Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘দিদির জন্য মন খারাপ লাগছে...’ তৃণমূলের ভাঙনের মাঝেই বিস্ফোরক বাবুল! এবার কোন পথে প্রাক্তন মন্ত্রী?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬
‘দিদির জন্য মন খারাপ লাগছে...’ তৃণমূলের ভাঙনের মাঝেই বিস্ফোরক বাবুল! এবার কোন পথে প্রাক্তন মন্ত্রী?
ছবি সংগৃহীত

কলকাতা: শাসকদলের অন্দরে তীব্র ভাঙন এবং একের পর এক নেতার শিবির বদলের জেরে যখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি, ঠিক তখনই মৌনতা ভেঙে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সদস্য বাবুল সুপ্রিয়। একদিকে তাঁর সঙ্গে রাজ্যসভার মনোনয়ন পাওয়া কোয়েল মল্লিকের ইস্তফা, অন্যদিকে দলের তিন সঙ্গীর বিজেপিতে যোগ দেওয়া— সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরে এখন ‘কালীঘাট’ বনাম ‘ঋতব্রত’ শিবিরের তুমুল টানাপোড়েন স্পষ্ট। এই চরম রাজনৈতিক ডামাডোলের আবহে এক সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বাবুল সুপ্রিয় স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, যাঁদের নেত্রী নিজের হাত ধরে রাজনীতিতে এনেছিলেন, অগাধ বিশ্বাস করেছিলেন, আজ তাঁরাই যখন দল ভাঙছেন, তখন দিদির জন্য তাঁর সত্যিই খুব খারাপ লাগছে।


তৃণমূলের দলত্যাগী ও বিদ্রোহী নেতাদের একাংশের মূল নিশানা এখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহীদের দাবি, তাঁর কারণেই দলের এই দশা এবং তাঁরাই আসলে আসল তৃণমূল। এমনকি সাংসদদের একাংশ ইতিমধ্যে নতুন দল এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও কেউই নিজেদের পদ ছাড়তে নারাজ। এই বিষয়টিকেই কড়া ভাষায় বিঁধেছেন বাবুল সুপ্রিয়। বিদ্রোহীদের সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বলেন, দলের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ যখন, তখন নৈতিকতা দেখিয়ে সাংসদ বা বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে নতুন করে নির্বাচনে লড়াই করে জিতে দেখান। পপুলার বা জনপ্রিয় হলে তো সাধারণ মানুষ তাঁদের এমনিই জিতিয়ে আনবে, তাহলে পদের মোহ আঁকড়ে ধরে রাখার কী প্রয়োজন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।


নোটিসের পর এবার অ্যাকশন? অভিষেকের কার্যালয় ঘিরে পুলিশ


ভবিষ্যতে নিজের রাজনৈতিক পদক্ষেপ কী হতে চলেছে, তা নিয়েও এদিন সোজাসাপ্টা জবাব দিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপিতে ফেরার জল্পনা পুরোপুরি উড়িয়ে না দিয়ে তিনি কিছুটা রহস্য বজায় রেখেই বলেন, "বলব না বিজেপিতে যাব না। আমি কি মালা কিনেছি, নাকি ওরা মালা নিয়ে অপেক্ষা করছে?" তবে আপাতত আগামী ছয় বছর তিনি শান্তিতে কাজ করতে চান এবং নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনেই চলবেন বলে জানান। একই সঙ্গে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে একটি বড় দাবি জানিয়েছেন প্রাক্তন এই মন্ত্রী। দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার যে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন, তাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বাবুল বলেন, যাঁরা দলবদল বা পালটি খাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যেই অনেক দাগি অপরাধী লুকিয়ে আছেন। তাঁরা যেন কোনওভাবেই ছাড় না পান এবং শাস্তি পান, তা দেখার জন্যই এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে গোটা বাংলা।

বিষয় : Mamata Banerjee TrinamoolCongress BABULSUPRIYO SuvenduAdhikari PoliticalCrisis

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


‘দিদির জন্য মন খারাপ লাগছে...’ তৃণমূলের ভাঙনের মাঝেই বিস্ফোরক বাবুল! এবার কোন পথে প্রাক্তন মন্ত্রী?

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: শাসকদলের অন্দরে তীব্র ভাঙন এবং একের পর এক নেতার শিবির বদলের জেরে যখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি, ঠিক তখনই মৌনতা ভেঙে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সদস্য বাবুল সুপ্রিয়। একদিকে তাঁর সঙ্গে রাজ্যসভার মনোনয়ন পাওয়া কোয়েল মল্লিকের ইস্তফা, অন্যদিকে দলের তিন সঙ্গীর বিজেপিতে যোগ দেওয়া— সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরে এখন ‘কালীঘাট’ বনাম ‘ঋতব্রত’ শিবিরের তুমুল টানাপোড়েন স্পষ্ট। এই চরম রাজনৈতিক ডামাডোলের আবহে এক সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বাবুল সুপ্রিয় স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, যাঁদের নেত্রী নিজের হাত ধরে রাজনীতিতে এনেছিলেন, অগাধ বিশ্বাস করেছিলেন, আজ তাঁরাই যখন দল ভাঙছেন, তখন দিদির জন্য তাঁর সত্যিই খুব খারাপ লাগছে।তৃণমূলের দলত্যাগী ও বিদ্রোহী নেতাদের একাংশের মূল নিশানা এখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহীদের দাবি, তাঁর কারণেই দলের এই দশা এবং তাঁরাই আসলে আসল তৃণমূল। এমনকি সাংসদদের একাংশ ইতিমধ্যে নতুন দল এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও কেউই নিজেদের পদ ছাড়তে নারাজ। এই বিষয়টিকেই কড়া ভাষায় বিঁধেছেন বাবুল সুপ্রিয়। বিদ্রোহীদের সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বলেন, দলের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ যখন, তখন নৈতিকতা দেখিয়ে সাংসদ বা বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে নতুন করে নির্বাচনে লড়াই করে জিতে দেখান। পপুলার বা জনপ্রিয় হলে তো সাধারণ মানুষ তাঁদের এমনিই জিতিয়ে আনবে, তাহলে পদের মোহ আঁকড়ে ধরে রাখার কী প্রয়োজন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।নোটিসের পর এবার অ্যাকশন? অভিষেকের কার্যালয় ঘিরে পুলিশভবিষ্যতে নিজের রাজনৈতিক পদক্ষেপ কী হতে চলেছে, তা নিয়েও এদিন সোজাসাপ্টা জবাব দিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপিতে ফেরার জল্পনা পুরোপুরি উড়িয়ে না দিয়ে তিনি কিছুটা রহস্য বজায় রেখেই বলেন, "বলব না বিজেপিতে যাব না। আমি কি মালা কিনেছি, নাকি ওরা মালা নিয়ে অপেক্ষা করছে?" তবে আপাতত আগামী ছয় বছর তিনি শান্তিতে কাজ করতে চান এবং নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনেই চলবেন বলে জানান। একই সঙ্গে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে একটি বড় দাবি জানিয়েছেন প্রাক্তন এই মন্ত্রী। দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার যে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন, তাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বাবুল বলেন, যাঁরা দলবদল বা পালটি খাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যেই অনেক দাগি অপরাধী লুকিয়ে আছেন। তাঁরা যেন কোনওভাবেই ছাড় না পান এবং শাস্তি পান, তা দেখার জন্যই এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে গোটা বাংলা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার