Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

আতঙ্কে ঘুম উড়েছে গ্রামবাসীর, বাঘ ধরতে কালিয়াচকের গঙ্গাচরে দিনরাত পাহারা বনকর্মীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আতঙ্কে ঘুম উড়েছে গ্রামবাসীর, বাঘ ধরতে কালিয়াচকের গঙ্গাচরে দিনরাত পাহারা বনকর্মীদের

মালদহ: মালদহ জেলার কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকের হামিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গঙ্গাচর এলাকায় গত ২৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে বাঘের আতঙ্ক। সন্ধে নামার আগেই গৃহবন্দি হয়ে পড়ছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের দাবি, এলাকায় বাঘের মতো বড় কোনো প্রাণী ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই গবাদি পশুর পাশাপাশি এক প্রৌঢ়ার ওপর হামলা চালিয়েছে সেই জানোয়ার।


স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাত বাড়লে বা ভোরের আলো ফোটার আগে বাঘের মতো দেখতে সেই প্রাণীকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে। হামলায় আহত এক প্রৌঢ়ার শরীরের বিভিন্ন অংশে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক গরুর ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা হামিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত জুড়ে ত্রাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আতঙ্কে চাষবাস থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কাজও ব্যাহত হচ্ছে।

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বনদফতরের রেঞ্জ অফিসার সরস্বতী বিশ্বাস এবং একদল বনকর্মী। গঙ্গাচর এলাকার বাগধাড়ায় বাঘ ধরার জন্য বড় খাঁচা বসানো হয়েছে। তবে ২৬ জানুয়ারি থেকে আজ ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেই খাঁচায় কোনো প্রাণী ধরা পড়েনি। ফলে একদিকে যেমন বাঘ ধরা না পড়ায় স্বস্তি নেই, অন্যদিকে তেমনই অজানা জন্তুর আতঙ্কে দিন কাটছে গ্রামবাসীদের।

যদিও বনদফতরের আধিকারিক সরস্বতী বিশ্বাস বিষয়টি নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, "সাধারণ মানুষের কাছে আমার অনুরোধ, অনুমতি ছাড়া বা আয়না ছাড়া কেউ যেন ঝোপঝাড়ের দিকে না যান। আমরা মনে করছি এটি বাঘ নয়, বনবিড়াল বা মেছো বিড়াল (Fishing Cat) হতে পারে। তাই খুব বেশি ভয় পাওয়ার কিছু নেই।"

বনদফতর আশ্বস্ত করলেও কালিয়াচকের গঙ্গাচরবাসীর ভয় কাটছে না। দিনের আলো যতক্ষণ আছে ততক্ষণ কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও, অন্ধকার নামলেই কার্যত ‘কার্ফু’ জারি হচ্ছে এলাকায়। বনদফতর টহল অব্যাহত রেখেছে এবং পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।

বিষয় : tigerattack village malda forestdepartment

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


আতঙ্কে ঘুম উড়েছে গ্রামবাসীর, বাঘ ধরতে কালিয়াচকের গঙ্গাচরে দিনরাত পাহারা বনকর্মীদের

প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
মালদহ: মালদহ জেলার কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকের হামিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গঙ্গাচর এলাকায় গত ২৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে বাঘের আতঙ্ক। সন্ধে নামার আগেই গৃহবন্দি হয়ে পড়ছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের দাবি, এলাকায় বাঘের মতো বড় কোনো প্রাণী ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই গবাদি পশুর পাশাপাশি এক প্রৌঢ়ার ওপর হামলা চালিয়েছে সেই জানোয়ার।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাত বাড়লে বা ভোরের আলো ফোটার আগে বাঘের মতো দেখতে সেই প্রাণীকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে। হামলায় আহত এক প্রৌঢ়ার শরীরের বিভিন্ন অংশে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক গরুর ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা হামিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত জুড়ে ত্রাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আতঙ্কে চাষবাস থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কাজও ব্যাহত হচ্ছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বনদফতরের রেঞ্জ অফিসার সরস্বতী বিশ্বাস এবং একদল বনকর্মী। গঙ্গাচর এলাকার বাগধাড়ায় বাঘ ধরার জন্য বড় খাঁচা বসানো হয়েছে। তবে ২৬ জানুয়ারি থেকে আজ ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেই খাঁচায় কোনো প্রাণী ধরা পড়েনি। ফলে একদিকে যেমন বাঘ ধরা না পড়ায় স্বস্তি নেই, অন্যদিকে তেমনই অজানা জন্তুর আতঙ্কে দিন কাটছে গ্রামবাসীদের।যদিও বনদফতরের আধিকারিক সরস্বতী বিশ্বাস বিষয়টি নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, "সাধারণ মানুষের কাছে আমার অনুরোধ, অনুমতি ছাড়া বা আয়না ছাড়া কেউ যেন ঝোপঝাড়ের দিকে না যান। আমরা মনে করছি এটি বাঘ নয়, বনবিড়াল বা মেছো বিড়াল (Fishing Cat) হতে পারে। তাই খুব বেশি ভয় পাওয়ার কিছু নেই।"বনদফতর আশ্বস্ত করলেও কালিয়াচকের গঙ্গাচরবাসীর ভয় কাটছে না। দিনের আলো যতক্ষণ আছে ততক্ষণ কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও, অন্ধকার নামলেই কার্যত ‘কার্ফু’ জারি হচ্ছে এলাকায়। বনদফতর টহল অব্যাহত রেখেছে এবং পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার