‘বিগ বস বাংলা’র অন্দরমহলে প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ। ঝগড়া, মান-অভিমান, বন্ধুত্ব সবকিছু নিয়েই যখন উন্মাদনা তুঙ্গে, সেই সময় ঘরে ছড়াল ভোটের উত্তাপ। তবে এটা বাইরের রাজনীতি নয়, বিগ বসের ঘরেই তৈরি করা হয়েছে রাজনৈতিক ময়দান। মূলত লাক্সারি বাজেটের টাস্ক ঘিরে দুটি দল ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। লড়াইয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন জীতু কামাল ও দুর্নিবার সাহা।
প্রতি সপ্তাহেই লাক্সারি বাজেট জেতার জন্য প্রতিযোগীদের নানা ধরনের টাস্ক দেওয়া হয়। এ সপ্তাহের বিষয় রাজনীতি। দুটি রাজনৈতিক দল তৈরি করা হয়েছে। একটি দলের প্রতীক হরিণ, অন্যটির প্রতীক পাখি। হরিণ দলের নেতা জীতু, আর পাখি দলের দায়িত্ব পেয়েছেন দুর্নিবার। দুই দলেই রয়েছেন তিন জন করে কর্মী। পাশাপাশি আমজনতার ভূমিকায় রয়েছেন প্রতিযোগীরা। আর ভোটপ্রক্রিয়ার দায়িত্বে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রয়েছেন ভরত কল। খেলার নিয়ম অনুযায়ী, নিজেদের পতাকা, স্লোগান এবং ইস্তাহার তৈরি করতে হবে। তারপর দুই দলকেই আমজনতার কাছে নিজেদের দলের বক্তব্য তুলে ধরতে হবে। ভোটারদের মন জয় করতে চলবে প্রচারও। ইতিমধ্যেই সেই প্রচারের ছবি সামনে এসেছে।
তবে প্রচারের মাঝে আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জীতুর দলের কর্মী রাজবীরের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন আমজনতার ভূমিকায় থাকা সৃজলা। নির্বাচন কমিশনার ভরত কল রাজবীরকে ভোটের কাজ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেন। এরপরই নতুন করে শুরু হয় গোলমাল। দুর্নিবার রাজবীরকে ‘গুণ্ডা’ বলে মন্তব্য করেন। তারপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। এরপর পাখি দলের কার্যালয় এবং কমিশনারের কার্যালয়ে ভাঙচুর করার পাশাপাশি তাঁদের পাজেলও লুকিয়ে ফেলেন রাজবীর। ফলে ভোটের টাস্ক ঘিরে মুহূর্তেই পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
বিষয় : Big Boss Bangla Reality Show

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন