Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

নৃশংসতার চূড়ান্ত ছবি মুর্শিদাবাদে! ১১ দিনের শিশুকন্যার দেহ বাথরুমের বালতিতে, গ্রেফতার মা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
নৃশংসতার চূড়ান্ত ছবি মুর্শিদাবাদে! ১১ দিনের শিশুকন্যার দেহ বাথরুমের বালতিতে, গ্রেফতার মা
প্রতীকী ছবি

মুর্শিদাবাদঃ সকালে পরিবারের সদস্যদের চোখের সামনেই বিছানায় ছিল ১১ দিনের শিশুকন্যা। কয়েক ঘণ্টা পরই বাড়ির বাথরুমের বালতিতে মিলল তার নিথর দেহ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় রঘুনাথগঞ্জে। সদ্যোজাতকে জলে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তার মা সাগরি বিবিকে। 


রবিবার দুপুরে বাড়ির বাথরুম থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। তদন্তে নামেন জঙ্গিপুরের এসডিপিও প্রবীর মণ্ডল এবং রঘুনাথগঞ্জ থানার আইসি সৌরভ চট্টোপাধ্যায়। শিশুটির দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিশুটির মা সাগরির কথাবার্তায় অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে। এরপর সেই জেরাতেই শিশুটিকে জলে ডুবিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন সাগরি। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই দম্পতির আগে থেকেই একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। দ্বিতীয়বার তাঁদের কন্যাসন্তান হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই সন্তান নেওয়ার বিষয়ে সাগরির অনীহা ছিল। 


মঙ্গলবার ধৃত সাগরি বিবিকে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অন্যদিকে, ১১ দিনের শিশুকন্যার মৃত্যুর তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর পুলিশের।

বিষয় : Murshidabad Crime

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


নৃশংসতার চূড়ান্ত ছবি মুর্শিদাবাদে! ১১ দিনের শিশুকন্যার দেহ বাথরুমের বালতিতে, গ্রেফতার মা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image
মুর্শিদাবাদঃ সকালে পরিবারের সদস্যদের চোখের সামনেই বিছানায় ছিল ১১ দিনের শিশুকন্যা। কয়েক ঘণ্টা পরই বাড়ির বাথরুমের বালতিতে মিলল তার নিথর দেহ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় রঘুনাথগঞ্জে। সদ্যোজাতকে জলে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তার মা সাগরি বিবিকে। রবিবার দুপুরে বাড়ির বাথরুম থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। তদন্তে নামেন জঙ্গিপুরের এসডিপিও প্রবীর মণ্ডল এবং রঘুনাথগঞ্জ থানার আইসি সৌরভ চট্টোপাধ্যায়। শিশুটির দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিশুটির মা সাগরির কথাবার্তায় অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে। এরপর সেই জেরাতেই শিশুটিকে জলে ডুবিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন সাগরি। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই দম্পতির আগে থেকেই একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। দ্বিতীয়বার তাঁদের কন্যাসন্তান হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই সন্তান নেওয়ার বিষয়ে সাগরির অনীহা ছিল। মঙ্গলবার ধৃত সাগরি বিবিকে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অন্যদিকে, ১১ দিনের শিশুকন্যার মৃত্যুর তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর পুলিশের।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত