Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

JMB: খাগড়াগড়ের স্মৃতি উসকে, বঙ্গে ফের জেএমবি-ছায়া! হানা এনআইএ-র

প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
JMB: খাগড়াগড়ের স্মৃতি উসকে, বঙ্গে ফের জেএমবি-ছায়া! হানা এনআইএ-র
১২ বছর আগে খাগড়াগড়ের ছবি। ফাইল ছবি

দিনটা ছিল ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর। বর্ধমানের খাগড়াগড়ের একটি বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। তদন্তে উঠে এসেছিল বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবির যোগ। সেই ঘটনার ১২ বছর অতিক্রান্ত। দুর্গাপুজোর মুখে ফের বাংলায় জেএমবির শাখা সংগঠনের সম্ভাব্য যোগের খোঁজে সক্রিয় হয়েছে তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। 


২৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার বাংলা, অসম ও কেরলে একসঙ্গে ১৬টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। সূত্রের খবর, অসমে দশটি, পশ্চিমবঙ্গে পাঁচটি এবং কেরলে একটি জায়গায় অভিযান হয়েছে। ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’ বা আইএমকে-কে ঘিরে চলা একটি মামলার তদন্তের সূত্রেই এই অভিযান। পশ্চিমবঙ্গে পূর্ব বর্ধমান, ডায়মন্ড হারবার, দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি-সহ একাধিক এলাকায় পৌঁছন তদন্তকারীরা। এছাড়াও পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামের একটি মসজিদেও যান। সেখানে ইমামের সঙ্গে সংগঠনটির যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


এই অভিযানেই ফিরে আসছে ২০১৪ সালের খাগড়াগড়ের স্মৃতি। অষ্টমীর সকালে ওই বিস্ফোরণে তদন্ত চালিয়ে একটি বড় জেএমবি নেটওয়ার্কের সন্ধান পায় এনআইএ। ২০১৫ সালে আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে ২১ জনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল, যাঁদের মধ্যে চার জন ছিলেন বাংলাদেশের নাগরিক। সূত্র ধরে গ্রেফতার করা হয় জেএমবির একাধিক সদস্যকে। একইভাবে, এবারও তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে জেএমবির এই শাখা সংগঠন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুনে এনআইএ জানিয়েছিল, আইএমকে-র মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গি মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। সেই মামলারই পরবর্তী তদন্তে এবার নতুন করে তল্লাশি শুরু হয়েছে। অসম থেকে শুরু হওয়া তদন্তের সূত্র কতটা বাংলায় ছড়িয়েছে, আর এর সঙ্গে কতজন যুক্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। খাগড়াগড়ের সেই বিস্ফোরণের ১২ বছর পর প্রশ্ন উঠছে, পুরনো জেএমবি নেটওয়ার্কেরই কোনও অংশ কি নতুনভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে? নাকি সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি সম্পূর্ণ আলাদা কোনও মডিউলের সঙ্গে যুক্ত? আনুমানিকভাবে তা বলা সম্ভব নয়। এনআইএর তদন্ত এগোলেই সেই উত্তর আরও স্পষ্ট হবে।

বিষয় : JMB Blast

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


JMB: খাগড়াগড়ের স্মৃতি উসকে, বঙ্গে ফের জেএমবি-ছায়া! হানা এনআইএ-র

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
দিনটা ছিল ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর। বর্ধমানের খাগড়াগড়ের একটি বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। তদন্তে উঠে এসেছিল বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবির যোগ। সেই ঘটনার ১২ বছর অতিক্রান্ত। দুর্গাপুজোর মুখে ফের বাংলায় জেএমবির শাখা সংগঠনের সম্ভাব্য যোগের খোঁজে সক্রিয় হয়েছে তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। ২৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার বাংলা, অসম ও কেরলে একসঙ্গে ১৬টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। সূত্রের খবর, অসমে দশটি, পশ্চিমবঙ্গে পাঁচটি এবং কেরলে একটি জায়গায় অভিযান হয়েছে। ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’ বা আইএমকে-কে ঘিরে চলা একটি মামলার তদন্তের সূত্রেই এই অভিযান। পশ্চিমবঙ্গে পূর্ব বর্ধমান, ডায়মন্ড হারবার, দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি-সহ একাধিক এলাকায় পৌঁছন তদন্তকারীরা। এছাড়াও পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামের একটি মসজিদেও যান। সেখানে ইমামের সঙ্গে সংগঠনটির যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই অভিযানেই ফিরে আসছে ২০১৪ সালের খাগড়াগড়ের স্মৃতি। অষ্টমীর সকালে ওই বিস্ফোরণে তদন্ত চালিয়ে একটি বড় জেএমবি নেটওয়ার্কের সন্ধান পায় এনআইএ। ২০১৫ সালে আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে ২১ জনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল, যাঁদের মধ্যে চার জন ছিলেন বাংলাদেশের নাগরিক। সূত্র ধরে গ্রেফতার করা হয় জেএমবির একাধিক সদস্যকে। একইভাবে, এবারও তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে জেএমবির এই শাখা সংগঠন।উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুনে এনআইএ জানিয়েছিল, আইএমকে-র মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গি মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। সেই মামলারই পরবর্তী তদন্তে এবার নতুন করে তল্লাশি শুরু হয়েছে। অসম থেকে শুরু হওয়া তদন্তের সূত্র কতটা বাংলায় ছড়িয়েছে, আর এর সঙ্গে কতজন যুক্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। খাগড়াগড়ের সেই বিস্ফোরণের ১২ বছর পর প্রশ্ন উঠছে, পুরনো জেএমবি নেটওয়ার্কেরই কোনও অংশ কি নতুনভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে? নাকি সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি সম্পূর্ণ আলাদা কোনও মডিউলের সঙ্গে যুক্ত? আনুমানিকভাবে তা বলা সম্ভব নয়। এনআইএর তদন্ত এগোলেই সেই উত্তর আরও স্পষ্ট হবে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত