Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোটের আগে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শেরপুরে: নিহত জামায়াত নেতা, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ অন্তর্বর্তী সরকারের

সংবাদদাতা, ঢাকা
সংবাদদাতা, ঢাকা
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
ভোটের আগে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শেরপুরে: নিহত জামায়াত নেতা, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ অন্তর্বর্তী সরকারের

বাংলাদেশে নির্বাচনের মুখে বড়সড় অশান্তি। শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন এক জামায়াত নেতা। নিহত নেতার নাম মাওলানা রেজাউল করিম। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটমুখী বাংলাদেশে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া বার্তা দিয়েছে সেদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।


স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে প্রশাসন আয়োজিত ‘জনতার মুখোমুখি’ নামে একটি নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বসা নিয়ে দুই দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে সেই বিবাদ রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হলে অন্তত ৩০ জন আহত হন।


গুরুতর জখম হন ঝিনাইগাতী উপজেলার ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবি শিক্ষক তথা জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার পথে বুধবার রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।


এই ঘটনায় সরব হয়েছে জামায়াতে ইসলামী। শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল অভিযোগ করেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকরাই পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার না হলে তাঁরা দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন। যদিও এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে এই প্রাণহানিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষ থেকে একটি কড়া বিবৃতি জারি করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামসহ সমস্ত রাজনৈতিক দলকে তাঁদের সমর্থকদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে এবং চূড়ান্ত সংযম প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শেরপুর জেলা পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। সরকারের বার্তা, "গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রাণহানির কোনো স্থান নেই। দোষীদের কাউকেই রেয়াত করা হবে না।" গোটা জেলায় যাতে নতুন করে অশান্তি না ছড়ায়, তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।


অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে, একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করাই তাদের মূল লক্ষ্য। কোনোভাবেই যাতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিঘ্নিত না হয়, তার জন্য কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ভোটের আগে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শেরপুরে: নিহত জামায়াত নেতা, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ অন্তর্বর্তী সরকারের

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
বাংলাদেশে নির্বাচনের মুখে বড়সড় অশান্তি। শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন এক জামায়াত নেতা। নিহত নেতার নাম মাওলানা রেজাউল করিম। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটমুখী বাংলাদেশে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া বার্তা দিয়েছে সেদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে প্রশাসন আয়োজিত ‘জনতার মুখোমুখি’ নামে একটি নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বসা নিয়ে দুই দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে সেই বিবাদ রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হলে অন্তত ৩০ জন আহত হন।গুরুতর জখম হন ঝিনাইগাতী উপজেলার ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবি শিক্ষক তথা জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার পথে বুধবার রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।এই ঘটনায় সরব হয়েছে জামায়াতে ইসলামী। শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল অভিযোগ করেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকরাই পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার না হলে তাঁরা দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন। যদিও এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে এই প্রাণহানিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষ থেকে একটি কড়া বিবৃতি জারি করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামসহ সমস্ত রাজনৈতিক দলকে তাঁদের সমর্থকদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে এবং চূড়ান্ত সংযম প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শেরপুর জেলা পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। সরকারের বার্তা, "গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রাণহানির কোনো স্থান নেই। দোষীদের কাউকেই রেয়াত করা হবে না।" গোটা জেলায় যাতে নতুন করে অশান্তি না ছড়ায়, তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে, একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করাই তাদের মূল লক্ষ্য। কোনোভাবেই যাতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিঘ্নিত না হয়, তার জন্য কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার