ঢাকা: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন। তার মাত্র তিন দিন আগে, অর্থাৎ ৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি স্পর্শকাতর বাণিজ্য চুক্তি সই করতে যাচ্ছে ড. মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে বজায় রাখা চরম গোপনীয়তা এবং শেষ মুহূর্তের এই তড়িঘড়ি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ, রপ্তানিকারক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
২০২৫ সালে এই সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট’ সই করে, যার ফলে এই চুক্তির কোনো শর্ত বা খসড়া জনসমক্ষে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। দেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, কী সুবিধা পাওয়া যাবে আর বিনিময়ে কী বিসর্জন দিতে হবে, তা না জেনেই এই চুক্তিতে সই করা হচ্ছে।
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে লিখেছেন, “নির্বাচনের আগে বন্দর ইজারা দেওয়া, অস্ত্র আমদানি করা বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন অধীনতামূলক চুক্তিতে সই করার এত কী তাড়া?” তাঁর অভিযোগ, প্রশাসনে থাকা কিছু ‘লবিস্ট’ উপদেষ্টা এই চুক্তি সম্পন্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
রপ্তানি খাতে অশনি সংকেত?
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে। রপ্তানিকারকদের উদ্বেগ,বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত শুল্ক ২০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই চুক্তির ফলে তা ১৫ শতাংশে নামার সম্ভাবনা থাকলেও বিনিময়ে মার্কিন পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে কী কী ছাড় দেওয়া হবে, তা নিয়ে আতঙ্ক কাটছে না।
ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সম্প্রতি হওয়া এফটিএ (FTA) এবং ভারতের শুল্ক সুবিধা বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। এমন অবস্থায় অস্পষ্ট শর্তের এই চুক্তি দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ডকে পঙ্গু করতে পারে বলে মনে করছেন বিজিএমইএ-র সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান।
গবেষণা সংস্থা সিপিডি (CPD)-র ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এই চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, “বিদায়ী সরকার এমন একটি চুক্তিতে সই করছে, যা কার্যকর করার দায়িত্ব পড়বে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর। এতে নতুন সরকারের হাত-পা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়ে ভাবার অবকাশ রয়েছে।”
রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে, এই চুক্তিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সমর্থনে এবং ইসলামপন্থী দলগুলোর প্রচ্ছন্ন ইশারায় তড়িঘড়ি করা হচ্ছে। এদিকে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিনেই ইউনূস সরকার প্রস্তাবিত ‘জুলাই চার্টার’-এর ওপর গণভোট বা মতামত নেওয়া হতে পারে, যা অন্তর্বর্তী সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে আইনি সুরক্ষা বা ‘ইমিউনিটি’ প্রদান করবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় একে একটি ‘প্রহসনমূলক’ নির্বাচনের ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
এক নজরে কী থাকছে চুক্তিতে (যা এখন পর্যন্ত জানা গেছে):
তারিখ: ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (ওয়াশিংটনে সই হবে)।
বিষয়: পাল্টা শুল্ক (Reciprocal Tariff) কমানো এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নীতি।
উদ্বেগ: ৪-৫ মিলিয়ন গার্মেন্টস শ্রমিকের ভবিষ্যৎ ও দেশের সার্বভৌমত্ব।
ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো মনে করে, এই ধরনের বড় সিদ্ধান্ত জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়াই যুক্তিযুক্ত ছিল। শেষ পর্যন্ত ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে কী স্বাক্ষরিত হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে গোটা দেশ।
ইউনূস সরকারের কি এই বাণিজ্য চুক্তিতে সই করার ক্ষমতা আছে?
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ১০০টি দেশের ওপর পাল্টা (রিসিপ্রোকাল) শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন, তখন বাংলাদেশকে ৩৭ শতাংশের উচ্চ শুল্কের মুখে পড়তে হয়। এরপর ২০২৫ সালের জুনে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট (এনডিএ) সই করে, যার মাধ্যমে শুল্ক সংক্রান্ত আলোচনা সম্পূর্ণ গোপন রাখার অঙ্গীকার করা হয়।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে ট্রাম্প বাংলাদেশে আরোপিত শুল্ক সামান্য কমিয়ে ৩৫ শতাংশে নামান। আলোচনা চলতে থাকে। পরে ২০২৫ সালের আগস্টে শুল্কহার নির্ধারিত হয় ২০ শতাংশে।
গত সপ্তাহে বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান জানান, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তারিখ পেয়েছি। তা হলো ৯ ফেব্রুয়ারি। সেদিনই চুক্তিতে সই হবে।” ঢাকাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি সান এ তথ্য জানিয়েছে।
চুক্তির শর্তাবলি সম্পূর্ণ গোপন থাকায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ দেখা দিয়েছে রপ্তানিকারকদের মধ্যে—বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে, যা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানির প্রধান অংশ জুড়ে আছে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, কোনো ধরনের পরামর্শ ছাড়াই এই চুক্তি করা হচ্ছে—যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানির লক্ষ্যমাত্রার ভিত্তিতে ধারণা করা যায়, পাল্টা শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৫ শতাংশে নামতে পারে। আমি শুনেছিলাম, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খালিলুর রহমান বিষয়টি অনেকটাই গুছিয়ে এনেছেন। কিন্তু নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে চুক্তিতে সই হতে যাচ্ছে দেখে আমি বিস্মিত। আমার এখনও বিশ্বাস, এটি নির্বাচনের পর হওয়াই উচিত ছিল, কারণ এর প্রভাব অত্যন্ত গভীর।”
ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খালিলুর রহমান বাংলাদেশের ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কমানোর বিষয়টি উত্থাপন করেন। একই সঙ্গে তিনি একটি প্রস্তাবিত বিশেষ সুবিধা কাঠামোর কথা বলেন, যার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা ও ম্যান-মেড ফাইবার আমদানির বিপরীতে বাংলাদেশি টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হতে পারে।
১০ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর ইউনূসের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেবে—যদি তা যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও সিন্থেটিক ফাইবার আমদানির সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
এই চুক্তিতে সই করার কয়েক দিনের মধ্যেই ইউনূস প্রশাসনের মেয়াদ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে চুক্তিটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে এমন একটি নির্বাচিত সরকারের ওপর, যারা এই আলোচনায় কোনোভাবেই যুক্ত ছিল না।
এ প্রসঙ্গে প্রথম আলোর উদ্ধৃতিতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর বিশিষ্ট ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, “নির্বাচনের পর শুল্ক চুক্তিটি হলে রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে আলোচনা করতে পারত। এখন প্রশ্ন উঠছে—আসন্ন নির্বাচিত সরকারের হাত কি বেঁধে দেওয়া হচ্ছে না?”
কেন বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি আতঙ্ক ছড়াচ্ছে?
এই চুক্তির ভেতরে কী আছে—তা কেউই জানে না। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট (এনডিএ) সই করেছে, যার ফলে উভয় পক্ষই চুক্তির বিস্তারিত বিষয় গোপন রাখতে বাধ্য।
ফলে যাঁরা এই চুক্তির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন, তাঁরা সম্পূর্ণ অন্ধকারেই রয়েছেন—এমন অবস্থায়ই ইউনূস প্রশাসন চুক্তিতে সই করার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
উদ্বেগ শুধু রপ্তানিকারকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশীয় বাজারভিত্তিক ব্যবসায়ীরাও গভীর শঙ্কায় রয়েছেন।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, চুক্তির খসড়ার বিষয়বস্তু অজানা থাকায় এর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের ঠিক আগে এমন একটি চুক্তিতে সই না করে বিষয়টি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া যেত।
প্রথম আলোর উদ্ধৃতিতে তাসকিন আহমেদ বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তি থেকে বাংলাদেশ আদৌ কী লাভ করবে, তা স্পষ্ট নয়। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী মহল উদ্বিগ্ন—চুক্তিতে কী কী শর্ত যুক্ত হতে পারে এবং কোন কোন খাত নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। এসব নিয়ে তারা নানা প্রশ্ন তুলছেন।”
শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা এবং তার পরপরই ইউনূস প্রশাসনের ক্ষমতায় আসা—এই অভিযোগগুলোর প্রেক্ষাপটে এসব উদ্বেগকে যথেষ্ট যৌক্তিক বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বাংলাদেশি সাংবাদিক এবং Inshallah Bangladesh: The Story of an Unfinished Revolution বইয়ের অন্যতম লেখক শাহিদুল হাসান খোকন ইন্ডিয়া টুডে ডিজিটাল-কে বলেন, “শেখ হাসিনার সরকার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা সরাসরি না হলেও ভূরাজনৈতিকভাবে তা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বাস্তবতাকে উপেক্ষা করলে ২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহ এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কোন পথে এগোতে পারে—তা পুরোপুরি বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে।”
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে কী প্রভাব ফেলতে পারে?
বর্তমানে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে বছরে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে, বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ বছরে আনুমানিক ৭ থেকে ৮.৪ বিলিয়ন ডলার, যার প্রায় ৯৬ শতাংশই তৈরি পোশাক ও বস্ত্রপণ্য (আরএমজি)।
এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র যখন ভারতের রপ্তানির ওপর শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে এনেছে, বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির শর্তাবলি পুরোপুরি গোপন রাখা হয়েছে এবং একই সময়ে ভারত–ইইউ বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শেষের পথে—তখন বাংলাদেশের রপ্তানিকারক ও পোশাক খাতের অংশীজনদের উদ্বিগ্ন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তার ওপর ওয়াশিংটনের চাপেই এই সিদ্ধান্ত তড়িঘড়ি নেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হলো বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাত। এই খাতে সরাসরি কর্মসংস্থান রয়েছে আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ লাখ মানুষের, যাদের অর্ধেকেরও বেশি নারী। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই খাত থেকেই দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮১ থেকে ৮৪ শতাংশ অর্জন করে এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ২০ শতাংশ আসে এখান থেকে।
এই সব বাস্তবতা মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তিকে একটি অস্বচ্ছ ও বাধ্যতামূলক প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা একটি অনির্বাচিত সরকার তাদের বিদায়ী সময়েই চাপিয়ে দিচ্ছে। এই চুক্তির সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তির ওপর। একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে, ইউনূস প্রশাসনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব রয়েছে।
এই কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বাণিজ্য চুক্তি আজ বাংলাদেশের শিল্পপতি ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার উৎস হয়ে উঠেছে।
সুত্র: ইন্ডিয়া টুডে
বিষয় : বাংলাদেশ প্রফেসর ইউনূস usa

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন