বারুইপুর: বারুইপুরের নৃশংস নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে পুলিশের এনকাউন্টারে অভিযুক্ত খতম হওয়ার পর রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়। তবে এই সমস্ত রাজনৈতিক তরজার ঊর্ধ্বে উঠে এক অনন্য নজির তৈরি করেছে মৃত অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মায়ের অবস্থান। নিজের সন্তানের এই নৃশংস অপরাধকে বিন্দুমাত্র প্রশ্রয় না দিয়ে, কুলাঙ্গার ছেলের মৃতদেহ পর্যন্ত নিতে অস্বীকার করেছেন মা সন্ধ্যা মণ্ডল। আর তাঁর এই অদম্য মানসিকতা এবং সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানালেন আরজি কর কাণ্ডে প্রাণ হারানো তিলোত্তমার মা তথা বর্তমান বিজেপি সরকারের পানিহাটির বিধায়িকা রত্না দেবনাথ।বারুইপুরে এনকাউন্টার! পুলিশের গুলিতে মৃত্যু মূল অভিযুক্তের বারুইপুর কাণ্ডের মূল অভিযুক্তের মায়ের প্রতিক্রিয়া ছুঁয়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যকে। এই প্রসঙ্গে তিলোত্তমার মা রত্না দেবনাথ বলেন, ওই মা বুকে পাথর রেখে এই কঠিন কথাগুলি বলছেন। সন্তান হারানোর কষ্ট তাঁরও হচ্ছে, কিন্তু অপরাধের বিরুদ্ধে তিনিও আমাদের মতোই প্রতিবাদী হয়ে উঠেছেন। নিজের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও তিনি গতকালই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, ছেলে অপরাধ করে থাকলে, অন্য কোনও মায়ের কোল খালি করে থাকলে তাকে যেন চরম সাজা দেওয়া হয়। আজ ছেলের মৃত্যুর পর তার মুখ না দেখার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, তিনিও একজন অত্যন্ত সাহসী এবং প্রতিবাদী মা।[TECHTARANGA-POST:10720]বিগত সরকারের আমলে তিলোত্তমার ঘটনার সুবিচার না পাওয়ার ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিধায়িকা রত্না দেবনাথ আরও জানান, রাজ্যে এখন আর শাসকের আইন নয়, বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত যেভাবে পুলিশের বন্দুক কেড়ে নিয়ে গুলি ছুড়েছিল, তাতে পুলিশ একদম সঠিক পদক্ষেপ করেছে। অন্যদিকে, এই এনকাউন্টার প্রসঙ্গে রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী তাপস রায়ও পুলিশের পাশে দাঁড়িয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি সাফ জানান, তদন্তের খাতিরে ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় যদি কোনও মারাত্মক অপরাধী পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে ও গুলি চালায়, তবে এই ধরনের দাগী ক্রিমিনালদের সঙ্গে পুলিশের যা করা উচিত, পুলিশ ঠিক সেটাই করেছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার