Hidden Stories (বাংলা)

আর্কাইভ দেখুন

এখনই ভাঙছে না জেলের তালা! হাই কোর্টে আরও বড় বিপাকে সুজিত, সিংভির জোর সওয়ালেও মিলল না রেহাই

এখনই ভাঙছে না জেলের তালা! হাই কোর্টে আরও বড় বিপাকে সুজিত, সিংভির জোর সওয়ালেও মিলল না রেহাই

কলকাতা: পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গারদের ওপারে থাকা রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর জেলমুক্তি নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনায় জল ঢেলে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার জামিনের আবেদনের শুনানিতেও মিলল না কোনো অন্তর্বর্তী স্বস্তি। উল্টে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) পালটা যুক্তি দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে সময় চেয়ে নেওয়ায় প্রাক্তন মন্ত্রীর অস্বস্তি আরও বাড়ল। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত আগামী ২৯ জুনের মধ্যে ইডি-কে তাদের লিখিত জবাব দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে আপাতত সুজিতের ভাগ্য ঝুলেই রইল এবং আগামী ১ জুলাই দুপুর দুটোয় এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।এদিন হাই কোর্টে সুজিত বসুর পক্ষে সওয়াল করতে ময়দানে নামেন দেশের প্রখ্যাত আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। আদালতে তিনি ইডির দেওয়া গ্রেপ্তারি যুক্তিকে কার্যত নস্যাৎ করার চেষ্টা করেন। সিংভি দাবি করেন, ২০২৩ সালের এই মামলায় প্রায় সাড়ে তিন বছর সুজিত বসুকে কোনো জিজ্ঞাসাবাদই করা হয়নি। তাঁর মক্কেল একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি এবং দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান। ২০২৬ সালের মে মাসে আচমকা দু’বার তলব করে গত ১১ মে তাঁকে তড়িঘড়ি গ্রেপ্তার করা হয়, যা অত্যন্ত সন্দেহজনক এবং এই গ্রেপ্তারি প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই বড়সড় প্রশ্ন রয়েছে। তবে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী এর তীব্র বিরোধিতা করে মামলার পুঙ্খানুপুঙ্খ জবাব দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে সময় চেয়ে নেন।কারচুপি রুখতে নতুন নিয়ম, চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় ঘোষণাপুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির নজরে ছিলেন তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা। গত এপ্রিল মাসে বিধানসভা ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন থেকেই তাঁর কাছে একের পর এক হাজিরার নোটিস পাঠাতে শুরু করে ইডি। সেই সময় নির্বাচনী প্রচারের ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে সুজিত হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন এবং আদালতের রক্ষাকবচ মেলায় ভোট চলাকালীন হাজিরা এড়িয়ে যান। তবে বাংলায় ভোট মিটতেই সেই স্বস্তি উধাও হয়ে যায়। কয়েক দফায় ম্যারাথন জেরা এবং তাঁর বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালানোর পর, গত ১১ মে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের শেষে সুজিত বসুকে গ্রেপ্তার করে ইডি।তদন্তকারীদের দাবি, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ১০০-রও বেশি চাকরিপ্রার্থীর নাম সুপারিশ করেছিলেন এই প্রাক্তন মন্ত্রী। শুধু তাই নয়, এই বিপুল পরিমাণ নিয়োগের পেছনে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার। এই আর্থিক দুর্নীতির শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং সেই টাকা কার কার অ্যাকাউন্টে গেছে, তা নিশ্চিত করতে বর্তমানে সুজিত বসুর সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। জামিন না মেলায় আপাতত সুজিতের ঠিকানা সেই শ্রীঘরই থাকছে, যা শাসক শিবিরের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিল।


নবান্নর কড়া ফরমান! ২১ জুন কি ছুটি বাতিল? যোগ দিবসে সরকারি কর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক নির্দেশিকা জারি শুভেন্দু সরকারের

নবান্নর কড়া ফরমান! ২১ জুন কি ছুটি বাতিল? যোগ দিবসে সরকারি কর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক নির্দেশিকা জারি শুভেন্দু সরকারের

কলকাতা: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে ঘিরে এবার নজিরবিহীন তৎপরতা রাজ্যে। আগামী ২১ জুন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমস্ত স্তরের কর্মচারীদের জন্য যোগ দিবসে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করল নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, ওইদিন নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না থাকলে চলবে না। বিশেষত কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত মেগা ইভেন্টে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে যে অনুষ্ঠান হবে, তাকে সফল করতেই এই কড়া নির্দেশিকা জারি করেছেন মুখ্যসচিব। নবান্নর এই বিজ্ঞপ্তির পর থেকেই প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।মুখ্যসচিবের দফতর থেকে জারি করা নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, শুধু স্থায়ী কর্মীই নন, রাজ্য সরকারের সমস্ত অস্থায়ী, চুক্তিভিত্তিক, দৈনিক মজুরিভিত্তিক এবং আউটসোর্সড কর্মীদেরও ওইদিন কর্মসূচিতে যোগ দিতে হবে। এমনকি সাম্মানিকের বিনিময়ে যারা কাজ করেন, তারাও এই নির্দেশের আওতাভুক্ত। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ২১ জুন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৭টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত নির্দিষ্ট কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। সরকারি কর্মীদের নিজ নিজ দফতর, আবাসন কিংবা রেড রোড অথবা মিলন মেলা প্রাঙ্গনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শামিল হওয়ার জন্য কড়া নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মীদের ক্ষেত্রেও।আর নয় নীল-সাদা, বড়ঞায় গেরুয়া রঙে সরকারি দপ্তরএবারের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল আকর্ষণ তিলোত্তমা। ২০১৪ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জে ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই বিশ্বব্যাপী এই দিনটির গুরুত্ব বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই দিনটি পালন করেন। গত বছর তিনি বিশাখাপত্তনমে থাকলেও, ২০২৪ সালে কাশ্মীরের শ্রীনগরে ডাল লেকের ধারে যোগাভ্যাস করেছিলেন। তারও আগে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরে ইতিহাস গড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবার কলকাতার রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে একসাথে যোগাসন করতে দেখা যাবে, যা রাজনৈতিক ও সামাজিক— উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।রবিবারের ওই মেগা কর্মসূচির জন্য রেড রোডে সাজ সাজ রব। প্রশাসনের শীর্ষ স্তরের কর্তারা নির্দেশ দিয়েছেন, ওইদিন সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যেই হাজিরা নিশ্চিত করতে হবে। রেড রোডের পাশাপাশি মিলন মেলা প্রাঙ্গনেও বড় জমায়েতের সম্ভাবনা রয়েছে। নবান্নর এই সক্রিয়তা দেখে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, যোগ দিবসকে কেন্দ্র করে বাংলা থেকে এক বড় বার্তা দিতে চাইছে বর্তমান সরকার। তবে ছুটির মেজাজে থাকা সরকারি কর্মীদের একটি বড় অংশকে ওইদিন সকালেই ময়দানে নামতে হচ্ছে বলে সরকারি অন্দরে ফিসফাসও শুরু হয়েছে। আপাতত প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে গোটা শহরকে।


আদালতের নির্দেশ অমান্য? অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে পুলিশ

আদালতের নির্দেশ অমান্য? অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে পুলিশ

মেসি-সংক্রান্ত বিতর্কে দায়ের হওয়া মামলায় প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বিধাননগর পুলিশ।অভিযোগকারী শতদ্রু দত্তের আবেদনের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হওয়ার পর গত ৪ জুন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রথম নোটিস পাঠানো হয়। তবে নির্ধারিত দিনে হাজির না হয়ে তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ১৫ দিনের সময় চান বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অসুস্থতার পক্ষে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার কথা বলা হলেও সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। এরপর ৭ জুন পুলিশের একটি দল তাঁর বাসভবনে গিয়ে নতুন নোটিস দেয়। বাড়িতে কাউকে না পাওয়ায় দরজায় নোটিস টাঙিয়ে ৮ জুন থানায় উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।পুলিশের অভিযোগ, ৮ জুনও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হননি অরূপ বিশ্বাস। এরপর তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আইনি সুরক্ষা চাইলেও তাতে বিশেষ স্বস্তি মেলেনি। পরবর্তীতে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ আদালতের কাছে আবেদন জানালে আদালত নির্দেশ দেয়, নোটিস পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু সোমবারও সেই সময়সীমা অতিক্রম করার পর অরূপ বিশ্বাস তদন্তকারীদের সামনে হাজির হননি বলে দাবি পুলিশ সূত্রের। তদন্তকারী মহলের একাংশের মতে, আদালতের নির্দেশের পরও যদি সহযোগিতা না মেলে, তাহলে আইন অনুযায়ী আরও কঠোর পদক্ষেপের বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।


দিল্লি বিমানবন্দরে চরম অপমান! আড়াই ঘণ্টা আটকে থেকে মোক্ষম জবাব দিলেন তারেকের উপদেষ্টা, তোলপাড় দুই বাংলা

দিল্লি বিমানবন্দরে চরম অপমান! আড়াই ঘণ্টা আটকে থেকে মোক্ষম জবাব দিলেন তারেকের উপদেষ্টা, তোলপাড় দুই বাংলা

ঢাকা: কূটনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল ফেলে দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অন্যতম তথ্য-সম্প্রচার ও সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে। দিল্লিতে আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বৈঠকে যোগ দিতে এসে রবিবার সন্ধ্যায় ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিবাসন দফতরের আধিকারিকদের বাধার মুখে পড়েন তিনি। প্রায় আড়াই ঘণ্টা আটকে রাখার পর অবশেষে উপরমহলের নির্দেশে তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও, এই চরম অসম্মানের পর আর দিল্লিতে প্রবেশ করতে চাননি তিনি। ক্ষুব্ধ ও অপমানিত ঢাকার এই প্রতিনিধি তৎক্ষণাৎ শ্রীলঙ্কার কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। দুই দেশের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টার মাঝেই এই নজিরবিহীন ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছে কূটনৈতিক মহল।ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) সিনিয়র আধিকারিকদের কমিটির ২৮তম বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার কথা ছিল জাহেদ উর রহমানের। ঢাকার বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে, সমস্ত প্রোটোকল মেনে গত শুক্রবারই কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমে তাঁর আসার খবর ভারতের বিদেশ মন্ত্রককে জানানো হয়েছিল। এমনকি দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাও ব্যক্তিগতভাবে ভারতের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। এত কিছুর পরেও কেন কোনো কারণ ছাড়াই বিমানবন্দরে তাঁকে আড়াই ঘণ্টা আটকে রাখা হলো, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এখনও এই বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির বদলে চিটিজেন পার্টি বলে কটাক্ষ অধীরের ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের শাসনকাল পেরিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠন করে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। বিগত কিছু সময় ধরে দুই দেশের তলানিতে ঠেকা সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার যে চেষ্টা চলছিল, এই ঘটনা তাতে বড়সড় ধাক্কা দিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ভারতের মাটিতে বাংলাদেশি উচ্চপদস্থ প্রতিনিধির সঙ্গে এমন আচরণ এই প্রথম।এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই ঘটনাকে অত্যন্ত 'অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক' বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এবং বিস্তারিত তথ্য হাতে পাওয়ার পর আজ দিনের শেষেই সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা হবে। আচমকা ঘটে যাওয়া এই কূটনৈতিক সংঘাতের জল কতদূর গড়ায়, এখন সেটাই দেখার।


মোদী আসছেন রেড রোডে! টানা ৭ দিন স্তব্ধ কলকাতার প্রাণকেন্দ্র, জানুন কোন কোন রাস্তা এড়িয়ে চলবেন

মোদী আসছেন রেড রোডে! টানা ৭ দিন স্তব্ধ কলকাতার প্রাণকেন্দ্র, জানুন কোন কোন রাস্তা এড়িয়ে চলবেন

কলকাতা: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে কেন্দ্র করে কার্যত দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত হচ্ছে তিলোত্তমা। আগামী ২১ জুন কলকাতায় ঘটা করে পালিত হবে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস, আর সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শহরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং যোগ দিবসের বিশাল সমাবেশের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে আগামী রবিবার পর্যন্ত কলকাতার অন্যতম প্রধান সংযোগকারী রাস্তা রেড রোড সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে মঞ্চ তৈরির কাজ। ফলে যানজটের ভোগান্তি এড়াতে এখন থেকেই সতর্ক হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রবিবার রাত ১০টা থেকেই রেড রোডে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগামী রবিবার কর্মসূচি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। তবে শুধু রেড রোডই নয়, শনিবার রাত থেকেই শহরের একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যান চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হচ্ছে। এজেসি বোস রোড, মৌলালি মোড় এবং সেন্ট জর্জেস গেট রোড ধরে দক্ষিণমুখী পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলে বিধিনিষেধ থাকছে। এছাড়া স্ট্র্যান্ড রোড, সিআর অ্যাভিনিউ এবং জওহরলাল নেহরু রোডের মতো ব্যস্ত এলাকাগুলিতেও যান চলাচলের ওপর নজরদারি চালাবে পুলিশ।জনকল্যাণ শিবিরে পরিষেবা বিভ্রাট ঘিরে ক্ষোভরবিবার মেয়ো রোড সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ থাকলেও, কেবল স্টিকার লাগানো বিশেষ গাড়িগুলিই সেখান দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে। তবে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ডালহৌসি বা হাওড়ামুখী বাসগুলিকে বেলভেডিয়ার রোড ও এজেসি বোস রোড দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, হসপিটাল রোড, লাভার্স লেন, ক্যাসুরিনা অ্যাভিনিউ এবং আউটরাম রোডের মতো রাস্তাগুলি শনিবার রাত থেকেই সাধারণের ব্যবহারের জন্য বন্ধ করে দিচ্ছে ট্র্যাফিক পুলিশ। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ট্র্যাফিক পুলিশ যেকোনো মুহূর্তে ছোট রাস্তাগুলিতেও গাড়ি ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে জানানো হয়েছে।২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদীর উদ্যোগেই রাষ্ট্রপুঞ্জ ২১ জুন দিনটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। গতবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে যোগ দিলেও এবার তিলোত্তমাই হতে চলেছে মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। সব মিলিয়ে রবিবারের মেগা ইভেন্ট সফল করতে একদিকে যখন জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে নিত্যযাত্রীদের পকেটে এখন থেকেই বিকল্প রাস্তার মানচিত্র গুছিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে প্রশাসন।


 সোলার প্যানেল বসালেই ভর্তুকি, মাসে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের সুবিধা

সোলার প্যানেল বসালেই ভর্তুকি, মাসে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের সুবিধা

বর্ষার মরশুম শুরু হলেও গরমের দাপট এখনও কমেনি। ফলে বাড়িতে এসি, কুলার কিংবা ফ্যানের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের বিলও। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে কেন্দ্রের ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর বিদ্যুৎ যোজনা’। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ির ছাদ বা খোলা জায়গায় সোলার প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ মিলবে। এর ফলে একদিকে যেমন বিদ্যুতের খরচ কমবে, তেমনই নির্দিষ্ট শর্তে প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের সুবিধাও পাওয়া যাবে। পাশাপাশি সোলার প্যানেল বসানোর জন্য কেন্দ্রীয় ভর্তুকিও দেওয়া হবে।সোমবার এই প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, আর্থিকভাবে দুর্বল এবং বিদ্যুতের বিল দিতে সমস্যায় পড়া পরিবারগুলির জন্য এই প্রকল্প বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে। রাজ্যের মানুষ যাতে সহজেই এই সুবিধা পান, সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, ১ কিলোওয়াট ক্ষমতার সোলার ইউনিটের জন্য ৩০ হাজার টাকা, ২ কিলোওয়াটের জন্য ৬০ হাজার টাকা এবং ৩ কিলোওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পাওয়া যাবে। এই টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।আবেদন করতে চাইলে অনলাইনে সরকারি পোর্টালে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করা যাবে। মোবাইল নম্বর, ঠিকানা, বিদ্যুৎ সংযোগের তথ্য-সহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। এছাড়াও রাজ্যজুড়ে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবির থেকেও এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করা যাবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, একবার সোলার প্যানেল বসানো হলে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুতের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। ফলে পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার যেমন বাড়বে, তেমনই সাধারণ মানুষের মাসিক খরচও অনেকটাই কমবে।


বাবা-মায়ের ক্ষমতা ও পদের দাপট! ঠিকাদারদের ভয় দেখিয়ে ৩৯ লক্ষের তোলাবাজি, কলকাতা থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতার ছেলে!

বাবা-মায়ের ক্ষমতা ও পদের দাপট! ঠিকাদারদের ভয় দেখিয়ে ৩৯ লক্ষের তোলাবাজি, কলকাতা থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতার ছেলে!

কলকাতা ও বাঁকুড়া: বাবা ও মায়ের হাইপ্রোফাইল রাজনৈতিক পরিচয় এবং সরকারি পদকে ভাঙিয়ে দিনের পর দিন রাজকীয় কায়দায় তোলাবাজি চালানোর অভিযোগে অবশেষে শ্রীঘরে ঠাঁই হলো এক প্রভাবশালী যুবকের। বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায় এবং তৃণমূলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তারাশঙ্কর রায়ের পুত্র অনিন্দ্য রায়কে রবিবার রাতে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাঁকুড়ার তালড্যাংরা থানায় তাঁর বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা আদায়, ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই পুলিশ এই গোপন অভিযান চালায়। সোমবার ধৃত অনিন্দ্যকে খাতড়া মহকুমা আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক তাঁকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার তালড্যাংরার শ্যামসুন্দরপুর গ্রামের বাসিন্দা তথা সরকারি ঠিকাদার শান্তনু মণ্ডল থানায় হাজির হয়ে অনিন্দ্য রায়ের বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারীর দাবি, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ করার অপরাধে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত অনিন্দ্য ও তাঁর দলবলকে দফায় দফায় মোট ৩৯ লক্ষ টাকা তোলা দিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। "অভিষেকের নীতিই টিএমসি-র বিদায় ঘণ্টা বাজিয়েছে!" সম্প্রতি তাঁর কাছে আরও বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করা হলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন, যার পর থেকেই তাঁকে ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হতে থাকে। ঠিকাদারের অভিযোগ, বাবা-মায়ের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ঢাল বানিয়ে বাঁকুড়ার বহু সরকারি ঠিকাদারের কাছ থেকেই এভাবেই লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন অনিন্দ্য। অন্যদিকে, ধৃতের আইনজীবী চঞ্চল রায় আদালতে দাবি করেছেন যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এই মামলা সাজানো হয়েছে। তাঁর সওয়াল, রাজ্যে পালাবদলের আগে ভয়ের কারণে অভিযোগ জানাতে পারেননি বলে দাবি করছেন ঠিকাদার, তাই এখনও তিনি কোনও নতুন রাজনৈতিক ভয়ের বশবর্তী হয়ে এই অভিযোগ করছেন কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার। তবে এই হাইপ্রোফাইল গ্রেফতারে জেলা রাজনীতিতে জোর তোলপাড় শুরু হয়েছে।


কলকাতা দখলের লড়াই শুরু! আগামী ৬ মাসের মধ্যেই পুরভোটের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা দখলের লড়াই শুরু! আগামী ৬ মাসের মধ্যেই পুরভোটের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচন আগামী ছয় মাসের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি জানান, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে দ্রুত নির্বাচন করানোই সরকারের লক্ষ্য।এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'কলকাতায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস করে ৬ মাসের মধ্যে ভোট হবে। ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা পুরসভায় নতুন বোর্ড। আগামী ৬ মাসের মধ্যে কলকাতা পুরসভায় ভোট হবে। রাজ্য সরকার বাধ্য হয়েছে পুরসভায় প্রশাসক বসাতে। প্রশাসককে সহযোগিতা করার দায়িত্ব আপনাদের। পুরসভার কাজ কোনও অবস্থায় বন্ধ রাখা যায় না।' সম্প্রতি কলকাতা পুরসভার নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। দীর্ঘ ১৬ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কলকাতার নাগরিক পরিষেবাকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে প্রশাসনিক সংস্কার শুরু হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর আগামী ছয় মাসের মধ্যেই পুরভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।শুভেন্দু জানান, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কলকাতা পুরসভায় উপস্থিত থাকতে পেরে তিনি গর্বিত। একইসঙ্গে এই দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আগামী বিশ্ব যোগ দিবস কলকাতা পুরসভা প্রাঙ্গণে পালিত হবে। গণতন্ত্রে মানুষের মতামতই শেষ কথা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী জানান, ১৮ জুন তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রে থাকবেন এবং ১৯ জুন স্বচ্ছতার বার্তা দিতে একটি হাফ ম্যারাথনে অংশ নেবেন। দলীয় বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে উন্নয়নের লক্ষ্যে কলকাতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


ঘুষের ভাগাভাগি নিয়ে চরম লড়াই, বারংবার উঠে এল অভিষেকের নাম! ১৫ মিনিটের গোপন অডিও কি ইডির তুরুপের তাস?

ঘুষের ভাগাভাগি নিয়ে চরম লড়াই, বারংবার উঠে এল অভিষেকের নাম! ১৫ মিনিটের গোপন অডিও কি ইডির তুরুপের তাস?

কলকাতা: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার এক বিস্ফোরক মোড়! সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি-র ম্যারাথন জেরার মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, আর এই জিজ্ঞাসাবাদের কেন্দ্রে রয়েছে একটি চাঞ্চল্যকর অডিও রেকর্ডিং। ইডি সূত্রে খবর, তাঁদের হাতে আসা ১৫ মিনিটের একটি অডিও ক্লিপই এখন এই তদন্তের ‘তুরুপের তাস’। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তৃতীয় অতিরিক্ত চার্জশিটে এই অডিওর বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে ‘কালীঘাটের কাকু’ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বেহালার বাড়িতে একটি বিশেষ বৈঠক হয়েছিল, যেখানে উপস্থিত ছিলেন কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই চাকরি বিক্রির কয়েক কোটি টাকার ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে তিনজনের মধ্যে তীব্র ঝগড়া ও বাদানুবাদ হয়। আর সেই কথোপকথনের মধ্যেই একাধিকবার উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম, যা এখন ইডি-র আতশকাঁচের তলায়।অডিও ক্লিপটিতে শোনা গিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘুষের বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য ১৫ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ‘কালীঘাটের কাকু’ চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা তোলার পরিকল্পনা করেছিলেন, যার মধ্যে ২০ কোটি টাকা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে দেওয়ার কথা ছিল। এই বিপুল টাকা তোলার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কুন্তল ও শান্তনুকে। রুটি আর লবণে মোদীকে বরণ! ৩৩ বছর পর বিদেশের মাটিতে তৈরি হলো ইতিহাস, কেন এত উন্মাদনা?ইতিমধ্যেই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা ভিনরাজ্যে পাঠিয়ে এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেছে ইডি। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য হলো, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে এই ঝগড়া বা টাকার ভাগাভাগির কোনও সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা। সোমবার সকালেই সল্টলেকের ইডি দফতরে অভিষেক পৌঁছে যাওয়ার পর থেকে এই অডিও ক্লিপ শুনিয়েই তাঁকে একের পর এক তীক্ষ্ণ প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে খবর। নিয়োগ দুর্নীতির এই জটিল জালে অডিও রহস্য শেষ পর্যন্ত কোন রাঘববোয়ালদের টেনে আনে, সেটাই এখন দেখার।


কাকলিদের নতুন ‘ভরসা’ এই দম্পতি! ব্যাংকে কত টাকা, কোথায় অফিস? এনসিপিআই-এর সম্পত্তির খতিয়ান দেখে চোখ কপালে রাজনৈতিক মহলের!

কাকলিদের নতুন ‘ভরসা’ এই দম্পতি! ব্যাংকে কত টাকা, কোথায় অফিস? এনসিপিআই-এর সম্পত্তির খতিয়ান দেখে চোখ কপালে রাজনৈতিক মহলের!

হাওড়া ও কলকাতা: তৃণমূলের ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের নয়া আশ্রয়স্থল ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ বা এনসিপিআই-কে ঘিরে নিত্যনতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। হাওড়ার সাঁক্রাইলের হাটগাছা বাণীপুরের মাটির পথ ধরে কিছুটা এগোলে চোখে পড়ে পাঁচিলঘেরা সবুজ রঙের একটি দোতলা বাড়ি, যার নাম ‘জাগো বিশ্ব’। এই বাড়ির বড় লোহার দরজার দু’পাশে লেখা রয়েছে দুই বাসিন্দার নাম— উত্তীয় কুণ্ডু ও শিউলি কুণ্ডু। হরমুজ খুললে স্বস্তি পাবে বিশ্ব অর্থনীতিউত্তীয়বাবু স্থানীয় একটি সংবাদপত্রের প্রকাশক এবং তাঁর স্ত্রী শিউলিদেবী কলকাতা হাই কোর্টের আইনজীবী। আপাতদৃষ্টিতে শান্ত এই দম্পতির বাড়িটিই এখন রাজ্য রাজনীতির সবচেয়ে বড় উপকেন্দ্র, কারণ এটিই হলো কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের ভরসা করা সেই এনসিপিআই-এর আসল সদর দপ্তর। অথচ স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই বাড়িটিতে আগে একটি অনাথ শিশুদের হোম চলত, যা বছর সাতেক আগে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ২০২৩ সালে এই রাজনৈতিক দলটির অফিস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে সেখানে কিছু মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজ করেন এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনও চিহ্নই সেখানে সচরাচর দেখা যায় না।আচমকা লাইমলাইটে আসা এই দলটির সম্পত্তির পরিমাণ এবং রাজনৈতিক ইতিহাসও অত্যন্ত চমকপ্রদ। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অস্তিত্বহীন এই দলটির তহবিলে মাত্র ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা অনুদান রয়েছে। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই বাড়িরই এক আবাসিক ভোটে দাঁড়ালেও কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি। এমনকি ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে লড়েও খাতা খুলতে পারেনি এই দল। বর্তমানে দলের সভানেত্রী পদ থেকে শিউলি কুণ্ডু পদত্যাগ করলেও তাঁর স্বামী উত্তীয় কুণ্ডু এখনও কোষাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন। তবে সবচেয়ে বড় টুইস্টটি দিয়েছেন দলের বর্তমান সর্বভারতীয় সভাপতি শান্তনু দে, যিনি নিজে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, “আমি একজন বিজেপি সমর্থক, তাই দেশের স্বার্থে যা করার তাই করব।” রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের এক চরম ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ রাতারাতি তৃণমূলের ২০ জন সাংসদকে নিজেদের পালে টেনে নিয়েছে এই এনসিপিআই। দলটির সভাপতি মোদির নীতিতে বিশ্বাসী হওয়ায় এবং ত্রিপুরার অন্য হেভিওয়েট নেতারা এই যোগদানকে স্বাগত জানানোয়, আগামী দিনে দিল্লির সংসদে এই দলটিকে হাতিয়ার করে বিজেপি কোনও নতুন চাল চালে কি না, সেটাই এখন দেখার।


 হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ার আশায় স্বস্তি, পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ও বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতার বার্তা ভারতের

হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ার আশায় স্বস্তি, পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ও বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতার বার্তা ভারতের

প্রায় ১০০ দিনের সংঘাতের পর অবশেষে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ থামার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং শীঘ্রই স্বাভাবিক হতে পারে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীর জাহাজ চলাচল। সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে হওয়া শান্তি সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক্স হ্যান্ডেলে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তিনি। এই দীর্ঘ সংঘাতের প্রভাব পড়েছিল ভারতেও। হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। এর জেরে পেট্রল-ডিজেল, সিএনজি এবং রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পরিবহণ ব্যবস্থাতেও।যুদ্ধ চলাকালীন ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। সাম্প্রতিক এক হামলায় প্রাণ হারান কয়েকজন ভারতীয় নাবিক। ফলে এই সংঘাতের প্রভাব সরাসরি অনুভব করেছে ভারতও।এই পরিস্থিতিতে শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ট্রাম্পের ঘোষণার পরেই এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লেখেন, ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ থামাতে রাজি হয়েছে ইরান এবং আমেরিকা। আমি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। এই যুদ্ধের জেরে গোটা বিশ্বে আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে, মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ভারত আশা করে, এই চুক্তি শান্তি এবং স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনবে। সমুদ্রপথে চলাচল এবং বাণিজ্যের স্বাধীনতা আসবে। আশা করি যাবতীয় সমস্যা মেটানো হবে আগামী দিনে।’ 


বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের নথি ঘিরে বিতর্ক, বিধানসভায় গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ সিআইডির

বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের নথি ঘিরে বিতর্ক, বিধানসভায় গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ সিআইডির

সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দু’দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক বিধায়ক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বয়ানও রেকর্ড করেছেন তদন্তকারীরা। এমনকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় পাওয়া কিছু বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। সেই সূত্র ধরেই সোমবার বিধানসভায় পৌঁছয় সিআইডির একটি দল। মূলত বিতর্কিত রেজোলিউশন সংক্রান্ত নথি ও তথ্য সংগ্রহ করতেই তদন্তকারীরা স্পিকারের সচিবালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে ওই নথির খোঁজে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তবে সেখানে কাঙ্ক্ষিত নথি মেলেনি। পরবর্তীতে তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও রেজোলিউশনের কপি সংক্রান্ত প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মেলেনি বলে সূত্রের দাবি।তদন্তকারীদের অনুমান, এই নথিই সই জালিয়াতি মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে। তাই ঘটনার শুরু থেকে নথি জমা পড়ার প্রক্রিয়া পর্যন্ত সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে আরও নতুন তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম পুরোপুরি ব্যান! অস্ট্রেলিয়ার পর এবার কঠিন সিদ্ধান্ত নিল এই শক্তিশালী দেশ!

১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম পুরোপুরি ব্যান! অস্ট্রেলিয়ার পর এবার কঠিন সিদ্ধান্ত নিল এই শক্তিশালী দেশ!

লন্ডন: কচিকাঁচাদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে এবার এক ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল ব্রিটিশ সরকার। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে গত বছরের ডিসেম্বরে অনূর্ধ্ব-১৬ কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশাল মিডিয়া ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া সেই পথ অনুসরণ করার পর, এবার বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে একই চরম পদক্ষেপ নিল ব্রিটেন। আসানসোলে বেআইনি দখলদারির বিরুদ্ধে পুরসভার বুলডোজার অভিযানব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার স্পষ্ট জানিয়েছেন, শিশুকল্যাণ এবং নাবালকদের অনলাইন দুনিয়ার অন্ধকার দিক থেকে দূরে রাখতেই এই কঠোর আইন আনা হচ্ছে। ব্রিটিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত তিন মাস ধরে সোশাল মিডিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব এবং শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণের পরেই এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী মাসেই এই সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা ও পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রকাশ করবে ব্রিটেন সরকার।বিবিসি সূত্রে খবর, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, রেডিট, টুইচ, এক্স (টুইটার), থ্রেডস এবং কিক— এই ১০টি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে ব্রিটেন। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, শিশুদের সুরক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে যেতে চলেছে ব্রিটিশ প্রশাসন। কেবল অ্যাকাউন্ট খোলাই নয়, নিরাপদ বলে বিবেচিত প্ল্যাটফর্মগুলিতেও শিশুদের জন্য লাইভস্ট্রিমিং সম্পূর্ণ বন্ধ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন গেমিং অ্যাপে অপরিচিতদের সঙ্গে চ্যাটিং বা যোগাযোগের সুযোগও পুরোপুরি খর্ব করা হবে। এমনকি, শিশুদের জন্য একটি নির্দিষ্ট ‘সোশাল মিডিয়া কার্ফু’ জারি করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ব্যবহারের ওপরেও কঠোর সীমাবদ্ধতা আনা হতে পারে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায় এই আইন অমান্য করলে সোশাল মিডিয়া সংস্থাগুলির জন্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকারও বেশি জরিমানার বিধান রয়েছে। ব্রিটেনের এই নতুন ও কড়া পদক্ষেপের পর বিশ্বজুড়ে সোশাল মিডিয়ার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।


১৮ ঘণ্টা আগেও হাসিমুখে নাচ, তার পরেই সব শেষ! সুশান্তের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনেই ‘কুমকুম ভাগ্য’ খ্যাত অভিনেত্রীর চরম সিদ্ধান্ত!

১৮ ঘণ্টা আগেও হাসিমুখে নাচ, তার পরেই সব শেষ! সুশান্তের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনেই ‘কুমকুম ভাগ্য’ খ্যাত অভিনেত্রীর চরম সিদ্ধান্ত!

মুম্বই: হিন্দি টেলিভিশনের দুনিয়ায় ফের এক বড়সড় নক্ষত্রপতন ও মর্মান্তিক বিপর্যয় ঘটল। ‘কুমকুম ভাগ্য’ এবং ‘ওয়াগলে কি দুনিয়া’-র মতো অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিকের অতি পরিচিত মুখ, ৩০ বছর বয়সী অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগলে প্রয়াত হয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, অভিনেত্রী নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ার চরম পথ বেছে নিয়েছেন।এনসিপিআই কে স্বীকৃতি মিলবে কি না, সিদ্ধান্ত স্পিকারের : দিলীপ ঘোষ  রবিবার যখন গোটা দেশ বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের রহস্যমৃত্যুর ছয় বছর পূর্তি উপলক্ষে শোকস্তব্ধ ছিল, ঠিক তখনই ছোটপর্দার আর এক উজ্জ্বল তারকার এই অকালপ্রয়াণের খবর বিনোদন জগতে গভীর শোকের ছায়া ফেলে দিয়েছে। সঞ্চিতার এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক পরিণতিতে তাঁর পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অনুগামীরা সম্পূর্ণ স্তব্ধ ও ভেঙে পড়েছেন। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে আত্মহত্যার কথা বলা হচ্ছে, তবুও তাঁর এই মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি।ছোটপর্দায় সফল অভিনয়ের পাশাপাশি বলিউডেও নিজের মাটি শক্ত করছিলেন সঞ্চিতা। সম্প্রতি ভিকি কৌশল অভিনীত বহুপ্রতীক্ষিত ‘ছাওয়া’ ছবিতেও তারাবাইয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। কেরিয়ারে যখন পর পর বেশ কিছু ভালো কাজ আসছিল, তখন কেন তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিনোদন মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মৃত্যুর মাত্র ১৮ ঘণ্টা আগে সমাজমাধ্যমে তাঁর দেওয়া শেষ পোস্টটি এখন অনুরাগীদের চোখ জল এনে দিচ্ছে।জনকল্যাণে একগুচ্ছ ঘোষণা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শনিবারই একটি হাসিখুশি রিল ভিডিও পোস্ট করেছিলেন সঞ্চিতা, যেখানে একটি প্রাণবন্ত গানের সঙ্গে তাঁকে মনের আনন্দে নাচতে দেখা গিয়েছিল। উল্লেখ্য, গত বছর যখন নেটপ্রভাবী মিশা অগ্রবালের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল, তখন তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্য ও অবসাদ নিয়ে প্রকাশ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন খোদ সঞ্চিতাই। অথচ আজ সেই সচেতনতা বার্তার প্রবক্তাই মাত্র ৩০ বছর বয়সে নিজে চলে গেলেন ওপারে, যা আরও একবার গ্ল্যামার দুনিয়ার ভেতরের একাকীত্ব ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেই বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।


পুরসভার মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী, সামনের সারিতে মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী! শুরু রাজনৈতিক চর্চা

পুরসভার মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী, সামনের সারিতে মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী! শুরু রাজনৈতিক চর্চা

কলকাতা পুরসভার এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতির পাশাপাশি নজর কেড়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৌদি কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সোমবার কলকাতা পুরসভার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তাঁকে সামনের সারিতে দেখা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে কাজরী বললেন, ‘‘কাউন্সিলর হিসেবে যেটুকু সময়ে মেয়াদ বাকি আছে, সেই সময়টায় কাজ যাতে ভালোভাবে হয়, তার জন্য আমাদের ডাকা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের ডেকেছেন, ভালো লাগছে।” যদিও কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিকে ঘিরে কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তৃণমূলের অন্দরে চলা টানাপোড়েনের আবহে ঘটনাটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।উল্লেখ্য, কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক পরিসরের পরিচিত মুখ। অতীতে কলকাতা পুরসভার নির্বাচনেও তাঁর নাম রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় এসেছিল। ফলে এই অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল বাড়িয়েছে।শুধু কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন, কলকাতা পুরসভায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম সরকারি কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক কাউন্সিলরও। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দেবাশিস কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, অসীম বসু এবং জুঁই বিশ্বাসের মতো জনপ্রতিনিধিরা। উপস্থিত কাউন্সিলরদের বক্তব্য, এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত পরিকল্পনা ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনা শোনা এবং কাজের বিষয়ে আলোচনা করা। তাঁদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও জনস্বার্থমূলক কর্মসূচি, এর সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও বার্তা বা সমীকরণের সম্পর্ক নেই।


মৌনীর ক্ষতবিক্ষত মনের একমাত্র মলম কি তবে দিশা? বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন

মৌনীর ক্ষতবিক্ষত মনের একমাত্র মলম কি তবে দিশা? বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন

২০২২ সালের গোড়ার দিকে গোয়ার সমুদ্রসৈকতে ধুমধাম করে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন মৌনী রায় ও সুরজ নাম্বিয়ার। বাঙালি এবং দক্ষিণ ভারতীয়— দুই রীতিনীতি মেনে হওয়া সেই রূপকথার বিয়ে দেখে আপ্লুত হয়েছিলেন ভক্তরা। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মাথাতেই তাঁদের সম্পর্কের ফাটল ধরতে শুরু করে।ব্যবসায়িক সূত্রে সুরজ থাকতেন দুবাইতে আর মৌনী নিজের ক্যারিয়ারের জন্য মুম্বইয়ে। এই দূরত্বের কারণেই হোক কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তিগত কারণে— দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের আলাদা থাকা এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকে হঠাৎ সুরজের সব ছবি মুছে ফেলা নিয়ে বলিপাড়ায় ফিসফাস চলছিল। অবশেষে ডিভোর্সের চূড়ান্ত সিলমোহরে সেই আশঙ্কাই সত্যি প্রমাণিত হয়। কাকতালীয় বিষয় হল, একদিকে যখন টাইগার শ্রফের সঙ্গে ব্রেক-আপের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন দিশা পাটানি, তখন তাঁর হাত শক্ত করে ধরেছিলেন মৌনী। আর আজ যখন মৌনী নিজের জীবনের সবচেয়ে কঠিন বৈবাহিক বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তখন তাঁর পাশে ‘রক সলিড সাপোর্ট’ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এই দিশা পাটানিই!জিম সেশন, মাঝরাতের ডিনার ডেট থেকে শুরু করে ফরেন ভ্যাকেশন— গত কয়েক মাস ধরে দুজনের এই সীমাহীন ঘনিষ্ঠতাই জন্ম দিয়েছিল এক গুঞ্জনের। নেটপাড়ায় অনেকেই ঠাট্টা করে বলতেন, তাঁরা একে অপরের প্রেমে পড়েছেন। নবান্নের মেগা ঘোষণায় তোলপাড় রাজ্য, আপনার এলাকায় কবে শিবির? এর মাঝেই এক সাক্ষাৎকারে মৌনী ও দিশাকে তাঁদের এই অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন ট্রোলারদের মুখ বন্ধ করতে মৌনী ক্যামেরার সামনে হাসতে হাসতে বলেছিলেন, “হ্যাঁ, আমি সমকামী! আমি দিশার প্রেমে পাগল।”তখন সবাই ভেবেছিল ডিভোর্সের গুঞ্জন ধামাচাপা দিতে এবং ট্রোলারদের বোল্ড আউট করতে মৌনী স্রেফ হিউমার বা রসিকতার আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু আজ যখন জানা গেল মৌনী সত্যিই সিঙ্গল এবং ডিভোর্সড, তখন নেটিজেনদের একাংশের মনে নতুন প্রশ্ন জাগছে— সেই রসিকতা কি আসলে এক চরম একাকীত্ব থেকে আসা সত্যি ছিল? নাকি এই কঠিন সময়ে কেবল একজন প্রকৃত বন্ধুই দিশার মাঝে খুঁজে পেয়েছেন মৌনী? উত্তর যাই হোক, বলিপাড়ার গসিপ ম্যাগাজিনগুলো কিন্তু এখন এই দুই সুন্দরীর রসায়নেই বুঁদ হয়ে আছে।


দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার