ঢাকা: ওপার বাংলায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন খাড়া করল সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যান। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম পূর্ণ বছরে অপরাধের খতিয়ান সামনে আসতেই দেখা যাচ্ছে, দেশজুড়ে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এবং অপহরণের মতো ঘটনার অভিযোগ গত এক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একবছরে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সংখ্যা পূর্ববর্তী বছরগুলির তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। বিশেষ করে জনবহুল এলাকা এবং গ্রামগঞ্জে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে এই ক্রমবর্ধমান অপরাধের হার।
প্রতিবেদনে উল্লিখিত মূল দিকগুলি হল:
চুরি ও ডাকাতি: ঘরবাড়ি এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনার পাশাপাশি সশস্ত্র ডাকাতির অভিযোগও গত এক বছরে অনেক বেশি জমা পড়েছে।
ছিনতাই: রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সর্বস্ব লুটে নেওয়ার মতো ছিনতাইয়ের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।
অপহরণ: সাম্প্রতিক সময়ে অপহরণের ঘটনাগুলি প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। মুক্তিপণের দাবিতে বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে অপহরণের অভিযোগগুলি আগের চেয়ে বেশি জোরালো হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাদের আমলের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বছরের অপরাধ-হিসাব। ওয়াকিবহালমহলের মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির শিথিলতা এবং প্রশাসনিক রদবদলের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের অপরাধী চক্রগুলি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আর, সাধারণ মানুষ এই ক্রমবর্ধমান অপরাধের কারণে নিত্যদিন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
যদিও বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ করার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু, বাস্তবে অপরাধের এই বাড়বাড়ন্ত নিয়ন্ত্রণে আনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন