Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

দেড় লাখ দিলেই ঘরে বসে ফায়ার লাইসেন্স! নিউ মার্কেটে সিল হচ্ছে ৭০টি বেআইনি হোটেল, এবার কি আতস কাঁচের তলায় দমকল কর্তারা?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
দেড় লাখ দিলেই ঘরে বসে ফায়ার লাইসেন্স! নিউ মার্কেটে সিল হচ্ছে ৭০টি বেআইনি হোটেল, এবার কি আতস কাঁচের তলায় দমকল কর্তারা?
টাকার বিনিময়ে ঘরে বসেই মিলত ফায়ার লাইসেন্স। ছবি-সংগৃহীত

কলকাতা: নগদ দেড় থেকে দু’লাখ টাকার প্যাকেট পৌঁছলেই মিলত তিন বছরের ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেট, আর সঙ্গে আরও হাজার পঞ্চাশ ফেললেই হাতে আসত ফায়ার লাইসেন্স। নিউ মার্কেটের শিখা-ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর তদন্তে নেমে দমকল ও পুরসভার দুর্নীতির এমনই এক বিস্ফোরক চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কুইজ স্ট্রিট সহ সংলগ্ন এলাকার ঘুপচি ঘরগুলিতে বেআইনি হোটেল চালানোর জন্য দমকলের অফিসারদের ঘুষ দিয়ে সেই জাল সার্টিফিকেটের জোরেই মিলত পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স এবং সিইএসসির বিদ্যুৎ সংযোগ। এই বেনিয়মের কারবার ফাঁস হতেই এবার নিউ মার্কেট জোনের অন্তত ৬০ থেকে ৭০টি বেআইনি হোটেল সিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার জেরে হোটেল ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন বোর্ডাররা।

এই বেআইনি কারবারে হোটেল মালিকদের পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের তদন্তকারী বিশেষজ্ঞ দল ও পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল বা 'সিট'-এর নজরে রয়েছেন গত এক দশকে দমকলের সদর দফতরে দায়িত্বে থাকা অফিসাররা। ২০০৩ সালে বাম আমলে এই নজরদারির ভার বেসরকারি সংস্থাকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক আপত্তিতে তা কার্যকর হয়নি। পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের আমলে সেলফ ডিক্লারেশন ও অনলাইন ব্যবস্থার আড়ালে যাবতীয় ক্ষমতা স্টেশন অফিসার ও ডিরেক্টরদের হাতে চলে যায়। অভিযোগ, দিঘা, মন্দারমণি থেকে নিউ মার্কেট— সর্বত্রই টাকার বিনিময়ে নিয়ম না দেখেই দেওয়া হয়েছে অগ্নিনির্বাপণ ছাড়পত্র। দমকলের অন্দরের এক শীর্ষ আধিকারিকও স্বীকার করেছেন, পোস্টিং পেলেই কয়েক মাসে গাড়ি কেনা কর্তারা এখন ধরা পড়ার ভয়ে কাঁপছেন।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : KOLKATAPOLICE HiddenStoriesNews BengalNewsUpdate NewMarketFire KolkataFireAccident FireSafetyScam HotelFireLeak

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


দেড় লাখ দিলেই ঘরে বসে ফায়ার লাইসেন্স! নিউ মার্কেটে সিল হচ্ছে ৭০টি বেআইনি হোটেল, এবার কি আতস কাঁচের তলায় দমকল কর্তারা?

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতা: নগদ দেড় থেকে দু’লাখ টাকার প্যাকেট পৌঁছলেই মিলত তিন বছরের ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেট, আর সঙ্গে আরও হাজার পঞ্চাশ ফেললেই হাতে আসত ফায়ার লাইসেন্স। নিউ মার্কেটের শিখা-ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর তদন্তে নেমে দমকল ও পুরসভার দুর্নীতির এমনই এক বিস্ফোরক চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কুইজ স্ট্রিট সহ সংলগ্ন এলাকার ঘুপচি ঘরগুলিতে বেআইনি হোটেল চালানোর জন্য দমকলের অফিসারদের ঘুষ দিয়ে সেই জাল সার্টিফিকেটের জোরেই মিলত পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স এবং সিইএসসির বিদ্যুৎ সংযোগ। এই বেনিয়মের কারবার ফাঁস হতেই এবার নিউ মার্কেট জোনের অন্তত ৬০ থেকে ৭০টি বেআইনি হোটেল সিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার জেরে হোটেল ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন বোর্ডাররা।এই বেআইনি কারবারে হোটেল মালিকদের পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের তদন্তকারী বিশেষজ্ঞ দল ও পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল বা 'সিট'-এর নজরে রয়েছেন গত এক দশকে দমকলের সদর দফতরে দায়িত্বে থাকা অফিসাররা। ২০০৩ সালে বাম আমলে এই নজরদারির ভার বেসরকারি সংস্থাকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক আপত্তিতে তা কার্যকর হয়নি। পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের আমলে সেলফ ডিক্লারেশন ও অনলাইন ব্যবস্থার আড়ালে যাবতীয় ক্ষমতা স্টেশন অফিসার ও ডিরেক্টরদের হাতে চলে যায়। অভিযোগ, দিঘা, মন্দারমণি থেকে নিউ মার্কেট— সর্বত্রই টাকার বিনিময়ে নিয়ম না দেখেই দেওয়া হয়েছে অগ্নিনির্বাপণ ছাড়পত্র। দমকলের অন্দরের এক শীর্ষ আধিকারিকও স্বীকার করেছেন, পোস্টিং পেলেই কয়েক মাসে গাড়ি কেনা কর্তারা এখন ধরা পড়ার ভয়ে কাঁপছেন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত