Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বিধানসভায় অলিন্দে চরম নাটক! সর্বদলীয় বৈঠকে ব্রাত্য শোভনদেব-কুণালরা, আমন্ত্রিত ‘বিদ্রোহী’ ঋতব্রতরা

বিধানসভায় অলিন্দে চরম নাটক! সর্বদলীয় বৈঠকে ব্রাত্য শোভনদেব-কুণালরা, আমন্ত্রিত ‘বিদ্রোহী’ ঋতব্রতরা
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: আগামী ১৮ জুন থেকে রাজ্যে শুরু হতে চলেছে হাইভোল্টেজ বাজেট অধিবেশন। কিন্তু সেই অধিবেশন শুরুর ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগেই মঙ্গলবার বিধানসভার সর্বদলীয় বৈঠককে কেন্দ্র করে ঘটে গেল এক নজিরবিহীন নাটক। ভোটে ঐতিহাসিক ভরাডুবির পর ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে যে ভাঙন ধরেছে, তা এবার আক্ষরিক অর্থেই আইনি ও সরকারি সিলমোহর পেতে শুরু করল। বিধানসভার কার্য উপদেষ্টা কমিটির এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ডাকই পেলেন না তৃণমূলের প্রবীণ নেতা তথা বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। উলটে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্পিকারের ঘরে রাজকীয় আমন্ত্রণ পেল তৃণমূলেরই ‘বিদ্রোহী’ শিবির, যা দেখে রাজনৈতিক মহলের স্পষ্ট মত—বাংলার বিধানসভায় বিরোধীদের ক্ষমতার ভরকেন্দ্রটাই এবার পুরোপুরি বদলে গেল।


তৃণমূলের অন্দরে চলা নজিরবিহীন টানাপোড়েনের মাঝেই সম্প্রতি ৬৫ জন বিধায়ক দলনেত্রীর নির্দেশ অমান্য করে স্পিকারের কাছে নিজেদের আলাদা বিরোধী দল হিসেবে দাবি জানিয়েছিলেন। এবার সেই বিদ্রোহে ঘৃতাহুতি দিয়ে স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু বিদ্রোহী শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভার নতুন বিরোধী দলনেতার (Leader of Opposition) আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছেন। আর সেই সমীকরণ মেনেই এদিন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মতো প্রবীণদের কমিটির বৈঠক থেকে একপ্রকার ছেঁটে ফেলে সরাসরি ঋতব্রতদের আলোচনার টেবিলে বসানো হয়। এই সিদ্ধান্ত মূলত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী শিবিরের ওপর এক মস্ত বড় রাজনৈতিক ধাক্কা বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয় নিয়ে এবার চরম সংঘাতের পথে ‘দিদি’


মঙ্গলবারের এই মেগা বৈঠকে কেবল ঋতব্রত শিবিরের নেতারাই নন, উপস্থিত ছিলেন ভাঙড়ের আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি, রেজিনগরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এবং ডোমকলের একমাত্র বাম বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমানও। বিধানসভার অন্দরে সংখ্যার নিরিখে এই মুহূর্তে তৃণমূলের অফিসিয়াল শিবির যে কতটা কোণঠাসা ও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে, এই বৈঠকই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। স্পিকারের এই চরম পদক্ষেপের পর ১৮ জুন বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই বিধানসভার অন্দরে ‘আসল তৃণমূল’ বনাম ‘বিদ্রোহী তৃণমূল’-এর লড়াই কোন মারকুটে রূপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর গোটা রাজ্যের।

বিষয় : kolkatapolitics kunalghosh shovandebchattopadhyay TMCINCRISIS ritobrotobanerjee westbengalassembly

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


বিধানসভায় অলিন্দে চরম নাটক! সর্বদলীয় বৈঠকে ব্রাত্য শোভনদেব-কুণালরা, আমন্ত্রিত ‘বিদ্রোহী’ ঋতব্রতরা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: আগামী ১৮ জুন থেকে রাজ্যে শুরু হতে চলেছে হাইভোল্টেজ বাজেট অধিবেশন। কিন্তু সেই অধিবেশন শুরুর ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগেই মঙ্গলবার বিধানসভার সর্বদলীয় বৈঠককে কেন্দ্র করে ঘটে গেল এক নজিরবিহীন নাটক। ভোটে ঐতিহাসিক ভরাডুবির পর ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে যে ভাঙন ধরেছে, তা এবার আক্ষরিক অর্থেই আইনি ও সরকারি সিলমোহর পেতে শুরু করল। বিধানসভার কার্য উপদেষ্টা কমিটির এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ডাকই পেলেন না তৃণমূলের প্রবীণ নেতা তথা বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। উলটে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্পিকারের ঘরে রাজকীয় আমন্ত্রণ পেল তৃণমূলেরই ‘বিদ্রোহী’ শিবির, যা দেখে রাজনৈতিক মহলের স্পষ্ট মত—বাংলার বিধানসভায় বিরোধীদের ক্ষমতার ভরকেন্দ্রটাই এবার পুরোপুরি বদলে গেল।তৃণমূলের অন্দরে চলা নজিরবিহীন টানাপোড়েনের মাঝেই সম্প্রতি ৬৫ জন বিধায়ক দলনেত্রীর নির্দেশ অমান্য করে স্পিকারের কাছে নিজেদের আলাদা বিরোধী দল হিসেবে দাবি জানিয়েছিলেন। এবার সেই বিদ্রোহে ঘৃতাহুতি দিয়ে স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু বিদ্রোহী শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভার নতুন বিরোধী দলনেতার (Leader of Opposition) আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছেন। আর সেই সমীকরণ মেনেই এদিন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মতো প্রবীণদের কমিটির বৈঠক থেকে একপ্রকার ছেঁটে ফেলে সরাসরি ঋতব্রতদের আলোচনার টেবিলে বসানো হয়। এই সিদ্ধান্ত মূলত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী শিবিরের ওপর এক মস্ত বড় রাজনৈতিক ধাক্কা বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয় নিয়ে এবার চরম সংঘাতের পথে ‘দিদি’ মঙ্গলবারের এই মেগা বৈঠকে কেবল ঋতব্রত শিবিরের নেতারাই নন, উপস্থিত ছিলেন ভাঙড়ের আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি, রেজিনগরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এবং ডোমকলের একমাত্র বাম বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমানও। বিধানসভার অন্দরে সংখ্যার নিরিখে এই মুহূর্তে তৃণমূলের অফিসিয়াল শিবির যে কতটা কোণঠাসা ও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে, এই বৈঠকই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। স্পিকারের এই চরম পদক্ষেপের পর ১৮ জুন বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই বিধানসভার অন্দরে ‘আসল তৃণমূল’ বনাম ‘বিদ্রোহী তৃণমূল’-এর লড়াই কোন মারকুটে রূপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর গোটা রাজ্যের।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার