নয়াদিল্লি ও কলকাতা: সল্টলেকের দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ ও খুনের মামলায় বড়সড় ধাক্কা খেলেন রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ। কলকাতা হাইকোর্টের পর এবার দেশের শীর্ষ আদালতও তাঁর আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল। আগামী শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে তাঁকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
গত ২৯ অক্টোবর নিউটাউনের যাত্রাগাছি থেকে স্বর্ণকার স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণ ও খুনের অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তকারীদের দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে অন্যতম ‘মূল অভিযুক্ত’ হলেন রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ। কিন্তু, ঘটনার পর থেকেই গ্রেফতারি এড়াতে প্রশান্ত বর্মণ আইনি লড়াই শুরু করেন।
একেবারে প্রথমে বারাসত আদালত বিডিওর আগাম জামিন মঞ্জুর করেছিল। তারপর বিধাননগর পুলিশ বারাসত আদালতের রায়ের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানায়। গত ২২ ডিসেম্বর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বারাসত আদালতের কড়া সমালোচনা করে প্রশান্তের জামিন খারিজ করেন এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান বিডিও। সোমবার বিচারপতি রাজেশ বিন্দল এবং বিচারপতি বিজয় বিষ্ণোইয়ের বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, অভিযুক্তকে আত্মসমর্পণ করতেই হবে।
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আগামী শুক্রবারের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর প্রশান্ত বর্মণ নিয়মিত জামিনের আবেদন করতে পারবেন। তবে আদালত এ-ও স্পষ্ট করে দিয়েছে, তদন্তের প্রয়োজনে পুলিশ চাইলে নিম্ন আদালতে সেই জামিনের বিরোধিতা করতে পারবে এবং অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারবে।
উল্লেখ্য, এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও প্রশান্ত বর্মণ আত্মসমর্পণ করেননি। এবার শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশের পর তাঁর সামনে আর কোনও রক্ষাকবচ রইল না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন