Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

৪০টি ট্রেড লাইসেন্স ঘিরে বিস্ফোরক তথ্য! মির্জা গালিব স্ট্রিটের আগুনের পর নজরে পুরসভার ভূমিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
৪০টি ট্রেড লাইসেন্স ঘিরে বিস্ফোরক তথ্য! মির্জা গালিব স্ট্রিটের আগুনের পর নজরে পুরসভার ভূমিকা
ছবি সংগৃহীত

কলকাতাঃ নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে একের পর এক প্রশ্ন। আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবনটির ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখতে গিয়ে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, একই ভবনে মোট ৪০টি ট্রেড লাইসেন্স অনুমোদিত হয়েছিল।

পুরসভা সূত্রে খবর, এই লাইসেন্সগুলির বেশিরভাগই তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ডের সময়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একটি ভবনে এতগুলি পৃথক ব্যবসা চালানোর মতো প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো আদতে রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নই এখন উঠছে। ২০২১ সালে ফিরহাদ হাকিম মেয়র থাকাকালীন ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অনলাইন ব্যবস্থা চালু করা হয়। এর আগে অবশ্য ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার পদ্ধতি ছিল অনেকটাই আলাদা। কোনও ব্যবসার লাইসেন্সের আবেদন জমা পড়লে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের লাইসেন্স বিভাগের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিদর্শন করতেন। পরবর্তীকালে এই সরেজমিনে পরিদর্শন নিয়ে আপত্তি ওঠে। তৎকালীন পুরবোর্ডের অভিযোগ ছিল, পরিদর্শনের নামে লাইসেন্স ইন্সপেক্টরদের একাংশের বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং টাকা চাওয়ার মতো অভিযোগ আসছিল। সেই পরিস্থিতি এড়াতেই অনলাইন সেলফ-ডিক্লারেশন ব্যবস্থা বেছে নেওয়া হয় বলে পুরসভার তরফে জানানো হয়েছিল।

কিন্তু মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের পর একই ভবনে ৪০টি ট্রেড লাইসেন্স থাকার তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই সেই ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনলাইনে স্বঘোষণার ভিত্তিতে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে ভবনের বাস্তব পরিকাঠামো, অগ্নিনিরাপত্তা এবং একাধিক ব্যবসা চালানোর উপযুক্ততা কতটা যাচাই করা হয়েছিল, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

বিষয় : KMC New Market mirza ghalib street

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


৪০টি ট্রেড লাইসেন্স ঘিরে বিস্ফোরক তথ্য! মির্জা গালিব স্ট্রিটের আগুনের পর নজরে পুরসভার ভূমিকা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতাঃ নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে একের পর এক প্রশ্ন। আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবনটির ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখতে গিয়ে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, একই ভবনে মোট ৪০টি ট্রেড লাইসেন্স অনুমোদিত হয়েছিল।পুরসভা সূত্রে খবর, এই লাইসেন্সগুলির বেশিরভাগই তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ডের সময়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একটি ভবনে এতগুলি পৃথক ব্যবসা চালানোর মতো প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো আদতে রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নই এখন উঠছে। ২০২১ সালে ফিরহাদ হাকিম মেয়র থাকাকালীন ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অনলাইন ব্যবস্থা চালু করা হয়। এর আগে অবশ্য ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার পদ্ধতি ছিল অনেকটাই আলাদা। কোনও ব্যবসার লাইসেন্সের আবেদন জমা পড়লে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের লাইসেন্স বিভাগের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিদর্শন করতেন। পরবর্তীকালে এই সরেজমিনে পরিদর্শন নিয়ে আপত্তি ওঠে। তৎকালীন পুরবোর্ডের অভিযোগ ছিল, পরিদর্শনের নামে লাইসেন্স ইন্সপেক্টরদের একাংশের বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং টাকা চাওয়ার মতো অভিযোগ আসছিল। সেই পরিস্থিতি এড়াতেই অনলাইন সেলফ-ডিক্লারেশন ব্যবস্থা বেছে নেওয়া হয় বলে পুরসভার তরফে জানানো হয়েছিল।কিন্তু মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের পর একই ভবনে ৪০টি ট্রেড লাইসেন্স থাকার তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই সেই ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনলাইনে স্বঘোষণার ভিত্তিতে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে ভবনের বাস্তব পরিকাঠামো, অগ্নিনিরাপত্তা এবং একাধিক ব্যবসা চালানোর উপযুক্ততা কতটা যাচাই করা হয়েছিল, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত