নয়াদিল্লি: আইপ্যাক সংক্রান্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) দায়ের করা মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল দেশের শীর্ষ আদালতে। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে, ইডির আইনজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছে।
এদিন শুনানির শুরুতেই কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, সোমবার রাজ্য সরকার যে হলফনামা জমা দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য ইডির সময়ের প্রয়োজন। ইডি এই বিষয়ে একটি পাল্টা হলফনামা পেশ করতে চায়। ইডির এই আবেদনে রাজ্য সরকার সম্মতি জানালে বিচারপতি মিশ্রের বেঞ্চ শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
গত ৮ জানুয়ারি কয়লাপাচার মামলার তদন্তে সল্টলেকের আইপ্যাক দফতর এবং লাউডন স্ট্রিটে সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি। অভিযোগ ওঠে, তল্লাশি চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত হয়ে নথিপত্র ও ল্যাপটপ সরিয়ে নিয়ে তদন্তে বাধা দিয়েছেন। এই 'বেআইনি হস্তক্ষেপে'র অভিযোগ তুলে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় সংস্থাটি।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া হলফনামায় ইডির এই মামলা খারিজের আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের প্রধান যুক্তিগুলি হল- প্রথমত, ইডির এই মামলা করার কোনও মৌলিক অধিকার নেই। দ্বিতীয়ত, আইপ্যাকের দফতরে তল্লাশি সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত 'জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার'-এর পরিপন্থী। এবং তৃতীয়ত- তল্লাশির আগে আইপ্যাককে কেন কোনও আগাম নোটিস দেওয়া হয়নি - যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্য।
উল্লেখ্য, এর আগে ইডির বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের দায়ের করা তিনটি এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এছাড়া, তল্লাশি চালানো এলাকাগুলির সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশও দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। আগামী সপ্তাহে দু-পক্ষের হলফনামা ও পাল্টা হলফনামার ভিত্তিতেই এই হাই-প্রোফাইল মামলার গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত হবে।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন