Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Kolkata Police : অষ্টমীর রাতে লালবাজারের জালে ৬৭ জন! বেপরোয়া গাড়ি ও বিনা হেলমেটে বাইক চালানোর অভিযোগে ৭০০-র বেশি মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
Kolkata Police : অষ্টমীর রাতে লালবাজারের জালে ৬৭ জন! বেপরোয়া গাড়ি ও বিনা হেলমেটে বাইক চালানোর অভিযোগে ৭০০-র বেশি মামলা
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি

কলকাতা: দুর্গাপুজোর আনন্দে যখন আলোর রোশনাইয়ে ভেসে গোটা তিলোত্তমা মেতে উঠেছিল ঠিক তখনই উৎসবের মেজাজকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তায় নেমেছিল একশ্রেণির আইনভঙ্গকারী। গত সোমবার মহাষ্টমীর রাতে কলকাতার রাজপথে বেপরোয়া গতি এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট ৭২৬টি মামলা রুজু করেছে লালবাজার। শুধু মামলা দায়ের করাই নয়, পুলিশি অভিযানে বিভিন্ন ডিভিশন মিলিয়ে মোট ৬৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উৎসবের আবহে এমন ধরপাকড় ও কড়া পদক্ষেপে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে শহরজুড়ে।

লালবাজারের তরফে প্রকাশিত পরিসংখ্যানে ট্রাফিক আইন ভাঙার যে ভয়াবহ ছবি সামনে এসেছে, তা এককথায় উদ্বেগজনক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অষ্টমীর রাতে বিনা হেলমেটে বাইক চালানোর গুরুতর অভিযোগে একাই ২৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি, নিয়মের তোয়াক্কা না করে এক বাইকে তিন জন সওয়ারি নিয়ে ঘোরার অপরাধে ১৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, রাতের অন্ধকারে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন করার অভিযোগে ৯০টি এবং নির্দিষ্ট ‘ড্রাই ডে’ নির্দেশিকা ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধে ৮১ জনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য ট্রাফিক সংক্রান্ত আরও ১৬৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর এই কদিন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং অপ্রীতিকর দুর্ঘটনা এড়াতে কলকাতাকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলে লালবাজার। প্রতিটি মোড়ে মোড়ে বাড়ানো হয় পুলিশের নজরদারি ও টহলদারি। বিশেষ করে উৎসবের দিনগুলোতে যাতে কোনোভাবেই মত্ত চালক বা বেপরোয়া বাইকাররা রাস্তায় ত্রাস সৃষ্টি করতে না পারে, তার জন্য আগে থেকেই কড়া নির্দেশিকা জারি করেছিল রাজ্য সরকার। মহাষ্টমীর দিনটিকে বিশেষ নির্দেশিকায় নিয়ন্ত্রণ করার কথা থাকলেও একশ্রেণির মানুষের বেপরোয়া মনোভাবের জেরে এই বিপুল পরিমাণ মামলা প্রমাণ করে যে প্রশাসনের কড়া নজর সত্ত্বেও আইন ভাঙার প্রবণতা পুরোপুরি রোখা যায়নি। তবে লালবাজারের এই কঠোর মনোভাব আগামী দিনে অপরাধীদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিষয় : Durga Puja 2026 traffic violations ashtami night drink and dive

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


Kolkata Police : অষ্টমীর রাতে লালবাজারের জালে ৬৭ জন! বেপরোয়া গাড়ি ও বিনা হেলমেটে বাইক চালানোর অভিযোগে ৭০০-র বেশি মামলা

প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: দুর্গাপুজোর আনন্দে যখন আলোর রোশনাইয়ে ভেসে গোটা তিলোত্তমা মেতে উঠেছিল ঠিক তখনই উৎসবের মেজাজকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তায় নেমেছিল একশ্রেণির আইনভঙ্গকারী। গত সোমবার মহাষ্টমীর রাতে কলকাতার রাজপথে বেপরোয়া গতি এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট ৭২৬টি মামলা রুজু করেছে লালবাজার। শুধু মামলা দায়ের করাই নয়, পুলিশি অভিযানে বিভিন্ন ডিভিশন মিলিয়ে মোট ৬৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উৎসবের আবহে এমন ধরপাকড় ও কড়া পদক্ষেপে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে শহরজুড়ে।লালবাজারের তরফে প্রকাশিত পরিসংখ্যানে ট্রাফিক আইন ভাঙার যে ভয়াবহ ছবি সামনে এসেছে, তা এককথায় উদ্বেগজনক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অষ্টমীর রাতে বিনা হেলমেটে বাইক চালানোর গুরুতর অভিযোগে একাই ২৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি, নিয়মের তোয়াক্কা না করে এক বাইকে তিন জন সওয়ারি নিয়ে ঘোরার অপরাধে ১৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, রাতের অন্ধকারে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন করার অভিযোগে ৯০টি এবং নির্দিষ্ট ‘ড্রাই ডে’ নির্দেশিকা ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধে ৮১ জনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য ট্রাফিক সংক্রান্ত আরও ১৬৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর এই কদিন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং অপ্রীতিকর দুর্ঘটনা এড়াতে কলকাতাকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলে লালবাজার। প্রতিটি মোড়ে মোড়ে বাড়ানো হয় পুলিশের নজরদারি ও টহলদারি। বিশেষ করে উৎসবের দিনগুলোতে যাতে কোনোভাবেই মত্ত চালক বা বেপরোয়া বাইকাররা রাস্তায় ত্রাস সৃষ্টি করতে না পারে, তার জন্য আগে থেকেই কড়া নির্দেশিকা জারি করেছিল রাজ্য সরকার। মহাষ্টমীর দিনটিকে বিশেষ নির্দেশিকায় নিয়ন্ত্রণ করার কথা থাকলেও একশ্রেণির মানুষের বেপরোয়া মনোভাবের জেরে এই বিপুল পরিমাণ মামলা প্রমাণ করে যে প্রশাসনের কড়া নজর সত্ত্বেও আইন ভাঙার প্রবণতা পুরোপুরি রোখা যায়নি। তবে লালবাজারের এই কঠোর মনোভাব আগামী দিনে অপরাধীদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত