বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় খেলোয়াড়দের আলাদা করে চেনা যায় কঠিন মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতায়। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সেটিই আবারও প্রমাণ করলেন ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে গোলের সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করলেও দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত এক গোল এবং আরেকটি গোলে অবদান রেখে ফ্রান্সকে ২-০ ব্যবধানে জয় এনে দেন তিনি। এই জয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল দিদিয়ের দেশমের দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে ফ্রান্স। প্রথমার্ধে ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টি পায় লে ব্লু। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্পট কিক নিতে আসেন এমবাপে। কিন্তু মরক্কোর অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর অসাধারণ সেভে হতাশ হতে হয় ফরাসি অধিনায়ককে। গ্যালারিতে তখন যেন নেমে আসে নীরবতা, আর নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে মরক্কো।
শেষ হলো রোনাল্ডো যুগ! ট্রফি ছাড়াই বিদায়
তবে বিরতির পর যেন বদলে যাওয়া এক এমবাপেকে দেখা যায়। ৬০তম মিনিটে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করে পেনাল্টি মিসের সব আক্ষেপ মুছে দেন তিনি। মাত্র ছয় মিনিট পর আবারও তার তৈরি করা আক্রমণ থেকেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উসমান দেম্বেলে। এক গোল ও এক গোলে অবদান রেখে ম্যাচসেরার মতো পারফরম্যান্স উপহার দেন ফরাসি অধিনায়ক।
মরক্কো শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও ফ্রান্সের সংগঠিত রক্ষণভাগের সামনে তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। নকআউট পর্বে টানা তৃতীয় ম্যাচেও ক্লিন শিট ধরে রেখে আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতেই শেষ চারে পা রাখে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এই জয়ের মাধ্যমে শুধু সেমিফাইনালই নয়, বিশ্বকাপের ইতিহাসেও আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এমবাপে। পেনাল্টি মিসের হতাশাকে পেছনে ফেলে যেভাবে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা আবারও প্রমাণ করল—বড় ম্যাচের বড় নায়ক তিনি।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন