Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

টলিউড অভিনেতার মৃত্যুর নেপথ্যে নামী প্রযোজনা সংস্থা? এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ মোদী সরকারের, কাঁপছে স্টুডিওপাড়া!

টলিউড অভিনেতার মৃত্যুর নেপথ্যে নামী প্রযোজনা সংস্থা? এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ মোদী সরকারের, কাঁপছে স্টুডিওপাড়া!
ছবি--প্রতীকী

কলকাতা: আউটডোরে শুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে সলিল সমাধি হয়েছিল জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। গত ২৯ মার্চ তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছুটা সময়। কিন্তু রাহুলের মৃত্যু নিয়ে দানা বাঁধা একাধিক রহস্যের জট আজও খোলেনি। 


শুটিং ইউনিটের সদস্যদের বয়ানের সঙ্গে পুলিশের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজের আকাশ-পাতাল অসঙ্গতি প্রথম থেকেই এই মৃত্যুকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। রাহুলের মৃত্যুর সুবিচারের দাবিতে এক মাস ধরে বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রিতে তীব্র ঝড় বয়ে গেলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ইস্যু অনেকটাই থিতিয়ে পড়েছিল। কিন্তু এবার এই হাইপ্রোফাইল মামলায় ঘটল এক অভাবনীয় মোড়। টলিউড অভিনেতার রহস্যমৃত্যুর তদন্তে এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ করল দিল্লির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর (PMO)। ওড়িশা সরকারকে এই বিষয়ে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছে মোদি সরকার, যা নিয়ে এই মুহূর্তে তোলপাড় শুরু হয়েছে স্টুডিওপাড়ায়।


রাহুলের মৃত্যুর ঠিক পরেই শুটিং সেটে তারকা ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে সরব হয়েছিল 'অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন' (AICWA)। সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করা এবং মৃতের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিল এই সর্বভারতীয় সংগঠন। টলিউডের এই ইস্যু ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে দেখে সম্প্রতি সংগঠনের সভাপতি সুরেশ শ্যামলাল গুপ্ত সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বারস্থ হন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা ও দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সর্বভারতীয় এই সিনে সংগঠনের স্পষ্ট অভিযোগ, ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়নি এবং একাধিক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখানোর জেরেই অকালে প্রাণ হারাতে হয়েছে টলিউডের এই প্রতিভাবান অভিনেতাকে।

বিশ্বকাপে কতটা প্রস্তুত আর্জেন্টিনা?


দুর্ঘটনার আসল সত্য সামনে আনতে এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে ইতিমধ্যেই একটি 'স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম' বা সিট (SIT) গঠনের দাবি তুলেছে অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন। শুধু তাই নয়, কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে নামী প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স’-কে। সংগঠনের তরফে এই সংস্থার কর্ণধার লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) ও ফৌজদারি মামলা রুজু করে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। তাঁদের সাফ কথা, নিরাপত্তা বিধি অমান্য করার চরম খেসারত দিতে হয়েছে রাহুলকে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ভবিষ্যতে যাতে কোনো শিল্পী বা টেকনিশিয়ানের সঙ্গে এমন মর্মান্তিক ঘটনা না ঘটে, তার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় সংগঠন। দিল্লির এই সরাসরি হস্তক্ষেপের পর ওড়িশা সরকার এখন কী পদক্ষেপ নেয় এবং টলিউডের এই প্রভাবশালী প্রযোজকদের ভবিষ্যৎ কী হয়, সেটাই এখন দেখার।

বিষয় : justiceforrahul rahularunadoybanerjee firagainstmagicmoments pmointervation bengalcinema

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


টলিউড অভিনেতার মৃত্যুর নেপথ্যে নামী প্রযোজনা সংস্থা? এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ মোদী সরকারের, কাঁপছে স্টুডিওপাড়া!

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: আউটডোরে শুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে সলিল সমাধি হয়েছিল জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। গত ২৯ মার্চ তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছুটা সময়। কিন্তু রাহুলের মৃত্যু নিয়ে দানা বাঁধা একাধিক রহস্যের জট আজও খোলেনি। শুটিং ইউনিটের সদস্যদের বয়ানের সঙ্গে পুলিশের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজের আকাশ-পাতাল অসঙ্গতি প্রথম থেকেই এই মৃত্যুকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। রাহুলের মৃত্যুর সুবিচারের দাবিতে এক মাস ধরে বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রিতে তীব্র ঝড় বয়ে গেলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ইস্যু অনেকটাই থিতিয়ে পড়েছিল। কিন্তু এবার এই হাইপ্রোফাইল মামলায় ঘটল এক অভাবনীয় মোড়। টলিউড অভিনেতার রহস্যমৃত্যুর তদন্তে এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ করল দিল্লির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর (PMO)। ওড়িশা সরকারকে এই বিষয়ে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছে মোদি সরকার, যা নিয়ে এই মুহূর্তে তোলপাড় শুরু হয়েছে স্টুডিওপাড়ায়।রাহুলের মৃত্যুর ঠিক পরেই শুটিং সেটে তারকা ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে সরব হয়েছিল 'অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন' (AICWA)। সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করা এবং মৃতের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিল এই সর্বভারতীয় সংগঠন। টলিউডের এই ইস্যু ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে দেখে সম্প্রতি সংগঠনের সভাপতি সুরেশ শ্যামলাল গুপ্ত সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বারস্থ হন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা ও দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সর্বভারতীয় এই সিনে সংগঠনের স্পষ্ট অভিযোগ, ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়নি এবং একাধিক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখানোর জেরেই অকালে প্রাণ হারাতে হয়েছে টলিউডের এই প্রতিভাবান অভিনেতাকে।বিশ্বকাপে কতটা প্রস্তুত আর্জেন্টিনা? দুর্ঘটনার আসল সত্য সামনে আনতে এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে ইতিমধ্যেই একটি 'স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম' বা সিট (SIT) গঠনের দাবি তুলেছে অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন। শুধু তাই নয়, কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে নামী প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স’-কে। সংগঠনের তরফে এই সংস্থার কর্ণধার লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) ও ফৌজদারি মামলা রুজু করে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। তাঁদের সাফ কথা, নিরাপত্তা বিধি অমান্য করার চরম খেসারত দিতে হয়েছে রাহুলকে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ভবিষ্যতে যাতে কোনো শিল্পী বা টেকনিশিয়ানের সঙ্গে এমন মর্মান্তিক ঘটনা না ঘটে, তার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় সংগঠন। দিল্লির এই সরাসরি হস্তক্ষেপের পর ওড়িশা সরকার এখন কী পদক্ষেপ নেয় এবং টলিউডের এই প্রভাবশালী প্রযোজকদের ভবিষ্যৎ কী হয়, সেটাই এখন দেখার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার