Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

জন্মাষ্টমীতে তালের বড়া খেতে পারবেন ডায়াবেটিসের রোগীরা? ভোগের প্রিয় পদে আনুন এই ৩ বদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জন্মাষ্টমীতে তালের বড়া খেতে পারবেন ডায়াবেটিসের রোগীরা? ভোগের প্রিয় পদে আনুন এই ৩ বদল
ছবি সংগৃহীত

জন্মাষ্টমী এলেই গোপালের ভোগে থাকে তালের নানা পদ। উৎসবের খাবারের তালিকায় তালের বড়া, মালপোয়া, তালক্ষীর এগুলির আলাদা জায়গা রয়েছে। কিন্তু ডায়াবেটিস থাকলে কি জন্মাষ্টমীর এই প্রিয় খাবারগুলি পুরোপুরি বাদ দিতে হবে? সবসময় তা নয়। তবে, উৎসবের দিনে কী খাচ্ছেন এবং কতটা খাচ্ছেন, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি।

পাকা তালে ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো কিছু পুষ্টি উপাদানও রয়েছে। তাই বলে তাল দিয়ে তৈরি মিষ্টি পদ ইচ্ছেমতো খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে জন্মাষ্টমীর ভোগে একসঙ্গে একাধিক মিষ্টি পদ থাকলে মোট কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ আরও বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু  তালভিত্তিক পদ বানানোর সময় কয়েকটি পরিবর্তন করলেই এই ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। 


১) পাকা তালের প্রাকৃতিক মিষ্টি থাকার কারণে আলাদা করে বেশি চিনি না দেওয়াই ভালো। প্রয়োজনে চিকিৎসক বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী চিনির বিকল্প ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ‘সুগার-ফ্রি’ লেখা থাকলেই বেশি পরিমাণে খাওয়া নিরাপদ, এমনটা নয়।

২) তালের বড়ায় ময়দার বদলে আটা ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ফাইবার কিছুটা বাড়তে পারে। তবে আটা বা সুজি ব্যবহার করলেও খাবারে কার্বোহাইড্রেট থাকছে, পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাটা জরুরি।

৩) জন্মাষ্টমীর ভোগের তালের বড়া ডুবো তেলে ভাজার বদলে কম তেলে প্যান-ফ্রাই করা যেতে পারে। এয়ার ফ্রায়ারও ব্যবহার করা সম্ভব। এতে অতিরিক্ত তেল ও ক্যালরি কিছুটা কমানো যায়।

তবে রেসিপিতে এইসব পরিবর্তন করলেই তালের বড়া ‘ডায়াবেটিস-ফ্রেন্ডলি’ হয়ে যায় না। জন্মাষ্টমীর দিনে তালের বড়ার সঙ্গে মালপোয়া, তালক্ষীর বা অন্য মিষ্টি পদও বেশি করে খেলে মোট শর্করা অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। তাই গোপালের ভোগের খাবার থেকে সম্পূর্ণ দূরে না থেকে অল্প পরিমাণে, হিসেব করে খাওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বিষয় : Janmashtami Festival

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জন্মাষ্টমীতে তালের বড়া খেতে পারবেন ডায়াবেটিসের রোগীরা? ভোগের প্রিয় পদে আনুন এই ৩ বদল

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
জন্মাষ্টমী এলেই গোপালের ভোগে থাকে তালের নানা পদ। উৎসবের খাবারের তালিকায় তালের বড়া, মালপোয়া, তালক্ষীর এগুলির আলাদা জায়গা রয়েছে। কিন্তু ডায়াবেটিস থাকলে কি জন্মাষ্টমীর এই প্রিয় খাবারগুলি পুরোপুরি বাদ দিতে হবে? সবসময় তা নয়। তবে, উৎসবের দিনে কী খাচ্ছেন এবং কতটা খাচ্ছেন, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি।পাকা তালে ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো কিছু পুষ্টি উপাদানও রয়েছে। তাই বলে তাল দিয়ে তৈরি মিষ্টি পদ ইচ্ছেমতো খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে জন্মাষ্টমীর ভোগে একসঙ্গে একাধিক মিষ্টি পদ থাকলে মোট কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ আরও বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু  তালভিত্তিক পদ বানানোর সময় কয়েকটি পরিবর্তন করলেই এই ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। ১) পাকা তালের প্রাকৃতিক মিষ্টি থাকার কারণে আলাদা করে বেশি চিনি না দেওয়াই ভালো। প্রয়োজনে চিকিৎসক বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী চিনির বিকল্প ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ‘সুগার-ফ্রি’ লেখা থাকলেই বেশি পরিমাণে খাওয়া নিরাপদ, এমনটা নয়।২) তালের বড়ায় ময়দার বদলে আটা ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ফাইবার কিছুটা বাড়তে পারে। তবে আটা বা সুজি ব্যবহার করলেও খাবারে কার্বোহাইড্রেট থাকছে, পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাটা জরুরি।৩) জন্মাষ্টমীর ভোগের তালের বড়া ডুবো তেলে ভাজার বদলে কম তেলে প্যান-ফ্রাই করা যেতে পারে। এয়ার ফ্রায়ারও ব্যবহার করা সম্ভব। এতে অতিরিক্ত তেল ও ক্যালরি কিছুটা কমানো যায়।তবে রেসিপিতে এইসব পরিবর্তন করলেই তালের বড়া ‘ডায়াবেটিস-ফ্রেন্ডলি’ হয়ে যায় না। জন্মাষ্টমীর দিনে তালের বড়ার সঙ্গে মালপোয়া, তালক্ষীর বা অন্য মিষ্টি পদও বেশি করে খেলে মোট শর্করা অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। তাই গোপালের ভোগের খাবার থেকে সম্পূর্ণ দূরে না থেকে অল্প পরিমাণে, হিসেব করে খাওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত