Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

SRFTI News: শিক্ষাঙ্গনে নজিরবিহীন তাণ্ডব! এসআরএফটিআই-কাণ্ডে লালবাজারের গোয়েন্দাপ্রধানের নেতৃত্বে নামল সিট, ডেডলাইন বৃহস্পতিবার!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
SRFTI News: শিক্ষাঙ্গনে নজিরবিহীন তাণ্ডব! এসআরএফটিআই-কাণ্ডে লালবাজারের গোয়েন্দাপ্রধানের নেতৃত্বে নামল সিট, ডেডলাইন বৃহস্পতিবার!
এসআরএফটিআই-কাণ্ডে সিট গড়ল রাজ্য। ফাইল ছবি

কলকাতা: সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই)-এর নজিরবিহীন তাণ্ডব ও গোলমালের ঘটনায় অবশেষে কড়া আইনি পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। গোটা ঘটনার শিকড় ছুঁতে এ বার ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল বা 'সিট' গঠন করল নবান্ন। কলকাতার গোয়েন্দাপ্রধান কুণাল আগরওয়ালের কাঁধে সঁপে দেওয়া হয়েছে এই হাই-প্রোফাইল তদন্তের দায়িত্ব। স্বরাষ্ট্র দফতরের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই পঞ্চসায়র থানায় দায়ের হওয়া তিনটি এফআইআরের ওপর ভিত্তি করে দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে এই বিশেষ দল।

আগামী ১ অক্টোবর অর্থাৎ বৃহস্পতিবারের মধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে তদন্তের প্রথম রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কুণাল আগরওয়ালের নেতৃত্বে গঠিত এই সিটে গোয়েন্দা বিভাগের ডিসি স্পর্শ নীলাঙ্গী, সিআইডি-র ডিএসপি কৌশিক ঘোষ ছাড়াও রয়েছেন সলিল রায়, তুষারকান্তি ঘোষ ও হীরক দলপতির মতো কলকাতা পুলিশের বেশ কয়েক জন অভিজ্ঞ ও উচ্চপদস্থ আধিকারিক। নবান্ন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন পড়লে কলকাতা পুলিশ বা রাজ্য পুলিশের অন্য যে কোনও কর্মী বা আধিকারিককে নিজেদের দলে যুক্ত করার পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে সিটের।

রবিবার সকালে এসআরএফটিআই-এর প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত একটি সভাকে কেন্দ্র করেই ঘটনার সূত্রপাত। আরএসএস-এর শাখা সংগঠন 'অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত' কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে সভার আয়োজন করেছে বলে দাবি করলেও, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ে সরব হন পড়ুয়াদের একাংশ। কেন এমন একটি সংস্থাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হল ঘর ব্যবহার করতে দেওয়া হলো, তা নিয়ে রেজিস্ট্রারের ঘরের সামনে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। কিছুক্ষণের মধ্যেই দুই পক্ষের বাকবিতণ্ডা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এবং সংঘর্ষে রক্তাক্ত হন কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষক। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধর ও হামলার জোরালো অভিযোগ তুলেছে।

এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষাঙ্গনে হিংসার তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি বিবেকানন্দ ও ভারতমাতার ছবিতে আঘাত হানার তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বা মানসিকতার নামে এমন অপসংস্কৃতি বাংলায় বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক বার্তা দেন। এসআরএফটিআই-এর উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছিলেন শিক্ষক ও পড়ুয়াদের বড় অংশ। সেই আবহে সিট গঠন করে ১ অক্টোবরের মধ্যে রিপোর্ট চেয়ে নবান্নের এই চরম বার্তা রাজ্য রাজনীতি ও প্রশাসনিক মহলে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিষয় : WestBengalNews BreakingNewsKolkata HiddenStoriesNews KolkataPolice sitinvestigation kolkatadiaries EducationNewsBengal SRFTINews NabananNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


SRFTI News: শিক্ষাঙ্গনে নজিরবিহীন তাণ্ডব! এসআরএফটিআই-কাণ্ডে লালবাজারের গোয়েন্দাপ্রধানের নেতৃত্বে নামল সিট, ডেডলাইন বৃহস্পতিবার!

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই)-এর নজিরবিহীন তাণ্ডব ও গোলমালের ঘটনায় অবশেষে কড়া আইনি পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। গোটা ঘটনার শিকড় ছুঁতে এ বার ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল বা 'সিট' গঠন করল নবান্ন। কলকাতার গোয়েন্দাপ্রধান কুণাল আগরওয়ালের কাঁধে সঁপে দেওয়া হয়েছে এই হাই-প্রোফাইল তদন্তের দায়িত্ব। স্বরাষ্ট্র দফতরের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই পঞ্চসায়র থানায় দায়ের হওয়া তিনটি এফআইআরের ওপর ভিত্তি করে দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে এই বিশেষ দল।আগামী ১ অক্টোবর অর্থাৎ বৃহস্পতিবারের মধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে তদন্তের প্রথম রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কুণাল আগরওয়ালের নেতৃত্বে গঠিত এই সিটে গোয়েন্দা বিভাগের ডিসি স্পর্শ নীলাঙ্গী, সিআইডি-র ডিএসপি কৌশিক ঘোষ ছাড়াও রয়েছেন সলিল রায়, তুষারকান্তি ঘোষ ও হীরক দলপতির মতো কলকাতা পুলিশের বেশ কয়েক জন অভিজ্ঞ ও উচ্চপদস্থ আধিকারিক। নবান্ন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন পড়লে কলকাতা পুলিশ বা রাজ্য পুলিশের অন্য যে কোনও কর্মী বা আধিকারিককে নিজেদের দলে যুক্ত করার পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে সিটের।রবিবার সকালে এসআরএফটিআই-এর প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত একটি সভাকে কেন্দ্র করেই ঘটনার সূত্রপাত। আরএসএস-এর শাখা সংগঠন 'অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত' কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে সভার আয়োজন করেছে বলে দাবি করলেও, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ে সরব হন পড়ুয়াদের একাংশ। কেন এমন একটি সংস্থাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হল ঘর ব্যবহার করতে দেওয়া হলো, তা নিয়ে রেজিস্ট্রারের ঘরের সামনে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। কিছুক্ষণের মধ্যেই দুই পক্ষের বাকবিতণ্ডা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এবং সংঘর্ষে রক্তাক্ত হন কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষক। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধর ও হামলার জোরালো অভিযোগ তুলেছে।এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষাঙ্গনে হিংসার তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি বিবেকানন্দ ও ভারতমাতার ছবিতে আঘাত হানার তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বা মানসিকতার নামে এমন অপসংস্কৃতি বাংলায় বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক বার্তা দেন। এসআরএফটিআই-এর উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছিলেন শিক্ষক ও পড়ুয়াদের বড় অংশ। সেই আবহে সিট গঠন করে ১ অক্টোবরের মধ্যে রিপোর্ট চেয়ে নবান্নের এই চরম বার্তা রাজ্য রাজনীতি ও প্রশাসনিক মহলে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত