Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘বেচারা নীতীশ কুমার!’ বিজেপির ‘খপ্পরে’ পড়ে জেডিইউ প্রধানের দশা নিয়ে কটাক্ষ মমতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬
‘বেচারা নীতীশ কুমার!’ বিজেপির ‘খপ্পরে’ পড়ে জেডিইউ প্রধানের দশা নিয়ে কটাক্ষ মমতার

কলকাতা: বিহারের রাজনীতিতে বড়সড় রদবদল হয়ে গিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে যে নীতীশ কুমার বিরোধী জোট 'ইন্ডিয়া' গড়তে নবান্নে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, সেই নীতীশই এবার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি কার্যত বিজেপির হাতে ছেড়ে দিয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন! আর, এই ঘটনা নিয়েই এবার সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনামঞ্চ থেকে বিহারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানান তৃণমূল সুপ্রিমো। নীতীশ কুমারের এই ‘পিছু হটা’ নিয়ে সহমর্মিতা ও শ্লেষ মিশিয়ে মমতা বলেন, “ভোটের আগে ১০ হাজার, ভোটের পরে বুলডোজার। বেচারা নীতীশ কুমার!” রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে মমতা বোঝাতে চেয়েছেন যে বিজেপি নীতীশ কুমারকে ব্যবহার করে শেষ পর্যন্ত তাঁকে কোণঠাসা করে দিয়েছে।


গত নভেম্বর মাসে দশমবারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন নীতীশ কুমার। কিন্তু, মাত্র চারমাসের ব্যবধানেই সেই পদ ছেড়ে রাজ্যসভার সাংসদ পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরির উপস্থিতিতে এই মনোনয়ন জমা দেন জেডি(ইউ) প্রধান। নীতীশ জানিয়েছেন, নতুন বিহার সরকারের প্রতি তাঁর পূর্ণ সমর্থন থাকবে।


২০২৩ সালের এপ্রিলে নবান্নে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তেজস্বী যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন নীতীশ। লক্ষ্য ছিল, ২০২৪-এ বিজেপিকে হঠানো। মমতাও সেই সময় জোটবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নীতীশের এই শিবিরবদল এবং শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে রাজ্যসভায় যাওয়াকে বিজেপির বড় কোনও ‘ছক’ হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।


নীতীশের এই সিদ্ধান্তে তাঁর নিজের দলের অন্দরেও তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ। এনডিএ জোটের এই সমীকরণ লোকসভা নির্বাচনে বিহারের মাটিতে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার। সেই প্রেক্ষাপটে মমতার খোঁচা নিঃসন্দেহে ইঙ্গিতপূর্ণ। 


বিষয় : Nitish Kumar

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


‘বেচারা নীতীশ কুমার!’ বিজেপির ‘খপ্পরে’ পড়ে জেডিইউ প্রধানের দশা নিয়ে কটাক্ষ মমতার

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বিহারের রাজনীতিতে বড়সড় রদবদল হয়ে গিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে যে নীতীশ কুমার বিরোধী জোট 'ইন্ডিয়া' গড়তে নবান্নে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, সেই নীতীশই এবার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি কার্যত বিজেপির হাতে ছেড়ে দিয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন! আর, এই ঘটনা নিয়েই এবার সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনামঞ্চ থেকে বিহারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানান তৃণমূল সুপ্রিমো। নীতীশ কুমারের এই ‘পিছু হটা’ নিয়ে সহমর্মিতা ও শ্লেষ মিশিয়ে মমতা বলেন, “ভোটের আগে ১০ হাজার, ভোটের পরে বুলডোজার। বেচারা নীতীশ কুমার!” রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে মমতা বোঝাতে চেয়েছেন যে বিজেপি নীতীশ কুমারকে ব্যবহার করে শেষ পর্যন্ত তাঁকে কোণঠাসা করে দিয়েছে।গত নভেম্বর মাসে দশমবারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন নীতীশ কুমার। কিন্তু, মাত্র চারমাসের ব্যবধানেই সেই পদ ছেড়ে রাজ্যসভার সাংসদ পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরির উপস্থিতিতে এই মনোনয়ন জমা দেন জেডি(ইউ) প্রধান। নীতীশ জানিয়েছেন, নতুন বিহার সরকারের প্রতি তাঁর পূর্ণ সমর্থন থাকবে।২০২৩ সালের এপ্রিলে নবান্নে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তেজস্বী যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন নীতীশ। লক্ষ্য ছিল, ২০২৪-এ বিজেপিকে হঠানো। মমতাও সেই সময় জোটবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নীতীশের এই শিবিরবদল এবং শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে রাজ্যসভায় যাওয়াকে বিজেপির বড় কোনও ‘ছক’ হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।নীতীশের এই সিদ্ধান্তে তাঁর নিজের দলের অন্দরেও তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ। এনডিএ জোটের এই সমীকরণ লোকসভা নির্বাচনে বিহারের মাটিতে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার। সেই প্রেক্ষাপটে মমতার খোঁচা নিঃসন্দেহে ইঙ্গিতপূর্ণ। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার