Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

KMC Election: “নিয়ম ভেঙে কর্পোরেশন দখলের চক্রান্ত!” আসন পুনর্বিন্যাসে চরম অনিয়মের অভিযোগে একজোট বিরোধীরা, হাই কোর্টে তীব্র আইনি ধাক্কার মুখে পুরসভা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
KMC Election: “নিয়ম ভেঙে কর্পোরেশন দখলের চক্রান্ত!” আসন পুনর্বিন্যাসে চরম অনিয়মের অভিযোগে একজোট বিরোধীরা, হাই কোর্টে তীব্র আইনি ধাক্কার মুখে পুরসভা!
ফাইল ছবি

কলকাতা: নভেম্বরের শেষেই হতে চলেছে কলকাতা পুরসভার (কেএমসি) ২০৯টি ওয়ার্ডের বহু প্রতীক্ষিত সাধারণ নির্বাচন। তবে ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার আগেই আসন পুনর্বিন্যাস ও মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে মারাত্মক অনিয়ম এবং সংবিধান লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শাসক বিজেপিকে কোণঠাসা করতে এবার একই সুরে সুর মিলিয়ে একযোগে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে প্রদেশ কংগ্রেস, সিপিআইএম এবং মমতা-তৃণমূল কংগ্রেস।

তিন বিরোধী শিবিরেরই অভিযোগ, পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডেকে বারবার সীমানা নির্ধারণের খসড়া নিয়ে স্পট ভিজিট ও জনশুনানির প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা পুরোপুরি উপেক্ষা করেছেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিযোগ করেছেন, “সংসদের নগরপালিকা আইনের তোয়াক্কা না করে প্রশাসনকে অসাধু উপায়ে ব্যবহার করছে গেরুয়া শিবির। পুরোনো ১৪৪টি ওয়ার্ড ভেঙে কীভাবে ২০৯টি করা হলো, তার কোনো সদুত্তর নেই। এমনকি একই ওয়ার্ড পরপর চারবার মহিলা সংরক্ষিত রেখে চরম স্বৈরাচারিতা চালানো হচ্ছে।” অন্যদিকে প্রাক্তন মেয়র পারিষদ তথা মমতা-তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও সিপিআইএম জেলা সম্পাদক কল্লোল মজুমদারের দাবি, রাজনৈতিক দল বা নাগরিকদের মতামত না নিয়ে স্রেফ ভোটার তালিকা দেখে আইন বহির্ভূতভাবে ডিলিমিটেশন করা হয়েছে, যা কলকাতার প্রকৃত জনবিন্যাসকে নষ্ট করছে।


প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে প্রকাশিত তালিকাটি খসড়া হওয়ায় হাই কোর্টে টেকনিক্যাল জটিলতা এড়াতে চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য অপেক্ষা করছেন বিরোধী আইনজীবীরা। বিজ্ঞপ্তি পাওয়া মাত্রই দায়ের করা হবে মামলা। এদিকে আইনি মেঘ ঘনিয়ে উঠলেও নির্বাচনী প্রস্তুতি থামায়নি কোনো দলই। শাসক বিজেপি উত্তর ও দক্ষিণ জেলা মন্ডলের প্রার্থীতালিকা তৈরি করে সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে জমা দিতে শুরু করেছে। অন্যদিকে উপনির্বাচন মেটার পরই পূর্ণ শক্তিতে ময়দানে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কংগ্রেস ও বাম নেতৃত্ব। আলিমুদ্দিনের লক্ষ্য এবার তরুণ প্রজন্মকে বেশি করে টিকিট দেওয়া। আবার মমতা-তৃণমূলের শীর্ষ নেতারাও দক্ষিণ কলকাতার কার্যালয়ে প্রার্থী চয়ন নিয়ে একের পর এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক সারছেন। সব মিলিয়ে পুরভোটের দামামা বাজার সাথে সাথেই হাই কোর্টের দরজায় বিরোধী জোটের এই আইনি চাল পুরভোটে বড়সড় অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করল।

বিষয় : bengal politics kmc polls high court case shubhankar sarkar

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


KMC Election: “নিয়ম ভেঙে কর্পোরেশন দখলের চক্রান্ত!” আসন পুনর্বিন্যাসে চরম অনিয়মের অভিযোগে একজোট বিরোধীরা, হাই কোর্টে তীব্র আইনি ধাক্কার মুখে পুরসভা!

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: নভেম্বরের শেষেই হতে চলেছে কলকাতা পুরসভার (কেএমসি) ২০৯টি ওয়ার্ডের বহু প্রতীক্ষিত সাধারণ নির্বাচন। তবে ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার আগেই আসন পুনর্বিন্যাস ও মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে মারাত্মক অনিয়ম এবং সংবিধান লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শাসক বিজেপিকে কোণঠাসা করতে এবার একই সুরে সুর মিলিয়ে একযোগে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে প্রদেশ কংগ্রেস, সিপিআইএম এবং মমতা-তৃণমূল কংগ্রেস।তিন বিরোধী শিবিরেরই অভিযোগ, পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডেকে বারবার সীমানা নির্ধারণের খসড়া নিয়ে স্পট ভিজিট ও জনশুনানির প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা পুরোপুরি উপেক্ষা করেছেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিযোগ করেছেন, “সংসদের নগরপালিকা আইনের তোয়াক্কা না করে প্রশাসনকে অসাধু উপায়ে ব্যবহার করছে গেরুয়া শিবির। পুরোনো ১৪৪টি ওয়ার্ড ভেঙে কীভাবে ২০৯টি করা হলো, তার কোনো সদুত্তর নেই। এমনকি একই ওয়ার্ড পরপর চারবার মহিলা সংরক্ষিত রেখে চরম স্বৈরাচারিতা চালানো হচ্ছে।” অন্যদিকে প্রাক্তন মেয়র পারিষদ তথা মমতা-তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও সিপিআইএম জেলা সম্পাদক কল্লোল মজুমদারের দাবি, রাজনৈতিক দল বা নাগরিকদের মতামত না নিয়ে স্রেফ ভোটার তালিকা দেখে আইন বহির্ভূতভাবে ডিলিমিটেশন করা হয়েছে, যা কলকাতার প্রকৃত জনবিন্যাসকে নষ্ট করছে।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে প্রকাশিত তালিকাটি খসড়া হওয়ায় হাই কোর্টে টেকনিক্যাল জটিলতা এড়াতে চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য অপেক্ষা করছেন বিরোধী আইনজীবীরা। বিজ্ঞপ্তি পাওয়া মাত্রই দায়ের করা হবে মামলা। এদিকে আইনি মেঘ ঘনিয়ে উঠলেও নির্বাচনী প্রস্তুতি থামায়নি কোনো দলই। শাসক বিজেপি উত্তর ও দক্ষিণ জেলা মন্ডলের প্রার্থীতালিকা তৈরি করে সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে জমা দিতে শুরু করেছে। অন্যদিকে উপনির্বাচন মেটার পরই পূর্ণ শক্তিতে ময়দানে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কংগ্রেস ও বাম নেতৃত্ব। আলিমুদ্দিনের লক্ষ্য এবার তরুণ প্রজন্মকে বেশি করে টিকিট দেওয়া। আবার মমতা-তৃণমূলের শীর্ষ নেতারাও দক্ষিণ কলকাতার কার্যালয়ে প্রার্থী চয়ন নিয়ে একের পর এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক সারছেন। সব মিলিয়ে পুরভোটের দামামা বাজার সাথে সাথেই হাই কোর্টের দরজায় বিরোধী জোটের এই আইনি চাল পুরভোটে বড়সড় অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত