Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Suvendu Adhikari: আকাশপথে মেগা বিপ্লব বাংলায়! তৈরি হচ্ছে আরও ৪টি নতুন বিমানবন্দর, আজই নবান্নে ঐতিহাসিক চুক্তি সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
Suvendu Adhikari: আকাশপথে মেগা বিপ্লব বাংলায়! তৈরি হচ্ছে আরও ৪টি নতুন বিমানবন্দর, আজই নবান্নে ঐতিহাসিক চুক্তি সই
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল চিত্র

কলকাতা: নতুন রাজ্য সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই রাজ্যের পরিকাঠামোয় এক অভূতপূর্ব জোয়ার। ডবল ইঞ্জিন সরকারের গতিতে এবার রাজ্যের আকাশপথে ঘটতে চলেছে এক বিশাল বিপ্লব। সমগ্র পশ্চিমবঙ্গকে বিমান যোগাযোগের মানচিত্রে শক্তিশালী করতে রাজ্যে তৈরি হতে চলেছে আরও চারটি নতুন বিমানবন্দর। আর এই ঐতিহাসিক লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ, সোমবার নবান্ন সভাঘরে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বা ‘মৌ’ স্বাক্ষর করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এই মেগা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী কিনজারাপু রামমোহন নাইডু।

রাজ্যে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরপরই উত্তর থেকে দক্ষিণ— সর্বত্র বিমান পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নেয় নতুন বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকার। পুরুলিয়ার ছররা, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট, আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা সিভিল এনক্লেভ এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের কালাইকুন্ডায় বিদ্যমান পরিকাঠামোকে নতুন রূপ দিয়ে বিমানবন্দর হিসেবে চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে বালুরঘাট বিমানবন্দর সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকও সেরেছেন। সরকারের এই সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ বাংলাজুড়ে দ্রুত যাতায়াতের পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পায়নকে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের রিজিওনাল কানেক্টিভিটি বা ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের অধীনেই এই চারটি বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া হবে। চুক্তি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রতিটি বিমানবন্দরের জন্য প্রয়োজনীয় জমি প্রদান, বিদ্যুৎ ও পানীয় জল সংযোগ, মূল সংযোগকারী সড়ক তৈরি এবং প্রাথমিক নিরাপত্তার সমস্ত দায়িত্ব সামলাবে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহন মন্ত্রক মূল টার্মিনাল ভবন ও রানওয়েসহ বাকি সমস্ত আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের অর্থ যোগাবে ও দেখভাল করবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের এই যৌথ উদ্যোগে তৈরি বিমানবন্দরগুলি থেকে ৭২ আসন বিশিষ্ট যাত্রীবাহী বিমান চলাচল শুরু করবে। যার ফলে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি ও সীমান্ত জেলাগুলির সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব এক লহমায় কমে যাবে। এর পাশাপাশি, নবান্নে আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে কলকাতা থেকে সরাসরি ইউরোপে বিমান চালুর পুরানো দাবিও নতুন করে পুনর্ব্যক্ত করা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। এক কথায়, রাজ্য ও কেন্দ্রের এই মেলবন্ধনে বাংলার আকাশপথের যে নতুন সূচনা হতে চলেছে, তা রাজ্যের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এক বিশাল পরিবর্তন আনবে।


বিষয় : NABANNA SuvenduAdhikari HiddenStoriesNews BengalDevelopment BengalAviation UdanScheme NewAirports

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


Suvendu Adhikari: আকাশপথে মেগা বিপ্লব বাংলায়! তৈরি হচ্ছে আরও ৪টি নতুন বিমানবন্দর, আজই নবান্নে ঐতিহাসিক চুক্তি সই

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: নতুন রাজ্য সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই রাজ্যের পরিকাঠামোয় এক অভূতপূর্ব জোয়ার। ডবল ইঞ্জিন সরকারের গতিতে এবার রাজ্যের আকাশপথে ঘটতে চলেছে এক বিশাল বিপ্লব। সমগ্র পশ্চিমবঙ্গকে বিমান যোগাযোগের মানচিত্রে শক্তিশালী করতে রাজ্যে তৈরি হতে চলেছে আরও চারটি নতুন বিমানবন্দর। আর এই ঐতিহাসিক লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ, সোমবার নবান্ন সভাঘরে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বা ‘মৌ’ স্বাক্ষর করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এই মেগা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী কিনজারাপু রামমোহন নাইডু।রাজ্যে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরপরই উত্তর থেকে দক্ষিণ— সর্বত্র বিমান পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নেয় নতুন বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকার। পুরুলিয়ার ছররা, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট, আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা সিভিল এনক্লেভ এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের কালাইকুন্ডায় বিদ্যমান পরিকাঠামোকে নতুন রূপ দিয়ে বিমানবন্দর হিসেবে চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে বালুরঘাট বিমানবন্দর সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকও সেরেছেন। সরকারের এই সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ বাংলাজুড়ে দ্রুত যাতায়াতের পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পায়নকে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের রিজিওনাল কানেক্টিভিটি বা ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের অধীনেই এই চারটি বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া হবে। চুক্তি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রতিটি বিমানবন্দরের জন্য প্রয়োজনীয় জমি প্রদান, বিদ্যুৎ ও পানীয় জল সংযোগ, মূল সংযোগকারী সড়ক তৈরি এবং প্রাথমিক নিরাপত্তার সমস্ত দায়িত্ব সামলাবে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহন মন্ত্রক মূল টার্মিনাল ভবন ও রানওয়েসহ বাকি সমস্ত আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের অর্থ যোগাবে ও দেখভাল করবে।প্রাথমিক পর্যায়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের এই যৌথ উদ্যোগে তৈরি বিমানবন্দরগুলি থেকে ৭২ আসন বিশিষ্ট যাত্রীবাহী বিমান চলাচল শুরু করবে। যার ফলে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি ও সীমান্ত জেলাগুলির সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব এক লহমায় কমে যাবে। এর পাশাপাশি, নবান্নে আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে কলকাতা থেকে সরাসরি ইউরোপে বিমান চালুর পুরানো দাবিও নতুন করে পুনর্ব্যক্ত করা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। এক কথায়, রাজ্য ও কেন্দ্রের এই মেলবন্ধনে বাংলার আকাশপথের যে নতুন সূচনা হতে চলেছে, তা রাজ্যের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এক বিশাল পরিবর্তন আনবে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত