Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

টুলু-কাণ্ডে এবার কোন ‘নতুন যোগ’? বীরভূমের পর তদন্তের আঁচ মুর্শিদাবাদে, বাড়ছে রহস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
টুলু-কাণ্ডে এবার কোন ‘নতুন যোগ’? বীরভূমের পর তদন্তের আঁচ মুর্শিদাবাদে, বাড়ছে রহস্য
ছবি সংগৃহীত

বীরভূমঃ  পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলকে ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন যোগসূত্র। এবার সেই তদন্তের পরিধি বীরভূম ছাড়িয়ে পৌঁছেছে মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত প্রবীর কুমার দাস ও সেহগাল হোসেনকে জেরা করে একাধিক তথ্য মিলেছে। সেই সূত্র ধরেই বহরমপুর ও ডোমকলে পরপর তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ।


সিউড়ির কল্পতরু পল্লি থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন সদর মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের হেড অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রবীর কুমার দাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁকে জেরা করেই প্রথমে বেশ কিছু নথির হদিস মিলেছে। এরপর প্রবীরকে সঙ্গে নিয়ে বহরমপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। সেখান থেকে টুলু মণ্ডলের পাথর ব্যবসা সংক্রান্ত একাধিক নথি উদ্ধার হয়েছে। ভোররাতে প্রবীরকে সঙ্গে নিয়েই ডোমকলে পৌঁছে যায় পুলিশ। সেখানে অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সেহগাল হোসেনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তবে প্রবীরকে সঙ্গে নিয়ে সেহগালের বাড়িতে তল্লাশি কেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। 

এই তদন্তের মাঝে উঠে আসছে আরও কয়েকটি নাম। সেহগালের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠতার কথা আগে থেকেই প্রকাশ্যে এসেছে। গরু পাচার মামলায় অনুব্রতের সঙ্গে সেহগালকে তিহার জেলেও থাকতে হয়েছিল। ফলে টুলু মণ্ডলের সঙ্গে সেহগালের কোনও আর্থিক বা ব্যবসায়িক যোগসূত্র পাওয়া যায় কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে তদন্তকারীদের। আলোচনায় এসেছে বড়ঞার প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার নামও। চাকরি সংক্রান্ত মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছিল।

 

অন্যদিকে, টুলু-কাণ্ডে প্রবীর দাসের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছে। তিনি দীর্ঘদিন সাঁইথিয়া ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে কর্মরত ছিলেন। ফলে জমি, পাথর ব্যবসা এবং প্রশাসনিক স্তরের নথিপত্রের সূত্র ধরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা এখন গুরুত্বপূর্ণ।

বিষয় : Birbhum Tulu Mondal

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


টুলু-কাণ্ডে এবার কোন ‘নতুন যোগ’? বীরভূমের পর তদন্তের আঁচ মুর্শিদাবাদে, বাড়ছে রহস্য

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image
বীরভূমঃ  পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলকে ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন যোগসূত্র। এবার সেই তদন্তের পরিধি বীরভূম ছাড়িয়ে পৌঁছেছে মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত প্রবীর কুমার দাস ও সেহগাল হোসেনকে জেরা করে একাধিক তথ্য মিলেছে। সেই সূত্র ধরেই বহরমপুর ও ডোমকলে পরপর তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ।সিউড়ির কল্পতরু পল্লি থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন সদর মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের হেড অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রবীর কুমার দাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁকে জেরা করেই প্রথমে বেশ কিছু নথির হদিস মিলেছে। এরপর প্রবীরকে সঙ্গে নিয়ে বহরমপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। সেখান থেকে টুলু মণ্ডলের পাথর ব্যবসা সংক্রান্ত একাধিক নথি উদ্ধার হয়েছে। ভোররাতে প্রবীরকে সঙ্গে নিয়েই ডোমকলে পৌঁছে যায় পুলিশ। সেখানে অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সেহগাল হোসেনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তবে প্রবীরকে সঙ্গে নিয়ে সেহগালের বাড়িতে তল্লাশি কেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই তদন্তের মাঝে উঠে আসছে আরও কয়েকটি নাম। সেহগালের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠতার কথা আগে থেকেই প্রকাশ্যে এসেছে। গরু পাচার মামলায় অনুব্রতের সঙ্গে সেহগালকে তিহার জেলেও থাকতে হয়েছিল। ফলে টুলু মণ্ডলের সঙ্গে সেহগালের কোনও আর্থিক বা ব্যবসায়িক যোগসূত্র পাওয়া যায় কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে তদন্তকারীদের। আলোচনায় এসেছে বড়ঞার প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার নামও। চাকরি সংক্রান্ত মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছিল। অন্যদিকে, টুলু-কাণ্ডে প্রবীর দাসের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছে। তিনি দীর্ঘদিন সাঁইথিয়া ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে কর্মরত ছিলেন। ফলে জমি, পাথর ব্যবসা এবং প্রশাসনিক স্তরের নথিপত্রের সূত্র ধরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা এখন গুরুত্বপূর্ণ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত