Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মোদী জমানায় পাহাড়প্রমাণ ঋণ ‘রাইট-অফ’! পুঁজিপতিদের পাওনা মুছে বিপাকে কেন্দ্র?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬
মোদী জমানায় পাহাড়প্রমাণ ঋণ ‘রাইট-অফ’! পুঁজিপতিদের পাওনা মুছে বিপাকে কেন্দ্র?
ছবি--প্রতীকী

নয়াদিল্লি: দেশের বড় বড় শিল্পপতি ও কর্পোরেট সংস্থাগুলির কত টাকা ঋণ মুছে ফেলা হয়েছে, তা নিয়ে অবশেষে লোকসভায় বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করল কেন্দ্র। সরকারের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, গত ১২ বছরে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি প্রায় ৯ লক্ষ ৯৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ ‘অনাদায়ী’ বা ‘রাইট-অফ’ হিসেবে খাতায় চিহ্নিত করেছে। সোমবার সংসদে এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী এই তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে এই রাইট-অফের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১,৪৮,৭৫৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল, যা ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নেমে দাঁড়িয়েছে ২০,৪৮৫ কোটি টাকায়।


বিরোধীদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় সরকার সাফাই দিয়ে জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়া মোটেও ঋণ মকুব বা মাফ করা নয়, বরং ব্যাঙ্কের ব্যালেন্স শিট বা হিসাবের খাতা পরিষ্কার রাখার এটি একটি প্রযুক্তিগত অভ্যন্তরীণ পদ্ধতি মাত্র। যদিও বিজয় মালিয়া, নীরব মোদী বা মেহুল চোকসিদের মতো মেগা ঋণখেলাপিরা ব্যাঙ্ক থেকে বিপুল টাকা তুলে বিদেশ পালিয়ে যাওয়ায় সরকারের মুখ পুড়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, আমজনতার সমস্যাকে তোয়াক্কা না করে মোদী সরকার তাদের ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের সুবিধা করে দিতেই ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে ব্যবহার করছে। তবে কেন্দ্র দাবি করেছে, অনাদায়ী টাকা উদ্ধারে আইনি পদক্ষেপ জারি রয়েছে এবং বহু ঋণখেলাপির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ব্যাঙ্কের খাতা পুনরুদ্ধার করার প্রক্রিয়া চলছে।

বিষয় : NarendraModi indianeconomy rbi parliamentnews corporateloan

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


মোদী জমানায় পাহাড়প্রমাণ ঋণ ‘রাইট-অফ’! পুঁজিপতিদের পাওনা মুছে বিপাকে কেন্দ্র?

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: দেশের বড় বড় শিল্পপতি ও কর্পোরেট সংস্থাগুলির কত টাকা ঋণ মুছে ফেলা হয়েছে, তা নিয়ে অবশেষে লোকসভায় বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করল কেন্দ্র। সরকারের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, গত ১২ বছরে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি প্রায় ৯ লক্ষ ৯৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ ‘অনাদায়ী’ বা ‘রাইট-অফ’ হিসেবে খাতায় চিহ্নিত করেছে। সোমবার সংসদে এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী এই তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে এই রাইট-অফের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১,৪৮,৭৫৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল, যা ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নেমে দাঁড়িয়েছে ২০,৪৮৫ কোটি টাকায়।বিরোধীদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় সরকার সাফাই দিয়ে জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়া মোটেও ঋণ মকুব বা মাফ করা নয়, বরং ব্যাঙ্কের ব্যালেন্স শিট বা হিসাবের খাতা পরিষ্কার রাখার এটি একটি প্রযুক্তিগত অভ্যন্তরীণ পদ্ধতি মাত্র। যদিও বিজয় মালিয়া, নীরব মোদী বা মেহুল চোকসিদের মতো মেগা ঋণখেলাপিরা ব্যাঙ্ক থেকে বিপুল টাকা তুলে বিদেশ পালিয়ে যাওয়ায় সরকারের মুখ পুড়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, আমজনতার সমস্যাকে তোয়াক্কা না করে মোদী সরকার তাদের ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের সুবিধা করে দিতেই ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে ব্যবহার করছে। তবে কেন্দ্র দাবি করেছে, অনাদায়ী টাকা উদ্ধারে আইনি পদক্ষেপ জারি রয়েছে এবং বহু ঋণখেলাপির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ব্যাঙ্কের খাতা পুনরুদ্ধার করার প্রক্রিয়া চলছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত