কলকাতা: বীরভূমের মাটিতে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বকে একহাত নিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari। রবিবার জেলা বিজেপির ডাকে আয়োজিত আদিবাসী সম্মেলনে বারবার Anubrata Mondal ও Kajal Sheikh-এর নাম করে হুঙ্কার দেন তিনি। একইসঙ্গে জেলা থেকে তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপিকে আসন দিতে জনতার কাছে আবেদন জানান শুভেন্দু।
মঞ্চ থেকে কড়া সুরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পুলিস যদি সরে দাঁড়ায়, তাহলে এদের জনগণই সোজা করে দেবে। বন্ধু, ভদ্র হয়ে যান। কেষ্ট–কাজলের বাহিনী ভদ্র হয়ে যান। ভদ্র না হলে এপ্রিলের পরে বদলও হবে, বদলাও হবে।”
জেল–দুর্নীতি–পুরসভা: একসঙ্গে একাধিক ইস্যু
অনুব্রত মণ্ডলের জেলে থাকা নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধী দলনেতা। রামপুরহাট পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শুভেন্দু বলেন, “রামপুরহাটের পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেনবাবু ব্যাগ গুছিয়ে নিন, এপ্রিল এসে গিয়েছে। আপনার নেতা কেষ্ট ঘুরে এসেছে, এবার আপনার পালা।”
দেউচা পাচামি ও চাকরির প্রশ্ন
এদিন Deucha Pachami প্রকল্প নিয়েও রাজ্য সরকারকে তোপ দাগেন শুভেন্দু। তাঁর প্রশ্ন, “দেউচা পাচামির কী হল মুখ্যমন্ত্রী? কোথায় গেল এক লক্ষ চাকরি?” সাংসদ সামিরুল ইসলামের পরিবারের চাকরি নিয়েও অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি আদিবাসী নির্যাতনের ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন বিরোধী দলনেতা।
বাজেট নিয়ে কটাক্ষ
এর আগে শুক্রবার রাজ্য বাজেট নিয়েও আক্রমণ শানান শুভেন্দু অধিকারী। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারসহ একাধিক ভাতা বাড়ানোর ঘোষণাকে ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ বলে খারিজ করে দেন তিনি। তাঁর দাবি, আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর থাকায় নতুন কোনও প্রকল্প বা ভাতা বাস্তবে চালু করা সম্ভব নয়।
সব মিলিয়ে, বীরভূমে আদিবাসী সম্মেলনের মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট—জেলার রাজনৈতিক লড়াইয়ে তৃণমূল নেতৃত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে চাইছে বিজেপি, আর তার কেন্দ্রে রয়েছে অনুব্রত–কাজল প্রসঙ্গ, দেউচা পাচামি ও দুর্নীতির অভিযোগ।
বিষয় : পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন