কলকাতা: রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পরেই মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে নিখরচা সফরের বড়সড় উপহার দিয়েছিল নতুন সরকার। যার জেরে দিঘা থেকে দার্জিলিং কিংবা ঘরের কাছের ছোটখাটো সফর— সর্বত্রই বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ পাচ্ছিলেন মহিলারা। এতদিন বাসে উঠলেই কন্ডাক্টরের তরফ থেকে দেওয়া হচ্ছিল ‘জিরো ভ্যালু টিকিট’। তবে এবার সেই নিয়মে আসতে চলেছে বড় বদল। প্রশাসন সূত্রে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বিনামূল্যে সফরের এই সুবিধা বজায় রাখতে গেলে এবার মহিলাদের বাধ্যতামূলকভাবে সংগ্রহ করতে হবে ‘পিংক কার্ড’। এই কার্ড না থাকলে আগামী দিনে আর সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত করা যাবে না। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘোষণার পর কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে।ডিজিটাল মাধ্যমের সুবিধা নিয়ে এই পিংক কার্ডের জন্য মহিলারা ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য প্রথমেই আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে পিংক কার্ডের জন্য নির্দিষ্ট লিঙ্কে ক্লিক করে নিজের নাম ও সচল মোবাইল নম্বর দিয়ে প্রাথমিক রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট ফর্মে নিজের যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করার পর প্রয়োজনীয় নথিগুলি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে স্ক্রিনে একটি রিসিট বা প্রাপ্তিস্বীকার পত্র দেখা যাবে, যা ভবিষ্যতের রেফারেন্সের জন্য যত্ন সহকারে প্রিন্ট করে বা ফোনে সেভ করে নিজের কাছে রেখে দিতে হবে।এই বিশেষ কার্ড পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে বেশ কিছু জরুরি নথিপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। যার মধ্যে অন্যতম হলো আবেদনকারীর আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার শংসাপত্র, পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর। অন্যদিকে, যাঁরা অনলাইন মাধ্যমে আবেদন করতে স্বচ্ছন্দ নন, তাঁদের জন্য অফলাইন আবেদনের সুব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের নিকটবর্তী বিডিও অফিসে এবং পুরসভা এলাকার বাসিন্দারা স্থানীয় পৌরসভা কার্যালয়ে গিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম সংগ্রহ করে, তা পূরণ করে যাবতীয় নথির জেরক্স সমেত জমা দিতে পারবেন। এরপর সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দ্বারা ভেরিফিকেশন বা সত্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হলেই আবেদনকারী মহিলার হাতে তুলে দেওয়া হবে কাঙ্ক্ষিত পিংক কার্ড।[TECHTARANGA-POST:10541]হিডেন স্টোরিজ নিউজ
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার