত কী বার্তা দেয়—তার উত্তর দেবে সময়।

বিষয় : Bangladesh Jamaat Sarjis Alam Chuppu

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে দ্বিমুখী তোপ! সাক্ষাৎকার থেকে পিলখানা—জামায়াত-এনসিপি জোটে স্ট্যান্টবাজির গন্ধ?

প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
ঢাকা: রাষ্ট্রপতিকে কেন্দ্র করে টানা দুই দিনে একই জোটের দুই শীর্ষ নেতার আক্রমণাত্মক অবস্থান ঘিরে তুমুল রাজনৈতিক চর্চা। প্রশ্ন উঠছে—এ কি নীতির লড়াই, না কি নির্বাচনী ধাক্কার পর জামায়াত-এনসিপি জোটের স্ট্যান্টবাজি?প্রথমে দৈনিক কালের কণ্ঠ-এ প্রকাশিত রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার ঘিরে সরব হন শফিকুর রহমান, আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাক্ষাৎকারের নির্দিষ্ট বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তিনি রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ও সাংবিধানিক নিরপেক্ষতার প্রশ্ন তোলেন।এর ঠিক পরদিন ভিন্ন ইস্যুতে আরও তীব্র সুরে সামনে আসেন সার্জিস আলম। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতিকে সঙ্গে নিয়ে পিলখানায় একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন—যা ইতিহাস ও সংবেদনশীলতার প্রশ্নে বিতর্কিত। সার্জিসের বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল, এই উপস্থিতি রাজনৈতিক বার্তা বহন করে।উল্লেখ্য, সার্জিস আলমের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং জামায়াত সাম্প্রতিক নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে লড়েছিল। ফলে জামায়াত-এনসিপি জোটের দুই নেতার আলাদা ইস্যুতে ধারাবাহিক তোপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।সমালোচকদের একাংশের মতে, নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার পর উচ্চমাত্রার প্রতীকী ইস্যু সামনে আনা জোট রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়। রাষ্ট্রপতির মতো সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি করলে তা দ্রুত জাতীয় আলোচনায় উঠে আসে।এখন প্রশ্ন—এটি কি নীতিগত ধারাবাহিক অবস্থান, না কি আলোচনায় থাকার কৌশলগত স্ট্যান্টবাজি? রাজনীতিতে উচ্চকিত ভাষা সহজেই শিরোনাম তৈরি করে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে জনমত গড়ে ওঠে বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তিতে। জামায়াত-এনসিপি জোটের এই দ্বিমুখী তোপ শেষ পর্যন্ত কী বার্তা দেয়—তার উত্তর দেবে সময়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার