ঢাকা: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ২০২৫-২৬ শুরু হতে না হতেই ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠল ফিক্সিং বিতর্ক। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর ইন্টিগ্রিটি ইউনিট জানিয়েছে, কিছু ঘটনায় তারা 'নির্ভরযোগ্য সন্দেহ' খুঁজে পেয়েছে! এই খবর সামনে আসার পরই বাংলাদেশের ক্রিকেট মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
বিসিবি সূত্রে খবর, লিগের প্রাথমিক পর্যায়ের কিছু ম্যাচের গতিপ্রকৃতি এবং নির্দিষ্ট কিছু খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছে। ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের নজরদারিতে এমন কিছু তথ্য উঠে এসেছে যা স্বাভাবিক ক্রিকেটীয় ঘটনার বাইরে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ঠিক কোন ম্যাচ বা কোন খেলোয়াড়ের নাম এই সন্দেহের তালিকায় রয়েছে, তা তদন্তের স্বার্থে এখনও গোপন রাখা হয়েছে।
বিসিবি-র দুর্নীতিদমন শাখা এবং ইন্টিগ্রিটি ইউনিট অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। বিসিবি-র এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, "আমরা ক্রিকেটের স্বচ্ছতা নিয়ে কোনও আপস করব না। যদি কোনও অসাধু চক্র বা খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে কঠোরতম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
বিপিএল-এর ইতিহাসে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে এবং তারকা খেলোয়াড়দের নিষিদ্ধ হতে হয়েছে। নতুন বোর্ড প্রশাসনের অধীনে এবারের আয়োজনটিকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত রাখার চ্যালেঞ্জ ছিল বিসিবি-র সামনে। কিন্তু ‘ইন্টিগ্রিটি ইউনিট’-এর এই প্রাথমিক রিপোর্ট সেই আশার উপর কিছুটা হলেও প্রশ্নচিহ্ন বসিয়ে দিল।
বর্তমানে বিসিবি-র দুর্নীতিদমন কর্তারা বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছেন। আইসিসি-র অ্যান্টি-করাপশন ইউনিট-এর সঙ্গেও তথ্য আদানপ্রদান করা হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের উপর কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। ক্রীড়াপ্রেমীদের আশা, দ্রুত এই তদন্ত শেষ করে সত্য সামনে আনা হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন