Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

প্রভিডেন্ট ফান্ডের ১৮০০ কোটি গায়েব! শিল্পপতি অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের এফআইআর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রভিডেন্ট ফান্ডের ১৮০০ কোটি গায়েব! শিল্পপতি অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের এফআইআর
অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে মামলা সিবিআইয়ের। ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের (EPFO) হাজার হাজার কোটি টাকা তছরুপ ও প্রতারণার অভিযোগে প্রখ্যাত শিল্পপতি অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের দেওয়া বিশেষ অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই দাবি করেছে যে, ইপিএফওর থেকে প্রায় ১৮১৬ কোটি টাকার বিপুল অর্থ জালিয়াতি এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটেছে। এই মেগা কেলেঙ্কারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই শিল্প মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, অন্যদিকে অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে আম্বানি শিবিরের তরফে।

তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে রিলায়েন্স ক্যাপিটালের ‘সিকিয়োর্ড নন-কনভার্টিবল ডিবেঞ্চার’-এ প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল পিএফ ট্রাস্ট। কিন্তু মেয়াদ শেষ হলেও সেই টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয় সংস্থাটি। পরবর্তীকালে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনালের (NCLT) নির্দেশে ২০২৪ সালে ১৪৯২ কোটি টাকা ফেরত পেলেও, আসল অর্থের ১০০৭ কোটি টাকা এবং সুদের আরও ৮০৯ কোটি টাকা অর্থাৎ সর্বমোট ১৮১৬ কোটি টাকা বকেয়া রয়ে যায়। এই বিপুল আর্থিক ক্ষতির কারণে ইতিমধ্যেই মামলাটি নিয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) তদন্ত শুরু করেছে এবং সেখানে একাধিক সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে খবর।

তবে সিবিআইয়ের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন অনিল আম্বানির মুখপাত্র। তাঁর বক্তব্য, যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মূলতঃ রিলায়েন্স ক্যাপিটাল লিমিটেডের বিরুদ্ধে এবং অনিল আম্বানি ২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ওই সংস্থার কেবল এক জন নন-এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর ছিলেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সমস্ত বোর্ড বাতিল করে সেখানে প্রশাসক বসায়। ফলে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থের জন্য অনিল আম্বানিকে জড়ানোর এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুল দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে তাঁর তরফে।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : AnilAmbani HiddenStoriesNews CBIFIR EPFOScam RelianceCapital BusinessNews HiddenStoriesNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


প্রভিডেন্ট ফান্ডের ১৮০০ কোটি গায়েব! শিল্পপতি অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের এফআইআর

প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের (EPFO) হাজার হাজার কোটি টাকা তছরুপ ও প্রতারণার অভিযোগে প্রখ্যাত শিল্পপতি অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের দেওয়া বিশেষ অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই দাবি করেছে যে, ইপিএফওর থেকে প্রায় ১৮১৬ কোটি টাকার বিপুল অর্থ জালিয়াতি এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটেছে। এই মেগা কেলেঙ্কারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই শিল্প মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, অন্যদিকে অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে আম্বানি শিবিরের তরফে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে রিলায়েন্স ক্যাপিটালের ‘সিকিয়োর্ড নন-কনভার্টিবল ডিবেঞ্চার’-এ প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল পিএফ ট্রাস্ট। কিন্তু মেয়াদ শেষ হলেও সেই টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয় সংস্থাটি। পরবর্তীকালে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনালের (NCLT) নির্দেশে ২০২৪ সালে ১৪৯২ কোটি টাকা ফেরত পেলেও, আসল অর্থের ১০০৭ কোটি টাকা এবং সুদের আরও ৮০৯ কোটি টাকা অর্থাৎ সর্বমোট ১৮১৬ কোটি টাকা বকেয়া রয়ে যায়। এই বিপুল আর্থিক ক্ষতির কারণে ইতিমধ্যেই মামলাটি নিয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) তদন্ত শুরু করেছে এবং সেখানে একাধিক সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে খবর।তবে সিবিআইয়ের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন অনিল আম্বানির মুখপাত্র। তাঁর বক্তব্য, যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মূলতঃ রিলায়েন্স ক্যাপিটাল লিমিটেডের বিরুদ্ধে এবং অনিল আম্বানি ২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ওই সংস্থার কেবল এক জন নন-এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর ছিলেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সমস্ত বোর্ড বাতিল করে সেখানে প্রশাসক বসায়। ফলে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থের জন্য অনিল আম্বানিকে জড়ানোর এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুল দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে তাঁর তরফে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত