Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Calcutta High Court: শুক্রে হচ্ছে না মমতার মেগা শো! মাঠ দিতে সাফ ‘না’ খোদ জগন্নাথ মঠের, হাইকোর্টে জোর ধাক্কায় ভেস্তে গেল শ্রীরামপুরের সভা?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Calcutta High Court: শুক্রে হচ্ছে না মমতার মেগা শো! মাঠ দিতে সাফ ‘না’ খোদ জগন্নাথ মঠের, হাইকোর্টে জোর ধাক্কায় ভেস্তে গেল শ্রীরামপুরের সভা?
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি

কলকাতা: চরম নাটকীয়তা, তীব্র আইনি লড়াই এবং দফায় দফায় শুনানির পর অবশেষে ধাক্কা খেল তৃণমূলের কালীঘাট শিবির; শুক্রবার শ্রীরামপুরের মাটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহুলচর্চিত রাজনৈতিক কর্মসূচি আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন উদ্যোক্তারা। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ একগুচ্ছ কঠোর শর্ত বেঁধে মাহেশের স্নানপিঁড়ি ময়দানে সভার সবুজ সংকেত দিলেও, সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য প্রশাসন। ডিভিশন বেঞ্চে মামলা উঠতেই তৈরি হয় নয়া সংঘাত। যে স্নানপিঁড়ি ময়দানে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, সেই জায়গা রাজনৈতিক সভার জন্য দিতে সরাসরি তীব্র আপত্তি জানায় শ্রীরামপুর মাহেশ জগন্নাথ মঠ কর্তৃপক্ষ। আদালতে তারা সাফ জানিয়ে দেয়, এই জমি সম্পূর্ণরূপে মন্দির কমিটির অধীনস্থ এবং এখানে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া হয় না।

মঠ কর্তৃপক্ষের এমন অনড় অবস্থান এবং রাজ্য সরকারের পুনর্বিবেচনার আর্জির মুখে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলা গৃহীত হতেই জটিলতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি উদ্যোক্তাদের প্রশ্ন করেন, শুক্রবারের পরিবর্তে এই কর্মসূচি কি আগামী সপ্তাহে স্থানান্তর করা সম্ভব? যার জবাবে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, সভার দিন পরিবর্তন করা হলে তাঁর বা দলের কোনো রকম আপত্তি নেই। এই টানাপোড়েনের পর বৃহস্পতিবার শেষবেলায় উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, শুক্রবারের নির্ধারিত সভা আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে ফের এই মামলার শুনানি ধার্য রয়েছে, যেখানে রাজ্য সরকার সভার বিকল্প কোনো জায়গার নাম প্রস্তাব করবে কি না, তা স্পষ্ট করবে। পাশাপাশি শ্রীরামপুরে সভার যৌক্তিকতা এবং পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ তুলে মামলাকারী প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার অতিরিক্ত হলফনামা পেশ করার সুযোগ পাবেন।

উল্লেখ্য, হুগলির মাটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রথম থেকেই জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মিছিলের আবেদন খারিজ করে দিয়ে কেবল বেলা ১টা থেকে ৩টের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ হাজার সমর্থক নিয়ে মাহেশের মাঠে সভার অনুমতি দিয়েছিলেন; যেখানে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না করা এবং যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর মতো একাধিক কড়া শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মঠের সাফ ‘না’ এবং ডিভিশন বেঞ্চে আইনি গ্যাঁড়াকলে পড়ে শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে যেতে বাধ্য হলো তৃণমূলের কালীঘাট শিবির। শুক্রবার ডিভিশন বেঞ্চের নতুন শুনানিতে বিকল্প কোনো ময়দানের নাম উঠে আসে নাকি সভার ভবিষ্যৎ আরও পিছিয়ে যায়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : WestBengalPolitics BreakingNews CalcuttaHighCourt HiddenStoriesNews MamataBanerjee SERAMPORERALLY KalighatTMC HooghlyPolitics MaheshJagannathTemple

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Calcutta High Court: শুক্রে হচ্ছে না মমতার মেগা শো! মাঠ দিতে সাফ ‘না’ খোদ জগন্নাথ মঠের, হাইকোর্টে জোর ধাক্কায় ভেস্তে গেল শ্রীরামপুরের সভা?

প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: চরম নাটকীয়তা, তীব্র আইনি লড়াই এবং দফায় দফায় শুনানির পর অবশেষে ধাক্কা খেল তৃণমূলের কালীঘাট শিবির; শুক্রবার শ্রীরামপুরের মাটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহুলচর্চিত রাজনৈতিক কর্মসূচি আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন উদ্যোক্তারা। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ একগুচ্ছ কঠোর শর্ত বেঁধে মাহেশের স্নানপিঁড়ি ময়দানে সভার সবুজ সংকেত দিলেও, সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য প্রশাসন। ডিভিশন বেঞ্চে মামলা উঠতেই তৈরি হয় নয়া সংঘাত। যে স্নানপিঁড়ি ময়দানে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, সেই জায়গা রাজনৈতিক সভার জন্য দিতে সরাসরি তীব্র আপত্তি জানায় শ্রীরামপুর মাহেশ জগন্নাথ মঠ কর্তৃপক্ষ। আদালতে তারা সাফ জানিয়ে দেয়, এই জমি সম্পূর্ণরূপে মন্দির কমিটির অধীনস্থ এবং এখানে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া হয় না।মঠ কর্তৃপক্ষের এমন অনড় অবস্থান এবং রাজ্য সরকারের পুনর্বিবেচনার আর্জির মুখে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলা গৃহীত হতেই জটিলতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি উদ্যোক্তাদের প্রশ্ন করেন, শুক্রবারের পরিবর্তে এই কর্মসূচি কি আগামী সপ্তাহে স্থানান্তর করা সম্ভব? যার জবাবে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, সভার দিন পরিবর্তন করা হলে তাঁর বা দলের কোনো রকম আপত্তি নেই। এই টানাপোড়েনের পর বৃহস্পতিবার শেষবেলায় উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, শুক্রবারের নির্ধারিত সভা আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে ফের এই মামলার শুনানি ধার্য রয়েছে, যেখানে রাজ্য সরকার সভার বিকল্প কোনো জায়গার নাম প্রস্তাব করবে কি না, তা স্পষ্ট করবে। পাশাপাশি শ্রীরামপুরে সভার যৌক্তিকতা এবং পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ তুলে মামলাকারী প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার অতিরিক্ত হলফনামা পেশ করার সুযোগ পাবেন।উল্লেখ্য, হুগলির মাটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রথম থেকেই জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মিছিলের আবেদন খারিজ করে দিয়ে কেবল বেলা ১টা থেকে ৩টের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ হাজার সমর্থক নিয়ে মাহেশের মাঠে সভার অনুমতি দিয়েছিলেন; যেখানে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না করা এবং যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর মতো একাধিক কড়া শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মঠের সাফ ‘না’ এবং ডিভিশন বেঞ্চে আইনি গ্যাঁড়াকলে পড়ে শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে যেতে বাধ্য হলো তৃণমূলের কালীঘাট শিবির। শুক্রবার ডিভিশন বেঞ্চের নতুন শুনানিতে বিকল্প কোনো ময়দানের নাম উঠে আসে নাকি সভার ভবিষ্যৎ আরও পিছিয়ে যায়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত