সাড়ে ৬ ঘণ্টারও বেশি সময় জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবারের পর ফের তাঁকে তলব করেছিল সিআইডি। এ বার তদন্তের বিষয় ছিল নির্বাচনী প্রচারে করা তাঁর ‘ডিজে’ সংক্রান্ত মন্তব্য।
|
নির্ধারিত সময়ের কিছু আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান অভিষেক। দুপুর থেকে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা ২৫ মিনিট নাগাদ সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে যান তিনি। সূত্রের খবর, ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে এক জনসভায় অভিষেকের করা মন্তব্য ঘিরে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে সিআইডি। এর আগে ওই মামলায় তাঁকে নোটিসও পাঠানো হয়েছিল।
মৌনীর মন্তব্যে তোলপাড় বলিপাড়া!
গত কয়েক দিনে একের পর এক তদন্তকারী সংস্থার তলবের মুখে পড়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ছ’দিনে তিন বার সিআইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার পাশাপাশি এক বার ইডির জেরারও মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। সই জালিয়াতি মামলায় প্রথমে ১১ জুন ভবানী ভবনে হাজিরা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সেই দিন প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে একই মামলায় ফের ডাকা হলে রবিবার সিআইডির প্রশ্নের মুখে প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা কাটাতে হয় তাঁকে।
এর মধ্যেই প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির নোটিস পেয়ে সোমবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন অভিষেক। সেখানে টানা ১১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ চলে। তার পরের দিন, মঙ্গলবার আবার ভবানী ভবনে পৌঁছন তিনি। এ বার তদন্তের বিষয় ছিল তাঁর ‘ডিজে’ মন্তব্য সংক্রান্ত অভিযোগ। প্রায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা ধরে সিআইডি আধিকারিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। সব মিলিয়ে গত চার দিনে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একাধিক মামলার জেরায় ৩১ ঘণ্টারও বেশি সময় কাটাতে হয়েছে অভিষেককে। তদন্তকারীরা তাঁকে আবারও তলব করবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন