Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

নেপালের হড়পা বানে আটকে মুকুল রায়ের পুত্রবধূ! বুধবার থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বাড়ছে উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
নেপালের হড়পা বানে আটকে মুকুল রায়ের পুত্রবধূ! বুধবার থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বাড়ছে উদ্বেগ
ছবি সংগৃহীত

কাঠমাণ্ডু: নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই বিপর্যয়ে ১৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরই মধ্যে নেপালে আটকে পড়েছেন কলকাতার ৩২ জন পর্যটক। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন প্রয়াত রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের একমাত্র পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। বুধবার থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় পড়েছেন পরিবারের সকলে।

পরিবার সূত্রে খবর, গত ২১ আগস্ট হাওড়া থেকে নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। মঙ্গলবার রাতেও শুভ্রাংশুর সঙ্গে শেষবার কথা হয় তাঁর। বিপর্যয়ের খবর পাওয়ার পর থেকেই স্ত্রীকে ফোন করার চেষ্টা করেন শুভ্রাংশু। কিন্তু কোনওভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এই মুহূর্তে শর্মিষ্ঠা কোথায় রয়েছেন তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় পরিবার। বুধবার সকাল থেকেই নেপালের চিন সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলায় আচমকা নদীর জলস্তর বাড়তে শুরু করে। এরপরই হড়পা বানে কার্যত ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসে। জলস্রোতের জেরে বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়। বিপর্যয়ের প্রভাব পড়েছে চিনের তিব্বতেও। 

হড়পা বানের কারণ নিয়েও একাধিক মত উঠে এসেছে। নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, রাসুয়ায় ভারী বৃষ্টির কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে, এমন সম্ভাবনা কম। ফলে তিব্বতের দিক থেকে জল নেমে আসার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে নেপালে আটকে পড়া ভারতীয় পর্যটকদের উদ্ধারে জোরকদমে চলছে অভিযান। 


বিষয় : landslide nepalflood indian tourist

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


নেপালের হড়পা বানে আটকে মুকুল রায়ের পুত্রবধূ! বুধবার থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বাড়ছে উদ্বেগ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কাঠমাণ্ডু: নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই বিপর্যয়ে ১৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরই মধ্যে নেপালে আটকে পড়েছেন কলকাতার ৩২ জন পর্যটক। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন প্রয়াত রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের একমাত্র পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। বুধবার থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় পড়েছেন পরিবারের সকলে।পরিবার সূত্রে খবর, গত ২১ আগস্ট হাওড়া থেকে নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। মঙ্গলবার রাতেও শুভ্রাংশুর সঙ্গে শেষবার কথা হয় তাঁর। বিপর্যয়ের খবর পাওয়ার পর থেকেই স্ত্রীকে ফোন করার চেষ্টা করেন শুভ্রাংশু। কিন্তু কোনওভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এই মুহূর্তে শর্মিষ্ঠা কোথায় রয়েছেন তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় পরিবার। বুধবার সকাল থেকেই নেপালের চিন সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলায় আচমকা নদীর জলস্তর বাড়তে শুরু করে। এরপরই হড়পা বানে কার্যত ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসে। জলস্রোতের জেরে বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়। বিপর্যয়ের প্রভাব পড়েছে চিনের তিব্বতেও। হড়পা বানের কারণ নিয়েও একাধিক মত উঠে এসেছে। নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, রাসুয়ায় ভারী বৃষ্টির কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে, এমন সম্ভাবনা কম। ফলে তিব্বতের দিক থেকে জল নেমে আসার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে নেপালে আটকে পড়া ভারতীয় পর্যটকদের উদ্ধারে জোরকদমে চলছে অভিযান। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত